ভোর ০৭:০৭ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

নতুন সিআইপি ৫৬ জন

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘সিআইপি (শিল্প) নীতিমালা-২০১২ অনুযায়ী সাতটি ক্যাটাগরিতে ৫৬ জনকে সিআইপি নির্বাচন করা হয়েছে।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে।

সাতটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ৫৬ জন সিআইপি'র মধ্যে পদাধিকার বলে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা ১২ জন, বৃহৎ শিল্প খাতের ২১ জন, মাঝারি শিল্প খাতে নয় জন, ক্ষুদ্র শিল্পে ছয় জন, অতিক্ষুদ্র শিল্প খাতে দুই জন, সেবা শিল্প খাতে ৫ জন এবং কুটির শিল্প খাতে এক জন উদ্যোক্তা রয়েছেন।

আগামী ৭ মে মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে ওই সব ব্যবসায়ীর হাতে সম্মানজনক সিআইপি কার্ড হাতে তুলে দেওয়া হবে। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এ সময় উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সিআইপিরা শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এক বছরের জন্য একটি পরিচয়পত্র পাবেন। এ পরিচয়পত্র দিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। তারা বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান এবং সিটি করপোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন।

সিআইপিরা ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণের সময় বিমান, রেলপথ, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার পাবেন। বিদেশ ভ্রমণে ভিসা প্রাপ্তির সুবিধার্থে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে ‘লেটার অব ইন্ট্রোডাকশন’ দেবে।

এ ছাড়া স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন ও বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন সিআইপিরা।

নির্বাচিত ৫৬ জন সিআইপি হলেন, এফবিসিসিআই সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বিসিআই সভাপতি এ কে আজাদ, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি বাংলাদেশের (নাসিব) সভাপতি মির্জা নূরুল গণি শোভন, বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিএফএ) সভাপতি তপন চৌধুরী, উইমেন এন্টারপ্রিনিয়র অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ওয়েব) সভাপতি নাসরীন ফাতেমা আউয়াল, বিকেএমইএ সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান, বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি সঙ্গীতা আহমেদ, বিজেএমএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামস-উজ-জোহা, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রূপালী হক চৌধুরী, ডিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি রোকেয়া আফজাল রহমান, জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস ছামাদ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (নোমান), আবদুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল মোনেম, বিআরবি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভেজ রহমান, সুপার রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আহমেদ, ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুল ইসলাম, ইসলাম রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজহারুল ইসলাম, এম আর এস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামসুর রহমান, পাহাড়তলী টেক্সটাইল অ্যান্ড হোসিয়ারী মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা সালমান ইস্পাহানি, এনভয় টেক্সটাইলস্ লিমিটেডের চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন আহমেদ, কসমোপলিটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক তানভীর আহমেদ, ফুজি ইংক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড চেয়ারম্যান ফারহানা মোনেম, পলো কম্পোজিট নিট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ জলিল, ইউনিভার্সেল জেন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাছির উদ্দিন, স্কয়ার কনজ্যুমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের অঞ্জন চৌধুরী, বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলী হোসাইন আকবর আলী, এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা, প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, জালাল আহমেদ স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহান, রানার অটোমোবাইলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ফার সিরামিকস লিমিটেডের চেয়ারম্যান খোদেজা ফরহাদ রুহী, জেম জুট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ, মেসার্স সিটাডেল এপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহিদুল ইসলাম খান, বিডি সি ফুড লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ বদরুল হায়দার চৌধুরী, অকো-টেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সোবহান, বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেড এম গোলাম নবী, বি আর বি পলিমার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মজিবর রহমান, জেমিনি সি ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী শাহেদ আহমেদ, বিডি ফুডস লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ তাফহীম আল-আজমী, এটলাস সি ফুড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মিজানুর রহমান ও ইগলু ফুডস লিমিটেডের পরিচালক এ এস এম মঈনউদ্দিন মোনেম, কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজবার রহমান, বেইলী ইয়ার্ন ডাইং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ জামান, ফুটবেড ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনিরুদ্ধ কুমার রায়, করিম স্পিনিং মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, আমানত শাহ উইভিং প্রসেসিং লিমিটেডের পরিচালক লুৎফা বেগম, টেকনোমিডিয়া লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যশোদা জীবন দেবনাথ, আরএমএম লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন, এবি ফ্যাশন মেকারের স্বত্বাধিকারী সানাউল হক বাবুল, জননী উইভিং ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম (পরান), নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম, এসটিএস হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার মনির উদ্দীন, শান্তা প্রপার্টিজ লিমিটেডের পরিচালক জেসমিন সুলতানা, নাভানা লিমিটেডের চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম এবং শেলটেক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌফিক এম সেরাজ।

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।