ভোর ০৬:০৯ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ৫৮% বরাদ্দ ছাড়

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

চলতি ২০১৪-১৫ অর্থ বছর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের এডিপিভুক্ত মোট ১৫টি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের ৫৮ দশমিক ২৬ শতাংশ অর্থ ছাড় করা হয়েছে। জানা গেছে, মোট ১৬৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার মধ্যে ৯৭ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার টাকা অবমুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।

অপরদিকে একই সময়ে ৬৯ কোটি ৮২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা মূল্যমানের কাজ সম্পাদিত হয়েছে। এর পরিমাণ অবমুক্ত টাকার ৭১ দশমিক ৮২ ভাগ। চলতি অর্থবছরের ৯ মাস শেষে ১৫ টি প্রকল্পে বরাদ্দের বিপরীতে আর্থিক অগ্রগতির হার হয়েছে গড়ে ৪১ দশমিক ৮৫ ভাগ।

বৃহস্পতিবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলো (এডিপি) বাস্তবায়নের অগ্রগতি সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানা যায়, এডিপিভুক্ত ১৫টি প্রকল্পের মধ্যে বস্ত্র পরিদপ্তর সাতটি, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড তিনটি, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড দুইটি, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট একটি, পাট অধিদপ্তর একটি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

এ ছাড়া বাংলদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এডিপিভুক্ত ১৫টি প্রকল্পের মধ্যে চলতি অর্থ বছরে চারটি প্রকল্প সমাপ্ত হবে ।

সভায় প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতির হার বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ে তা শেষ করার জন্য প্রকল্প পরিচালকদের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন প্রকল্পের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

এ ছাড়া প্রকল্পে গুণগত মানসম্পন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের পরামর্শ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী নতুন নতুন প্রকল্প প্রণয়নের নির্দেশও দেন তিনি ।

সভায় ভারপ্রাপ্ত সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী প্রকল্পের কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রকল্প পরিচালকদের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরী করার পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, “এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবের (ডিপিপি) বাইরে কোনও কাজ করা হবে না। তাই সঠিক ও বাস্তবধর্মী পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিপিপি তৈরি করতে হবে।” এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাস্তবধর্মী প্রকল্প প্রণয়ণের পরামর্শ দেন।

অতিরিক্ত সচিব শামীমা সুলতানাসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।