রাত ১১:৩৬ ; মঙ্গলবার ;  ২১ নভেম্বর, ২০১৭  

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আসছে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ৫ বছর মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২১ সালের মধ্যে বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে এই কর্মপরিকল্পনায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। আজ রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার ওপর একটি জাতীয় পর্যায়ের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এই পরিকল্পনার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম। তিনি বলেন, দারিদ্র্য ও অসচেতনতা বাল্যবিবাহের জন্য দায়ী। এ জন্য অভিভাবক ও সমাজের সকল জনগণকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। এ কাজে মিডিয়া ও সুশীল সমাজের দায়িত্বের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সভায় আগতদের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে নাছিমা বেগম বলেন, আগামী দিনগুলোতে সকলের সাথে আলোচনা করে এই কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব তাহমিনা বেগম এনডিসি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ লুইস বনু, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজিন্টেটিভ উরি কাতুসহ আরও অনেকে। লুইজ বনু বলেন বাল্যবিবাহের মাধ্যমে শুধু নারীর মানবাধিকারই লংঘিত হয় না বরং তা জাতীয় উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।

কর্মশালার শুরুতে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মাল্টিসেক্টরাল অ্যাপ্রোচ প্রকল্পের পরিচালক ড. আবুল হোসেন বিস্তারিত পরিকল্পনা ও তার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৫ থেকে ২০২১ সময়ের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও বিবাহ নিবন্ধন নিশ্চিত করা, বাল্যবিবাহের সাথে সম্পর্কীত আইনের সংশোধন, জেলা পর্যায়ে বাল্যবিবাহের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্যে লিগ্যাল এইড ক্লিনিক স্থাপনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পৃক্ত হয়েছে।

 

/ইউআই/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।