রাত ০৪:০৩ ; মঙ্গলবার ;  ১৬ জুলাই, ২০১৯  

রান বাড়লে পাকিস্তানের জন্য সমীকরণ কঠিন হতো

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

হাবিবুল বাশার॥

এ বিশ্বকাপের শেষ এবং মহাগুরুত্বপূর্ণ দুইটি খেলা ছিল আজকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং পা‌‌‌কিস্তান-আয়ারল্যান্ড। বলতে গেলে খেলা দুটি অনেকটা কোয়ার্টার ফাইনালের আগের কোয়ার্টার ফাইনালই ছিল। পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ হেরে গেলেই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পরবে এমন পরিসংখ্যানের চাপ নিয়েই তারা মাঠে নেমেছিল। অামরা চিরন্তন বাণী হিসেবেই জানি শেষ ভালো যার সব ভালো তার। তাই ভালো ক্রিকেট খেলে পাকিস্তান এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনও রকম অঘটন ছাড়াই বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব শেষ করলো।

বলতে গেলে ক্যারিবীয়রা নিজেদের সেরাটা নিয়েই আমিরাতের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। জেসন হোল্ডার এবং টেলরের বোলিং আক্রমণ দেখে মনে হচ্ছিল, আরব আমিরাত হয়তো একশ রান করতে পারবে না। তবে আমজাদ জাভেদ এবং নাসির আজিজ জুটি বেঁধে আমিরাতকে ১৭৫ পর্যন্ত নিয়ে গেছে। এই পর্যায়ে তখন সমীকরণ দাঁড়িয়েছিল ক্যারিবীয়দের বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে ৩৬ ওভারের মধ্যে ম্যাচ শেষ কর‌‌‌তে হবে। ক্রিস গেইল না থাকায় এটা নিয়ে শঙ্কা ছিল। কিন্তু ওরা গেইল দানবকে ছাড়াই ৩০ ওভারে খেলা শেষ করে দিল। এরকম হওয়ার কারণ ক্যারিবীয়দের থামানোর মতো ধারালো বোলিং অস্ত্র আরব আমিরাতের ছিল না।

অন্য খেলায় পাকিস্তান-আয়ারল্যান্ড ম্যাচটা জমজমাট হওয়ারই কথা ছিল। পোর্টারফিল্ডের ব্যাটিং সে দিকেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিল। তবে আজ তার যোগ্য সঙ্গী না থাকায় অাইরিশদের স্কোর বোর্ডে রান বেশি উঠেনি। রান অারও বাড়লে পাকিস্তানের জন্য সমীকরণ কঠিন হয়ে যেতো।

তারপরেও পাকিস্তান রান তাড়া করে জিতেছে। এটা বলে রাখা ভালো ওদের কিন্তু রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড খুব বেশি ভালো না। তবে আজ অনেকদিন পরে সারফরাজ অাহমেদ পাকিস্তানের জন্য ভালো শুরু এনে দিয়েছে। তার আসাতে পাকিস্তানের টপ অর্ডার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। অার সরফরাজের ব্যাটিংয়েই পাকিস্তানের জয় পেতে খুব বেশি ঘাম ঝরাতে হয়নি।

/এনএস/এফআইআর/

 

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।