ভোর ০৬:৪২ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

৫৬ ব্যবসায়ীকে সিআইপি কার্ড প্রদান

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৫৬ জন ব্যবসায়ীকে সিআইপি কার্ড প্রদান করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে সাত ক্যাটাগরিতে ৫৬ জন সিআইপিকে এ কার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ‘সিআইপি (শিল্প) নীতিমালা-২০১২’ অনুযায়ী সাতটি ক্যাটাগরিতে এ সব ব্যক্তিকে নির্বাচন করা হয়।

সিআইপি কার্ডধারীরা সচিবালয়ে প্রবেশের সুযোগ ছাড়াও বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান এবং সিটি করপোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন। ভ্রমণের সময় পাবেন বিমান, রেলপথ, সড়ক ও জলপথে সরকারি পরিবহনে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার সুবিধা।

নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসায় তারা সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধায় অগ্রাধিকার পাবেন। বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের তাদের সুযোগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া, ভিসাপ্রাপ্তির সুবিধার্থে সিআইপি কার্ডধারীদের সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে তাদের জন্য ‘লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন’ দেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী আমু বলেন, “হরতাল-অবরোধের মধ্যেও দেশের অর্থনীতি শিল্প উদ্যোক্তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও উদ্যোক্তাসুলভ মানসিক দৃঢ়তা এবং ঐকান্তিক মেধ্যা ও শ্রমে সচল রয়েছে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, অতিরিক্ত সচিব মো. ফরহাদ উদ্দিন, এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।


যারা পেলেন সিআইপি কার্ড

বৃহৎ শিল্পখাতে ২১ জন

জেম জুট লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ, আবদুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোনেম, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস ছামাদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. পারভেজ রহমান।

ইসলাম রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আজহারুল ইসলাম, সুপার রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আহমেদ, ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম, এম আর এস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামসুর রহমান।

এনভয় টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, কসমোপলিটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক তানভীর আহমেদ, পাহাড়তলী টেক্সটাইল অ্যান্ড হোসিয়ারী মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা সালমান ইস্পাহানি, ফুজি ইংক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফারহানা মোনেম, পলো কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জলিল।

বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলী হোসাইন আকবর আলী, স্কয়ার কনজ্যুমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের অঞ্জন চৌধুরী, এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা, ইউনিভার্সেল জিন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, জালাল আহমেদ স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান, রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ফার সিরামিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান খোদেজা ফরহাদ রুহী।

মাঝারি শিল্পখাতে ৯ জন

অ্যাটলাস সি ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মিজানুর রহমান ও ইগলু ফুডস লিমিটেডের পরিচালক এ এস এম মঈনউদ্দিন মোনেম, বি আর বি পলিমার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান, মেসার্স সিটাডেল এপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহিদুল ইসলাম খান, বিডি সি ফুড লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ বদরুল হায়দার চৌধুরী।

জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী শাহেদ আহমেদ, বিডি ফুডস লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ তাফহীম আল-আজমী, বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেড এম গোলাম নবী এবং অকো-টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সোবহান।

ক্ষুদ্র শিল্পে ৬ জন

করিম স্পিনিং মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার,কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজবার রহমান, বেইলি ইয়ার্ন ডাইং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাসুদ জামান।

আমানত শাহ উইভিং প্রসেসিং লিমিটেডের পরিচালক লুৎফা বেগম এবং টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেবনাথ, ফুটবেড ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিরুদ্ধ কুমার রায়।

সেবা শিল্পখাতে ৫ জন

শেলটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌফিক এম সেরাজ , নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম, নাভানা লিমিটেডের চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার মনির উদ্দীন এবং শান্তা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক জেসমিন সুলতানা।

ক্ষুদ্র শিল্পখাতে ২ জন

আরএমএম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন ও এবি ফ্যাশন মেকারের স্বত্বাধিকারী সানাউল হক বাবুল।

কুটির শিল্পে একজন

 

জননী উইভিং ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী মো. রফিকুল ইসলাম পরান।

 

পদাধিকারবলে ১২ জন

ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ পদে থাকা ১২ জনকে সিআইপি কার্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- ফেডারেশন অফ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি বাংলাদেশের (নাসিব) সভাপতি মির্জা নূরুল গণি শোভন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি আতিকুল ইসলাম।

বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামস-উজ-জোহা, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফআইসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রূপালী হক চৌধুরী, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) সভাপতি রোকেয়া আফজাল রহমানকে।

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিএফএ) সভাপতি তপন চৌধুরী, উইমেন অন্ট্রাপ্রেনার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ওয়েব) সভাপতি নাসরীন ফাতেমা আউয়াল, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সঙ্গীতা আহমেদ।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।