সকাল ০৮:৪০ ; মঙ্গলবার ;  ২৩ জুলাই, ২০১৯  

তথ্য পাওয়ার প্রাযুক্তিক প্লাটফর্ম নিয়ে এলো ডিনেট

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

‘তথ্য অধিকার আইন ট্র্যাকিং সিস্টেম’ নামে একটি প্রযুক্তি নির্ভর অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে বেসরকারি সংস্থা ডিনেট।

আজ রবিবার সকালে তথ্য কমিশন মিলনায়তনে পাইলট প্রকল্পটির উদ্বোধন হয়।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় এ উদ্যোগটি ‘তথ্য অধিকার আইন ২০০৯’ এর মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ এবং মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কমিশনার ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফারুক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার এবং তথ্য অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য কমিশনের সচিব মো. ফরহাদ হোসেন।

শাহিন আনাম বলেন, 'এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা সরকার এবং জনসাধারণের কাজে লাগবে। ট্র্যাকিং সিস্টেমের সার্থকতা এর ব্যবহার ও মনিটরিংয়ের মধ্যে নিহিত। কর্মক্ষেত্রে এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইনকে শক্তিশালী করার আহ্বানও জানান তিনি।'

তথ্য কমিশন সচিব মো. ফরহাদ হোসেন জানান, এ পর্যন্ত তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-এর ভিত্তিতে বাংলাদেশে ২১ হাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মোট ৮৪৪২টি আবেদন এসেছে। যার মধ্যে বেসরকারিখাত থেকে এসেছে ১২৭টি আবেদন। এর মধ্যে ৭৮৭০টি আবেদনের উত্তর দেওয়া হয়েছে। ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু হলে এই কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা আসবে এবং আইন বাস্তবায়ন আরও দ্রুততর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জেলা পর্যায় থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে এই ট্র্যাকিং সিস্টেমের বিস্তারে কাজ করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার।

তথ্য কমিশনসহ বাংলাদেশের সব জায়গায় তথ্য প্রদানের সাথে সম্পর্কিত কর্মকর্তাদেরকে এই প্রযুক্তির বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে ডিনেটকে আহ্বান জানান তথ্য কমিশনার ও সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফারুক।

সভাপতির বক্তব্যে ডিনেটের নির্বাহী পরিচালক অনন্য রায়হান জানান, এই ট্র্যাকিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে তথ্য কমিশনে একটি ডাটা সেন্টার ও ড্যাশবোর্ড হতে পারে। পাশাপাশি জাতীয় তথ্য ব্যাংককে এই ট্র্যাকিং সিস্টেমটির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

‘তথ্য অধিকার আইন ট্র্যাকিং সিস্টেম’ প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক, তথ্য অধিকার কর্মী, তথ্য প্রদানে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, আপিল কর্তৃপক্ষ এবং তথ্য কমিশনসহ সবাই আবেদনকৃত প্রত্যেকটি আবেদনের স্ট্যাটাস নিজ নিজ কার্যালয়ে বসে দেখতে পারবেন। প্ল্যাটফর্মটি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমগুলোতে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে তথ্য কমিশন। পাইলট প্রকল্পটি চলবে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।