দুপুর ০১:২৫ ; রবিবার ;  ২৬ মে, ২০১৯  

'বন্ধু মানে কী?'

ভিডিও ক্লিপ নির্মাণের জন্য পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

প্রত্যেকটি রাষ্ট্রেই বৈচিত্র্য থাকে, রাষ্ট্র সেই বৈচিত্র্যময়তাকে সঙ্গে নিয়েই সামনের দিকে এগিয়ে যায়। যৌন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের এই বৈচিত্র্যেরই অংশ। ৬ মে বুধবার কাঁকরাইলে 'বন্ধু স্যোশাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি'র কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন কথা বলেন বক্তারা।

‘বন্ধু মানে কী?’ শীর্ষক ওই ভিডিও ক্লিপিং প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জন ফ্রিজেল।

তিনি বলেন, ‘যৌন সংখ্যালঘুদের অধিকার আদায়ের জন্য গণযোগাযোগ অন্যতম হাতিয়ার। এর মাধ্যমে সৃজনশীলতার সঙ্গে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করে যৌন সংখ্যালঘুদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা ও তাদের অধিকারের নানা দিক তুলে ধরা সহজ হয়'।

যৌন সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে গণমানুষকে সম্পৃক্ত করতে এই ভিডিও ক্লিপিং প্রতিযোগিতা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন সুইডিশ রাষ্ট্রদূত।

‘বন্ধুত্ব’ বিষয়ে যৌন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অধিকারের দিকগুলো সৃজনশীল ভিডিও ক্লিপিংয়ের মাধ্যমে গণমানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে 'বন্ধু' এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ২৮ জন প্রতিযোগি। স্মার্টফোন, মুঠোফোনের ক্যামেরা ও ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার ভিডিও ক্লিপ তৈরি করেন প্রতিযোগীরা। এর মধ্য থেকে পাঁচজনকে পুরস্কৃত করা হয়।

বন্ধু'র চেয়ারপারসন আনিছুল ইসলাম হিরু সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনএইডস- এর কান্ট্রি ডিরেক্টর লিও কেনি, বন্ধু'র এক্সিকিউটিভ মেম্বার ডা. মিজানুর রহমান। বন্ধু’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার উম্মে ফারহানা জারিফ কান্তা'র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সালেহ আহমেদ, বন্ধু মিডিয়া ফেলো কেরামত উল্ল্যাহ বিপ্লব, অখিল পোদ্দার প্রমুখ।

/এমপি/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।