দুপুর ০২:২৮ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৭ জুন, ২০১৯  

জার্নাল বনাম পারফর্মার !

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

ফাতেমা আবেদীন॥

কিছু কিছু মানুষ থাকে যারা হাসতে খেলতে বড় হয়ে যান, কিন্তু বড় হলেও শিশুসুলভ আচরণ থেমে থাকে না। যখন তাদের বয়স প্রৌঢ়তে যায় তখন তারা কেবল তরুণ হয়ে থাকেন। কিন্তু যখন বয়স তরুণের কোটায় তখন তিনি শিশু। এইরকম একজন তরুণ হচ্ছেন জার্নাল। লাল, নীল টিনের চশমা, মাথায় দুটো সিং, ইচ্ছামতো চুল এলোমেলো করা, ইচ্ছামতো খাওয়া, ইচ্ছামতো ঘোরা এই তরুণের কাজ। তবু থেমে নেই সত্যিকারের কাজ। তিনি জার্নাল, প্রাচ্যনাট, জলের গান কিংবা জলপুতুলের পাপেট শিল্পী জার্নাল বা চলচ্চিত্র নির্মাতা। আলাদা করে তার গুণকীর্তন না করে, তার থেকেই জেনে নেওয়া যাক তার পরিচয়।

পুরো নাম

পুরো নাম সাইফুল ইসলাম জার্নাল। তবে বন্ধুরা বলে থাকে জয়নাল থেকে জার্নাল হয়েছে তার নাম। বাবা রীতিমতো আকিকা দিয়েই জার্নাল নাম রেখেছিলেন। নাম নিয়ে বিড়ম্বনার গল্পগুলো বেশ লম্বা। শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ফিল্ম জমা দিলেন তিন বন্ধু মিলে। কাগজ আসার পর দেখা গেল, সব বন্ধুদের নাম ঠিক আছে শুধু তার নাম হয়ে গেছে জয়নাল। কর্তৃপক্ষকে জানাতেই তারা বললেন, জার্নাল কারো নাম হয়। বোধহয় ভুলে লিখেছিলেন, তাই তারা নিজ দায়িত্বে জয়নাল করে দিয়েছেন।

কিছুদিন আগে এক অফিসে গিয়ে নাম বলার পর সিকিউরিটি গার্ড বললেন, আপনার ডেজিগনেশন জিগাই নাই নাম কন। এই হলো গিয়ে জার্নালের নামের বৃত্তান্ত। তবে আমরা ধরেই নিতে পারি, তার নাম জয়নাল থেকে জার্নাল হয়েছে ! নামে কিইবা আসে যায়।

নিজের পরিচয়

নিচের পরিচয় দিতে গিয়ে একদম হিমশিম খেলেন জার্নাল। তবে প্রথমেই বলতে চান নিজেকে থিয়েটার কর্মী। ৯৩ থেকে লিটিল থিয়েটার দিয়ে যাত্রা শুরু। অভিনয়ের শুরুটা আরও আগে। স্কুলে থাকতেই নানা প্রতিযোগীতায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে শিল্পী হিসেবে কাজ শুরু অভিনয় জীবন। আর বাবার নিজের সাংস্কৃতিক সংগঠন ছিল। অনন্যা নাট্যগোষ্ঠি নামে একটি থিয়েটার দল ছিল। বাবা রিহার্সেল করাতেন, পাশে বসে ছেলে তা দেখতেন।

পাঁচ ভাইয়ের সবচেয়ে ছোট হচ্ছেন জার্নাল। তাই আহলাদের সীমা সংখ্যা ছিল না। ছোট বলে মায়ের আশ্রয়-প্রশ্রয় সবই ছিল তার। তবে ছোটবেলায় বেশ কাজের ছিলেন তিনি । পড়াশোনা ছাড়া সবকিছুই ছিল তার নখদর্পণে। স্কাউটের লিডার,জারি গানের লিড ভোকাল সবকিছুতেই তিনিই ছিলেন অগ্রগামী।

পড়াশোনা না করায় মা বলতেন, সবাই পড়াশোনা কররছে কিন্তু এই ছেলে তো কিছু করছে না তাই বাড়িটা ওকে দিয়ে দেওয়া হবে। ভাড়া তুলেই খেতে হবে তাকে। তবে সেটি তার করতে হয়নি। বাবা আর ভাইয়ের সঙ্গে সংগঠন করে যা অর্জন করেছেন তাই দিয়েই জার্নাল আজকে তারকা। বাবা খোয়াই কচিকাঁচার মেলার স্থানীয় দাদাভাই ছিলেন। পেশায় চিকিৎসক এই মানুষটি যাত্রা, নাটক দুটোই লিখতেন এবং অভিনয়ও করতেন। ছোট বলে সবার সঙ্গেই ঘুরে ফিরে বেড়ানোর সুযোগ বেশি ছিল। এবং শেখার সুযোগও ছিল।

আর দুজনের কথা না বললেই নয়, তাদের একজন ইত্তেফাকের সাংবাদিক সালেহ উদ্দিন, বিদ্যুৎ পাল এবং অধ্যাপক মাযহারুল ইসলাম রুবেল। তারা প্রায়শই এখানে সেখানে প্রতিযোগিতায় নিয়ে যেতেন। ভাইয়েরা তো ছিলেনই। আর ছিলেন হবিগঞ্জের কৃষি অফিসার রাজ্জাক ভাই। এই মানুষগুলোই তাকে আর্টিস্ট করে গড়ে তুলেছেন।

থিয়েটারে

বড় হয়ে এসএসসি পরীক্ষা শেষে ঢাকায় এলেন কলেজ ভর্তি কোচিং করতে। কিন্তু ছেলে শুরু করলেন থিয়েটার। শুরু করলেন নাট্যসংঘতে সারাদিনের ওয়ার্কশপ। সেসময় থাকতেন উত্তরার দক্ষিণখানে। সেখান থেকে প্রতিদিন এসে এই ওয়ার্কশপে অংশ নিতেন জার্নাল। এরপর যোগ দিলেন নাট্যসংঘে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নয় বলে তাকে কেউ নিতে চাইছিলেন না, কিন্তু দেবজ্যোতি সেন শর্মা তাকে নিয়ে নিলেন।

কিছুদিনে সেখানে কাজ করার পর আবার বাড়ির ছেলে বাড়ি ফিরে গেলেন। ৯৯ এ আবার ঢাকা আসেন। সিএটিতে যোগ দেন তখন। কামাল উদ্দিন নীলুর অধীনে কাজ করলেন বছরখানেক। জার্নাল বলেন, উনার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখা ও জানার সুযোগ পেয়েছিলেন।

সেসময়ই চোখে পড়ে প্রাচ্যনাটের বিজ্ঞাপন। সাধারণ বিজ্ঞাপনে লেখা থাকতো - নাটকর্মী আবশ্যক বা চাই । কিন্তু এই বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল, আপনি কি শিল্পকলার যেকোনও শাখায় কাজ করতে আগ্রহী কিনা। সেই থেকে প্রাচ্যনাট আর জার্নাল একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে। সময়টা ২০০১ সাল। তখন জার্নাল উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এই দলটির প্রতিটি মানুষকে ইউনিক বলে মনে করেন। (আজাদ আবুল কালাম) পাভেল ভাই, রাহুল দা ইমন ভাই (খুবই ইন্ট্রোভার্ট) শতাব্দী দা, সাইফুল ভাই(লাইট সেট) মানুষগুলো তার তার জায়গায় ভীষণ স্পষ্ট।

অভিনয়ের পাশাপাশি নিদের্শনাও দিয়েছেন প্রচুর। প্রাচ্যনাটে অনু নাটক বায়োস্কোপ(মঞ্চ),লাশের দেশ,আগুন খেলা(পথ নাটক) এর পর প্রাচ্যনাট স্কুল অব এ্যাকটিং এন্ড ডিজাইনে মোবাইল মোবাইল, খনি (স্ট্রিট ইম্প্রোভাইজেশন, ইন হেরিয়েট দ্যা উইংস,দ্যা ওয়েভার (মঞ্চ) নির্দেশনা দেন।

প্রায় ১৫ বছরের যাত্রা এই প্রাচ্যনাটে। এখানে তিনি আদ্যোপান্ত নাট্যকর্মী। এখানেই কাজের প্রচুর সুযোগ পেয়েছেন। নিজেকে বিকাশের সুন্দর একটি জায়গা পেয়েছেন। এই পরিবারের সঙ্গেই আজীবন থাকতে চান।

সিনেমার কারিগর

থিয়েটারের এই ছেলেটির সিনেমা তৈরির ঝোঁক হওয়ার পেছনেও নাকি প্রাচ্যনাট। একদিন সেখানে চলচ্চিত্র ক্লাস হলো। শিক্ষক ছিলেন অমিতাভ রেজা । এই সিনেমা ছেলের মাথা নষ্ট করল। সেখান থেকেই সিনেমা তৈরির নেশা চেপে বসল। শুধু ইচ্ছা থাকলেই তো হবে না। পড়াশোনা লাগবে। তাই ২০০৫ সালে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেন ফিল্ম বিভাগে।

সেসময় মানজারে হাসান মুরাদের ক্লাসে প্রথম ছবি বানালেন। সেই বছরই ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশ নিলেন। অর্জিত হয় বেষ্ট ইয়াং ফিল্ম মেকার এওর্য়াড। জাহিদুর রহিম অঞ্জন স্যারের ক্লাসে অলটারনেটিভ ফিল্ম মেকিং দেখেই নানাভাবে ফিল্ম তৈরিতে অনুপ্রাণিত হন। ক্যামেরা মোবাইলে ছবি তৈরির কথা মাথায় নেন। মোবাইল ফোন নিয়ে একটা গল্প লিখে ফেললেন। এইরকম সাদামাটা গল্প নিয়ে নকিয়া এন-৭০টি দিয়ে শাহরিয়ার শাওন শ্যুট করে তৈরি করল। রাহুল দা মিউজিক করে দিলেন এবং উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করলেন। জার্নাল তো বানিয়ে শেষ। সব গিয়ে পড়ল রাহুল দা ও শাওনের ঘাড়ে। এর পরের গল্পটা ভীষণ অনুপ্রেরণার। দশম আন্তর্জাতিক শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতে নিলেন পুরস্কার।

এরপর গায়ক

গানের ভূত চেপেছে দল থেকে। দলের কাজের সময় রাহুল দা গান গাইতেন তখন সবাই বসে যেতেন। সবাই গান গাইতে পারেন, বাদ্য বাজাতে পারেন। এরপর নাটকের গান নিয়ে প্রাচ্যনাট ওপেন এয়ার কনসার্ট হলো। এক মঞ্চে ২২জন উঠে গান গেয়েছিলেন। শাওন দা গান লিখতেন, রাহুল দা সুর করতেন কনক দা গাইতেন। ২০০৬ সালে স্কটল্যান্ড থেকে একটা প্রস্তাব আসল গান নিয়ে বিদেশ যাত্রার। ব্যাস রাহুল দা ও কনক দা দল করে ফেললেন। রাহুল, কনক ও কার্তিক এবং জার্নালের গানের দল জলের গান। এর পর স্কটল্যান্ড সফর এবং অফিশিয়াল গায়কের স্বীকৃতি।

পাপেট নির্মানকারী !

নাট্যকর্মী, পাপেট নির্মাতা, ফিল্মমেকার, এরপর গানের লোক। এরমধ্যে আবার পাপেট মেকার হিসেবে একটা শো করেও ফেলেছেন। পাপেট মেকিং নিয়ে বিশেষ একটি ওয়ার্কশপে যোগ দিলেন বন্ধুরা মিলে। সেই দলে ছিলেন, আমিরুল রাজীব, ঋতু এ সাত্তার, জার্নাল ও শাওন। সেখানে টিকে গেলেন শাওন ও জার্নাল। সেখানেও চার/পাঁচ বছর কাজ করলেন। পাপেট শো করতে গিয়ে ভীষণ উপভোগ করলেন বিষয়টা। বন্ধু শাওনসহ তৈরি করলেন, জলপুতুল পাপেট স্টুডিও। শিশুদের সঙ্গে কাজ করার বিরাট সুযোগ বলে মনে করেন তিনি। এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচহাজার বাচ্চা কাচ্চার সঙ্গে পাপেট্রি নিয়ে কাজ করেছেন।

অবশেষ পরিচয় পারফর্মার

এতগুলো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত জার্নাল। আসল পরিচয় নিয়ে অন্যরা ধাঁধায় পড়লেও তিনি নিশ্চিত যে, সে পারফর্মার। যেকোনও একটার কথা আলাদা করে বলতে রাজী নন তিনি। তার মতে সব কাজই যদি আর্ট হয় তবে কম্বাইন্ড আর্টিস্টই হচ্ছে বড় পরিচয়। আর সবই যেহেতু উপস্থাপনের বিষয় তাই পারফর্মিং আর্টই বড় পরিচয়। সবকিছু মিলেই একটি প্যাকেজ। হয়তো পুরো দায়িত্ব নিয়ে সব কাজ করা যাবে না কিন্তু যেখানে যে অংশ নিজেকে উজার করে দেওয়া যায় সব দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তিনি। ১৬ কলা বা ৬৪ কলার সব শাখায় নিজেকে নিবেদন করতে চান এই তরুণ।

উদাহরণ হিসেবে বলেন, ট্রাজেডি পলাশবাড়ি নাটকে ২৭ মিনিটের ভিডিও আছে। সেখানে ফিল্ম মেকিংটা কাজে লেগেছে। তেমনি করে রাজা, শাইলক অ্যান্ড সিকোয়েন্স, মায়ের মুখ, না মানুষি জমিন নাটকে ফিল্ম কাজে লাগিয়েছেন। গান আর অভিনয় তো আছেই। সবমিলিয়েই আদ্যোপান্ত একটা প্যাকেজ।

শখ

আলাদা করে শখের কোনও দরকার পড়ে না জার্নালের। নাটক, সিনেমা গান নিয়ে গ্রাম, বন্দর শহরে চলে ঘোরাঘুরি। কাজের জন্য প্রচুর পড়তে হচ্ছে এটাও সখের কাজ। আরেক সখ ছিল ফটোগ্রাফি। নিজের ছবি তুলতেও খুব পছন্দ করতেন। স্টুডিওতে প্রচুর ছবি তুলতেন। ছোটো বেলায় কিউট থাকার কারণে পাড়ার স্টুডি মালিকরা প্রধান মডেল হিসেবে তার ছবি তুলে রাখতেন। পরে মামা ইরান থেকে ইয়াশিকা ক্যামেরা পাঠানোর পর শুরু হলো ছবি তোলা। পাড়ার স্টুডিওর টেকনিশিয়ান থেকে শিখলেন অনেক টিপস। এই শখও কাজের মধ্যে পড়ে গেছে। গান গাওয়ার শখও প্যাকেজে পড়ে গেছে। আড্ডা দেওয়াটা শখ মধ্যে পড়লেও কাজের খাতিরে এত আড্ডা হয় যে এটাই কাজ হয়ে গেছে।। গান শোনা, মুভি দেখা, কাজের খাতিরে সবই করা হচ্ছে। ফলে কাজগুলো আর কাজ থাকে না শখ পূরণের মাধ্যম।

মজার ঘটনা

জলের গান নিয়ে প্রথম স্কটল্যান্ড সফরে গিয়ে নেমেছিলেন এডিনবরায়। নামার পর খুব টায়ার্ড ছিলেন। দুপুরে গিয়ে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়েছিলেন। ঘুম থেকে উঠার পর খুব ফাকা লাগছিল। গাইড এলান টুইডি এসে বললেন, রেডি ফর ডিনার। এই ভর বিকেলে কিসের ডিনার করবেন ভেবে জাঁজিয়ে ঘুম দিলেন। এর পর কনক দা, রাহুল দা এসে ডাকাডাকি শুরু করলেন। এখন নাকি রাতের খাবার খেতে হবে। আকাশে সূর্য একটুও হেলে পড়েনি, ঝকঝকে দিনে নাকি রাতের খাবার খেতে হবে। ঘড়িতে তখন সাড়ে ৯টা বাজে। পুরো তো মাথায় হাত, কই এসে পড়লেন দিন রাতের কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। বাইরে যেয়ে দেখলেন। সবাই সবাইকে গুড নাইট বলছেন। কেউ কেউ ডিনারের বিষয়ে কথা বলছে। এলান তখন তাকে পুরো জার্নির ব্যাখ্যা দিলেন। ব্যাখ্যা বোঝার পরেও ডিনার করতে পারবেন না বলে বসে রইলেন। অবশেষে ঘরের পর্দা টেনে অন্ধকার করে ল্যান্টার্ন স্যুপ তথা ডালের পানি দিয়ে ডিনার করলেন। সেই ডিনারে ব্রেড, চিকেন, মাটন সবই ছিল কিন্তু ভাত ছিল না বলে আরেক দফা আফসোস করেছিলেন জার্নাল।

জার্নালকে ব্যাখা

নিজেকে ব্যাখ্যা করাটা খুব কঠিন বলেই মনে হয় তার। তবে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে বিশ্বাস করেন। ভালো কিছুর জন্য চেষ্টা থাকে সবসময়। বিশ্বাস করেন, মানবিক বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের জন্য করা নাকি মানুষের জন্য এটা সবসময় কনফিউজড করে। তবে প্রথম চেষ্টা এমন কিছু করা যাতে মানুষের উপকার হয়।

তরুণদের জন্য...

জীবনটাকে বুঝে নিয়ে উপভোগ করে কাজ করতে হবে। উপভোগ মানে শুধু বিনোদন বা নিজের চিত্ত বিনোদন নয়। যে কাজ করছ সেটাতে যেনও পৃথিবীর কল্যান হয়। পরবর্তী প্রজন্ম যেন কিছুটা সুযোগ পায়। মোট কথা নিজের অবদান স্থির করতে হবে। কনট্রিবিউশন ঠিক না করতে পারলে নষ্ট করো না। এই দেশে তরুণদের দায় অনেক বেশি। ৪৪ বছরের তরুণ একটা দেশ এই তরুণের জন্য কিছু করা তারুণ্যের দায়িত্বের মধ্যে পরে।

ও আরেকটা কথা সভ্য হতে হবে। সভ্য মানে হচ্ছে অন্যকে অস্বস্তিতে না ফেলা। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলার আছে একটাই কথা, ওপর থেকে প্লীজ আবর্জনা ফেলবেন না। কারণ আপনাকেও কখনও নিচে নামতে হবে। তাই নিচতলার মানুষদের কথা মনে রাখবেন।

ভালো কথা এতক্ষণ নির্বাচনী প্রচারণার মতো কথা বললেও জার্নাল কিন্তু কোনও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন। 

/এফএএন/


 


 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।