বিকাল ০৫:০৩ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৩ মে, ২০১৯  

খাদ্য নিরাপত্তা: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

ড.নারায়ন চন্দ্র পাল॥

গল্প একঃ

সায়মনের বয়স ১ বছর পার হয়েছে। সায়মনের জন্ম আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে। ওর বাবা-মা বাংলাদেশ থেকে ৫ বছর আগে আমেরিকাতে গিয়েছে। বাবা-মা দুজনেই পড়াশোনা করছে, সাথে পার্ট টাইম কাজও করে। সময় কীভাবে চলে যায় টেরই পাওয়া যায় না। এতো ব্যস্ততার মধ্যেই তাদের কোলে এসেছে সায়মন। পড়াশোনা শেষে তারা সিদ্ধান্ত নেয় দেশে ফিরে যাবে।

তখন সবাই বলছে দেশে ফিরে গেলে বাচ্চাটার অনেক কষ্ট হবে- বিশেষ করে খাওয়া-দাওয়াতে সমস্যা হবে। কিন্তু সায়মনের বাবার ইচ্ছা দেশে ফেরার। অন্যদের কথামতো প্রায় ৬ মাসের খাবার নেওয়ার কথা ভাবে। বাচ্চার খাবার কিনতে বিভিন্ন দোকানে দোকানে ঘোরে। এক লিটারের ২০ বোতল পানিও সাথে নেয়। এভাবে বাচ্চার খাবার, দুধ আর পানি নিয়ে অবশেষে দেশে ফেরে। বাচ্চাটাকে অনেক সাবধানে রাখে। খাবারের বিষয়ে অনেক যত্ন করে। কিন্তু ক’দিন যেতে না যেতেই সায়মনের জ্বর, সর্দি, পেটের পীড়াসহ নানান সমস্যা দেখা দেয়। ওকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটোছুটি। ওর বাবা-মা’র দিশেহারা অবস্থা। ভিন্ন পরিবেশ আর অনিরাপদ খাবারের ফলে বাচ্চাটার এমন অবস্থা হয়েছে বলে সামনের বাবা-মা ধরে নেয়। তারা বেশিদিন দেশে থাকতে পারল না। সন্তানের দিকে তাকিয়ে অাবার পাড়ি জমালো বিদেশে।

গল্প দুইঃ

তিন বছর হলো লন্ডনে থাকে মুন। বাংলাদেশ থেকে অনার্স পাশ করে পড়তে এসেছে। মুনের ইচ্ছা মাস্টার্সের পড়াশোনা শেষ করেই দেশে ফিরে যাবে। বিদেশ কখনও তার ভাল লাগেনি। আড্ডা, গল্প, টং দোকানের চা, বিস্কিট, সিঙ্গারা না খেলে তার সময় ভাল কাটে না। বাইরে কাজ করতে গিয়ে আর টাকা পয়সা রোজগারের ইচ্ছায় একটু দেরী হয়ে যায় পড়াশোনা শেষ করতে। এবার পাকাপাকিভাবে দেশে চলে আসে। দেশে ফিরেই পড়ে বিপত্তিতে। এখানে সেখানে খাওয়া দাওয়া করে, ভাজা-পুড়া খায়। বিদেশ থেকে ফিরে খাবারের ব্যাপারে যে একটু মেনে চলতে হবে সেটা ভাবে না মুন। একদিন বিকালে ফুটপাত ধরে হাঁটছিল। হঠাৎ কি হলো গা গলিয়ে বমি আসতে লাগলো। সাথে শরীরটাও খারাপ লাগছিল। বাসায় ফিরে সে কি জ্বর, পেটে ব্যাথা। ডাক্তার বললেন কিছুদিন বিশ্রাম নিতে, বাইরের পানি বা খাবার না খেতে, বাড়িতে গরম আর সতেজ খাবার খেতে। মুন প্রায় ৬ মাস ভোগার পর আস্তে আস্তে সুস্থ্য হয়ে ওঠে। এখন দেশে বসত গড়েছে ঠিকঠাক।

গল্প তিনঃ

অমিতের বয়স ১ বছর পার হয়েছে। তাকে তার মা এখন বাজারের সাপ্লিমেন্ট খাওয়ায়। কিন্তু কোনটা ভাল কোনটা ভাল নয়, কোনটা আসল আর কোনটা নকল এই চিন্তায় অস্থির থাকতে হয়। এতো ছোট বাচ্চা বলে কথা। ওকেতো যেচে ভেজাল বা খারাপটা দিতে পারে না। ওরা থাকে কুমিল্লায়। ঢাকা থেকে কারও মাধ্যমে ভাল বিশ্বাসযোগ্য কোন দোকান থেকে কিনে নিয়ে যায়। সবসময় পারে না, আবার টাকায় হয়ও না। কিন্তু সচেতন শিক্ষিত বাবা-মা বিধায় একটু না ভেবে-চিন্তে অমিতের মুখে সবকিছু তুলেও দিতে পারে না। কি মনে করে একদিন অমিতের মা বাজারে প্রচলিত কয়েকটা সাপ্লিমেন্ট ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)’-এ এক বন্ধুর কাছে পাঠায় টেস্টের জন্য। বন্ধুটি টেস্ট করে নিজেই অবাক হয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খাবারগুলোতে নির্ধারিত পুষ্টিমান অনুপস্থিত। অমিতের মা ফলাফল শুনে অবাক হয়ে সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানো বন্ধ করে দেয়।

গল্পের মতো করে যে কথাগুলো বলা হলো তা অাসলে গল্প নয়। আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া ঘটনা। খাদ্য নিরাপত্তার প্রসঙ্গটি এখানেই আসে। খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়টি আমাদের কাছে নতুন মনে হলেও আজকের পৃথিবীতে প্রায় প্রতিটি দেশ এ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছে। অনেক দেশ তাদের মতো করে খাদ্য নিশ্চিত কল্পে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। আসলে খাদ্য নিরাপত্তা বলতে কি বোঝায় এটিই আমাদের কাছে এখনও অজানা। বাংলাপিডিয়ার তথ্য মতে- খাদ্য নিরাপত্তা বলতে অবাধ খাদ্য সরবরাহ এবং সারা বছর খাদ্যের পর্যাপ্ত প্রাপ্যতাকে বোঝায়। খাদ্য নিরাপত্তা দু’রকমের– গৃহগত বা পারিবারিক এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা। পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা প্রতিটি পরিবারের পর্যাপ্ত খাদ্য সংগ্রহের সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল, যাতে পরিবারের প্রতিটি লোক সবসময় স্বাস্থ্যবান ও কর্মক্ষম থাকার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য খেতে পারে। একইভাবে, জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা সারা দেশের জনগণের জন্য যথেষ্ট খাদ্য সংগ্রহের সামর্থ্যের ওপর নির্ভরশীল।

খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের জন্য তিনটি প্রধান বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রথমতঃ একটি পরিবার ও গোটা জাতির প্রয়োজনীয় মোট খাদ্যের প্রাপ্যতা।

দ্বিতীয়তঃ স্থানভেদে বা ঋতুভেদে খাদ্য সরবরাহের যুক্তিসঙ্গত স্থায়িত্ব।

তৃতীয়তঃ নির্বিঘ্ন ও মানসম্মত পরিমাণ খাদ্যে প্রত্যেক পরিবারের ভৌত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবাধ অধিকারের নিশ্চয়তা।

আমার আজকের চেষ্টা তৃতীয় বিষয়টি নিয়ে। আসলে এটির মূল কথা হলো নিরাপদ ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাদ্য সরবরাহ। আজকের পৃথিবীতে নিরাপদ খাদ্যের জন্য দেশে দেশে গবেষণা চলছে কিন্তু আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় যেখানে খাদ্যের চাহিদা পূরণ হয় না সেখানে নিরাপদ খাদ্য নিয়ে মাথাব্যাথা কারও নেই। কালেভদ্রে একটু আধটু লেখালেখি হলেও সেটা ওই লেখালেখিতেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। আমাদের খাদ্য আসলে কেমন করে অনিরাপদ হয়। খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ের অবতারনার প্রয়োজনবোধ করছি- যেগুলোর প্রায় সবই আমাদের জানা।

একঃ খাদ্য উৎপাদনকালে। আমরা জমিতে সার, রাসায়নিক পদার্থ, কীটনাশক ব্যবহার করি ভাল ফলন পাওয়ার আশায়। ভাল বলতে আমাদের চাষীরা সাধারনতঃ দেখতে সুন্দর আর পরিমাণ বেশি এটাকেই বুঝিয়ে থাকেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হলো সার এবং কীটনাশক কখন দেওয়া হয়েছে সেটা দেখা।

সার ও কীটনাশক সাধারনতঃ ফসল/সব্জি/ফল তুলবার কম করে ১ সপ্তাহ আগে দেওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশিদিন আগে সার ও কীটনাশক দেওয়া বন্ধ করে দিতে হয়। তা না হলে এসব রাসায়নিক পদার্থগুলো উৎপাদিত খাদ্যে থেকে যায় রেসিডিও হিসেবে। মানুষ খাবার গ্রহণ করলে দেহে প্রবেশ করে- যা মানবদেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর। পরিমাণে সামান্য গ্রহণ করার ফলে আমরা তৎক্ষণাৎ ক্ষতির প্রভাব দেখতে পাই না। পাঁচ বা দশ বছর বা তারও পরে শরীরে নানান রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

দুইঃ রোগাক্রান্ত বা পোকা আক্রান্ত খাদ্য গ্রহণে। সাধারণতঃ উদ্ভিদরোগ সৃষ্টিকারী ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে রোগের কারণ হয় না। কিন্তু কিছু কিছু অনুজীব মানবদেহেও রোগ তৈরী করতে সক্ষম। আবার প্রাণিজ আমিষ পেতে আমরা বিভিন্ন মাংশ বা মাছজাতীয় খাবার খেয়ে থাকি। সেখানে খাদ্যদ্রব্যের সাথে বিভিন্ন অনুজীব থাকতে পারে। আর এই রোগাক্রান্ত খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের ফলে মানবদেহ আক্রান্ত হয়।

তিনঃ খাদ্যদ্রব্য প্রক্রিয়াজাতকরণে। এখানেই আসল বিপত্তিটা ঘটে। সব্জি, মাছ, মাংশ, ফল ইত্যাদি তাজা রাখার জন্য ব্যাবহার করে ফরমালিন, যেটি মানবদেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতির কারণ। আবার ফল পাকাতে কার্বাইড জাতীয় রাসায়নিকের ব্যবহারের কারণে বা ফল সংরক্ষণে বিভিন্ন প্রিজার্ভেটিভের ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্যহানি ঘটে ভোক্তার। আমাদের দেশে এইসব রাসায়নিকের ব্যবহার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। মানুষ জেনে বুঝে অথবা না জেনেই এর ব্যবহার করছে নিয়ত। আর ফলস্বরূপ তরমুজ খেয়ে মারা যাচ্ছে শিশুরা।

চারঃ রান্নাকালীন। আমাদের দেশে রান্নায় সহজ একটা ব্যাপার প্রচলিত আছে ‘যত তেল দাও রান্না তত সুস্বাদু হয়’। হয়তঃ সুস্বাদু হয় কিন্তু গুনাগুন নষ্ট হয়ে যায়। শাক-সবজি সামান্য তেল দিয়ে রেঁধে খেতে হয়। তেল ছাড়া রান্না করলে ভিটামিন মানবদেহের প্রয়োজনের জন্য উপযোগী হয় না। আবার মাংশ বেশি পরিমাণ তেল দিয়ে রান্না করে খেলে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়। সেটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

পাঁচঃ মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার গ্রহণ। এটি সাধারণতঃ বোতল বা কৌটা বা প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আমাদের দেশে একমাত্র ওষুধের ক্ষেত্রে মেয়াদের বিষয়টি নিয়ে মানুষ ভাবে বা দেখে। অন্যান্য খাবারে মেয়াদোত্তীর্ন বিষয়টি নিয়ে খুব একটা ভাবা হয় না। শিশুখাদ্যে আজকাল এটার প্রয়োজনীয়তা দেখা অনুধাবন করতে শুরু করেছে কেউ কেউ। অথচ বিভিন্ন উন্নত দেশে সবজি, ফলমূল এমনকি ডিমেও মেয়াদোত্তীর্নের দিনক্ষণ লেখা থাকে এবং এটা মেনেই মানুষ খাবার গ্রহণ করে। খাবারের মেয়াদ যখন পার হয়ে যায় সেটা আর খাবার থাকে না তখন হয়ে যায় বিষাক্ত খাবার।

নিরাপদ খাদ্য আর পুষ্টিগুনসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিতকল্পে আমাদের অবস্থান কোথায় আর করণীয় কি এই নিয়ে কিছু লেখার প্রয়োজনবোধ করছি। যদিও আমরা কৃষিবিজ্ঞানীরা দাবি করছি বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ কিন্তু অনেক মানুষের কাছে এটা পরিসংখ্যান ব্যতিত কিছু নয়। উত্তরবঙ্গের কিছু মানুষের কাছে যখন মঙ্গা আসে তখন খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপার থাকে না—থাকে শুধু হাহাকার আর আর্তনাদ। এমন প্রেক্ষাপটে নিরাপদ খাদ্যের চেয়ে খাদ্য সহায়তা জরুরি। এ ব্যাপারে সরকারের ভূমিকার বিকল্প নেই।

যে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি পয়েন্ট ব্যাখ্যা করলাম অনিরাপদ খাবারের কারণ হিসাবে তার থেকে উত্তরণের জন্য সরকারই ব্যবস্থা নিতে পারে। চাষীদের সচেতন করে তোলার জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনুষ্ঠান রাখার প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে- সার ও কীটনাশক ব্যবহারে নীতিমালা থাকা জরুরী। আজকাল কৃষিবিজ্ঞানীরা জৈবসারের ব্যবহারের কথা বলছেন আর সাথে সাথে কীটনাশকের মাধ্যমে রোগ বা পোকা মাকড় দমনের চেয়ে জেবিক দমনের দিকে দৃষ্টি দেবার কথা বলছেন। এগুলো জনপ্রিয় হলে খাদ্য নিরাপদে উৎপাদিত হবে। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি আমাদের শিক্ষিত সচেতন মহলের ভূমিকা এড়িয়ে যাবার উপায় নেই। আমরা আমাদের সাধ্যমত আর সুবিধামতো পরিবারে বা ছোট আকারে যে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদিত হয় সেটাকে নিরাপদ রাখতে পারি। প্রতিবেশী কৃষক যখন রাসায়নিক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক বুঝতে পারছেন না তখন তাকে তার শরীরের নিরাপত্তার কথা, মানুষের নিরাপত্তার কথা আমরাই পারি বোঝাতে।

যে কোনও দেশের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ ব্যবস্থাই মূল চালিকাশক্তি। স্বশিক্ষিত আর সুশিক্ষিত মধ্যবিত্তই তৈরি করতে পারে নতুন নতুন সুন্দর দৃষ্টান্তের। আসুন আমরা আমাদের খাবার টেবিলে বসে একটু চিন্তা করি, কোন খাবারটা খাওয়া ঠিক হবে না, কোনটা বেশি খাওয়া জরুরী, মিলিয়ে মিশিয়ে পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার খাওয়া হচ্ছে কিনা অথবা প্রতিদিনের ভিটামিনের ও অন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের চাহিদা পূরণ করে এমন খাবার টেবিলে রয়েছে কিনা, খাবারে তেলের আধিক্য কমেছে কিনা, ফল ঠিকমত পরিস্কার ও ধৌত করা হয়েছে কিনা, ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিক থাকার সম্ভাবনা থাকলে সাধ্যমত ব্যবস্থা নিয়ে দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে কিনা। আমরা শুরু করলে আমাদের দেখাদেখি গ্রামের সাধারণ মানুষেরাও সচেতন হবে দেখে দেখে। বর্তমান এই অস্থির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমাদের নিজেরা নিজেদের সুরক্ষায় এগিয়ে আসি- সুন্দর আগামী আমাদের সন্নিকটে। আশা করতে দোষের কিছু নাই।


লেখক: কৃষি ও জৈবপ্রযুক্তিবিদ
চন্নাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, দক্ষিন কোরিয়া
ncpaulcnu@gmail.com

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।