দুপুর ০২:৫৭ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৭ জুন, ২০১৯  

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ইউল্যাবের গবেষণাপত্র

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

চাকরিদাতারা তাদের পারিবারিক বা বন্ধুত্বের সম্পর্কের চেয়ে তাদের অধস্তন কর্মীদের অধিক মূল্যায়ন করে থাকেন। শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত মানবসম্পদ অধিদফতরের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ করে। বাকীরা এখনও কিছু বেসরকারি সংস্থার ওপর নির্ভরশীল।

সম্প্রতি প্রকাশিত 'বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় বিভিন্ন কৌশল এবং বাধা উত্তরণ'বিষয়ক একটি গবেষণাপত্রে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব)- এর সেন্টার ফর এন্টারপ্রাইজ এন্ড সোসাইটি (সিইএস) এবং এমআরবির এর যৌথ উদ্যোগে এ গবেষণাপত্রপ্রকাশিত হয়। এতে দেশে নতুন ব্যবসার উদ্যোগ নিয়ে উদ্যোক্তাদের নানা কৌশল তুলে ধরা হয়।

ব্যবসায়িক উদ্যোগের পথে বাধা উত্তরণ শীর্ষক একটি সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে এই গবেষণাপত্রটি লেখা হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন খাতে ভিন্ন কার্যকরী পন্থা অবলম্বনে যে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে তাও তুলে ধরা হয়েছে।

এই বিশেষ সমীক্ষায় আবাসন, তথ্য-প্রযুক্তি ও তৈরি আসবাবপত্র খাতের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের মোট ৫৩৬ জন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী পরিচালক অংশ নিয়েছেন। গবেষণাটি ইউল্যাব-এর সেন্টার ফর এন্টারপ্রাইজ এন্ড সোসাইটি এবং সিরিয়াস মার্কেটিং এন্ড সোশ্যাল রিসার্চের একটি যৌথ প্রকল্পের আওতায় সম্পন্ন হয়েছে।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, উদ্যোক্তারা মূলত চার ধরনের বাধার সম্মুখীন হন। এগুলো হচ্ছে যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংকট, বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক সম্পর্ক, সরকারি অনুমতি প্রাপ্তি ও বিভিন্ন নীতিমালা এবং যোগ্য লোকবল নিয়োগ ও তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উদ্যোগতারা মূলত তিনটি কৌশল গ্রহণ করেন। যার মধ্যে রয়েছে ব্যবসাকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া, ব্যক্তিগত ও পেশাগত সূত্রে বিশ্বস্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা অথবা নিজের ব্যবসাবৃত্তির ওপর আস্থা রেখে পরিশ্রম করে যাওয়া।

গবেষণাপত্রেরপ্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মানযুর। গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন রিসার্চ টিমের প্রধান এবং ইউল্যাবের সিইএস বিভাগের প্রাক্তন পরিচালক ড. ড্যানিয়েল এম সাবেত।

২০০৪ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেইশিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে তাদের বিশ্ব মানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে ইউল্যাব। এ লক্ষ্যে ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় ইউল্যাব-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানসেন্টার ফর এন্টারপ্রাইজ এন্ড সোসাইটি (সিইএস)। এটি মূলত বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক অবকাঠামো এবং এর উন্নতির পথে প্রতিকূলতা ও সম্ভাবনার নানা দিক নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গবেষণা করছে।

/এআই/এমপি/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।