বিকাল ০৪:৫০ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৩ মে, ২০১৯  

মমতাকে ছিটমহল বিনিময় কমিটির চিঠি

প্রকাশিত:

কলকাতা প্রতিনিধি।।

ছিটমহল বিনিময়ের প্রাক্কালে জাল জমির দলিল ও জাল ভারতীয় নাগরিক পত্রের মধ্য দিয়ে দুষ্কৃতীরা ঠিকানা বদলসহ নানা অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে সক্রিয় হবে এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই বিষয়টি নজরে আনার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠাল ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল সমন্বয় কমিটি।

সোমবার কোচবিহারের জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিশাল সমাবেশ করে বাংলাদেশি ছিটমহলের বাসিন্দারা ছিটমহল বিনিময়ের সময় সরকারি তরফে বাড়তি সর্তকতা নেওয়ার দাবি করল।

এদিন ভারতের অভ্যন্তরে ১১১টি ছিটমহলের বাসিন্দারা এই দাবিকে সামনে রেখে কোচবিহার রেলস্টেশন থেকে বিশাল মিছিল করে এসে জেলাশাসকের কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেন। এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সহ-সম্পাদক দীপ্তিমান সেনগুপ্তসহ বিভিন্ন ছিটমহল থেকে আগত নেতৃবৃন্দ।

এদিন তারা দাবি করেন, বিনিময়ের পর যে সকল ভারতীয় ছিটমহলেরবাসী চলে আসতে চান তাদের ক্ষেত্রে ভারত বা বাংলাদেশে কোনও ফৌজদারি মামলা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হোক। এর পাশাপাশি, ২০১১ সালের ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ জনগণনার ভিত্তিতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা, আগামী ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া গ্রহণ করা। এক্ষেত্রে কোনও বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওকে দায়িত্ব না দেওয়া এবং উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় ছিটমহলবাসীদের যুক্ত করার আবেদন করা হয়।

দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেন, ‘বিনিময়কে কেন্দ্র করে একাধিক অশুভ চক্র সক্রিয় হচ্ছে উভয় দিকেই। যার খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে। জাল দলিল থেকে শুরু করে জাল ভারতীয় নাগরিকপত্র বানানো হচ্ছে। এসব প্রতিহত করতে না পারলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হবে বলে আমরা মনে করছি।’

সভাশেষে একটি প্রতিনিধি দল কোচবিহারের জেলাশাসক পি উলগানাথনের সাথে দেখা করে তার হাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে লেখা ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল সমন্বয় কমিটির চিঠি তুলে দেন।

/ডিআর/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।