রাত ০৪:৩০ ; সোমবার ;  ১৮ নভেম্বর, ২০১৯  

স্থল সীমান্ত চুক্তির সংবর্ধনা শুক্রবার

ব্যানার-পোস্টার না আনার নির্দেশনা

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

ভারত-বাংলাদেশ স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের সাফল্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির ব্যানারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণসংবর্ধনা শুক্রবার (২৯ মে)। বিকেল ৪টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বুধবারের দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সংবর্ধনার প্রস্তুতি বিষয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিটির আহ্বায়ক সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক তাদের প্রস্তুতির কথা জানান।

জানা গেছে, দুই ঘণ্টার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং সরকারের বিভিন্ন অর্জন নিয়ে বিশিষ্ট নাগরিকদের বক্তব্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একটি পর্ব থাকছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠ‍ান পর্বে শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও সরকারের সেক্টরভিত্তিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে সৈয়দ হক রচিত একটি সঙ্গীত পরিবেশিত হবে।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হিসেবে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সিনিয়র সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ছাড়া দল বা সরকারের কোনও প্রতিনিধি মঞ্চে থাকছেন না। থাকবে কেবল পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ।

এদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ব্যক্তিগত ব্যানার-পোস্টার না নিয়ে আসার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ শামসুল হক জানান গণতন্ত্রের অব্যাহত চর্চার মধ্যে দৃঢ় ও গতি সম্পন্ন সমৃদ্ধি-প্রবৃদ্ধি-অগ্রগতি এবং মানুষ স্বস্তি-শান্তি ও নিরাপত্তার ভেতরে থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।

সংবর্ধনার আয়োজন প্রসঙ্গে বলেন, ইন্দিরা-মুজিব সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হতে চলেছে। এটি মানবিক অর্জন। আমরা এই বিশাল ঘটনার সামগ্রিক উন্নতিগুলো চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে চাই। একটা স্বীকৃতি দিতে চাই।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “আমরা একটা সৃষ্টিশীল ও রুচিশীল অনুষ্ঠান উপহার দিতে চাই, যেন দেশ-বিদেশের মানুষ তন্ময় হয়ে তাকিয়ে থাকে। সংবর্ধনাস্থলে কোনো ব্যানার ঢুকবে না। আগের রাতে কেউ পোস্টার লাগালেও তা খুলে ফেলা হবে।”

নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, “সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কারও ব্যানার-পোস্টার দেখা গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে স্বপ্ন দেখিয়েছেন একে একে তা পূরণ হচ্ছে। আপানারা ভরসা রাখেন অচিরেই তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন হবে।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংসদ হাজি মোহাম্মদ সেলিম, বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।

/ইএইচএস/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।