ভোর ০৬:১৩ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

ভারতের স্বীকৃতি পেয়েছে বিএসটিআই মান সনদ

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

বিএসটিআই এর কেমিক্যাল (রাসায়নিক) ও ফিজিক্যাল (ভৌত বিজ্ঞান) গবেষণাগারের দেওয়া ২৫টি পণ্য এবং ১৪৩টি বিবেচ্য বিষয়ের (প্যারামিটার) মানসনদ ভারতের স্বীকৃতি পেয়েছে।

ভারতীয় জাতীয় মান নির্ধারণী সংস্থা এনএবিএল এ স্বীকৃতি প্রদান করে। আরও ২০টি প্যারামিটারের পরীক্ষার সনদ স্বীকৃতি প্রাপ্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ফলে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাড়বে।

বিশ্ব মেট্রোলজি (মান) দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই) আয়োজিত পরিমাপ বিজ্ঞান ও আলোর ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত মান ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।

বিএসটিআইর মহাপরিচালক ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব সুষেণ চন্দ্র দাস, এফবিসিসিআই’র সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বিএসটিআই’র মেট্রোলজি বিভাগের পরিচালক মোহম্মদ আলী বক্তব্য রাখেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, “নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্যের ব্যবহার বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন, বিতরণ, সঞ্চালনসহ সকল পর্যায়ে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামালের যথাযথ পরিমাপ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।” তিনি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও পণ্য উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত শিল্প উদ্যোক্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানান।

তিনি আরও বলেন, “বিদ্যুৎ পরিমিতভাবে ব্যবহার না করলে প্রাকৃতিক উৎস সহসাই ফুরিয়ে যাবে। ফলে ভবিষ্যতে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবার পাশাপাশি মানব সভ্যতা মারাত্মক সংকটে পড়বে।”

ভবিষ্যত প্রজন্মের স্বার্থে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদন, বৃদ্ধি ও ব্যবহারে মিতব্যয়ী হবার পরামর্শ দেন তিনি। বিদ্যুতের সিস্টেম লস কমাতে তিনি সম্ভাব্য সকল স্থানে জ্বালানি দক্ষ স্মার্ট এনার্জি মিটার প্রতিস্থাপনের তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দেশিয় পণ্যের গুণগতমান পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যে বিএসটিআই’র প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এটি সম্ভব হলে, বিশ্ববাজারের অশুল্ক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলাদেশি পণ্য সহজেই অনুপ্রবেশে সক্ষম হবে।

শিল্পায়নে আলোক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী উপকরণ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন।

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।