বিকাল ০৪:৫০ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৩ মে, ২০১৯  

বাঘের গর্জনের অপেক্ষায় ব্রিসবেন

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

মুসা ইব্রাহীম, ব্রিসবেন থেকে॥

ব্রিসবেনের গ্যাবায় বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা কি হবে? একটা আশংকার ছায়া পেতে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ‘মার্সিয়া’। গ্যাবা স্টেডিয়াম সংলগ্ন সাউথ ব্রিসবেনের আবহাওয়ার পূর্বাভাষে বলা হয়েছে – শনিবার বেলা চারটা পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা শতভাগ, সন্ধ্যা সাতটায় এই সম্ভাবনা কমে গিয়ে পঁচাত্তর ভাগ, আটটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত পয়তাল্লিশভাগ। কাজেই আইসিসি কর্মকর্তারা যে প্রার্থনা করছেন – ‘ক্যাটেগরি ফাইভ’ মাত্রার এই সাইক্লোন তার শক্তি হারিয়ে ‘ক্যাটেগরি ওয়ান’-এ নেমে আসবে; আর বৃষ্টি থামলেই ম্যাচ শুরু হবে, অন্তত প্রতি ইনিংসে ২০ ওভার করে ব্যাটিং করতে পারলেই যে ম্যাচটি ‘অনুষ্ঠিত হয়েছে’ বলে গ্রহণ করার যে ঘোষণা তারা দিয়েছেন, সেই ‘সম্ভাবনা’র বাতি গত দু’দিন ধরে বৃষ্টি আগে থেকেই নিভিয়ে দিয়েছে। পুল ম্যাচের কোনোটির জন্য ‘সংরক্ষিত দিন’ না থাকায় ম্যাচটি থেকে দু’টি দলকেই যে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হবে, এটা এখন বেশ স্পষ্ট। বৃষ্টি থামলেও ন্যূনতম এক ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হবে মাঠকে খেলার উপযুক্ত করে তুলতে। চলমান বৃষ্টির গতি দেখে সেই সময় পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন স্থানীয়রা।

সবাই চাইছেন যেন খেলাটা হয়। অন্তত ব্রিসবেনবাসী অস্ট্রেলীয় নাগরিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের সবাই যারা ক্রিকেটের ভক্ত, তারা তো প্রায় এক বছর আগ থেকে এই ম্যাচ উপভোগের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। কাজ থেকে ছুটি নিয়েছেন, টিকিট করেছেন, পরিবারের সদস্য-বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে পরিকল্পনা করেছেন কিভাবে তারা ম্যাচটা উপভোগ করবেন। কিন্তু সাইক্লোনজনিত বৃষ্টির মাত্রাটা এতোই ভয়াবহ যে, এই ম্যাচটা হওয়াটাই এখন বিস্ময়ের ব্যাপার হয়ে যাবে।

পাঠকদের জন্য কয়েকটা বিষয় উল্লেখ করা যাক-

# ব্রিসবেনের সিটি কাউন্সিল শহরটির নিচু এলাকায় তীব্র বন্যার আশংকায় ৯০ হাজার বালুর বস্তা সরবরাহ করেছে।
# সাইক্লোনে ঘণ্টাপ্রতি ৯০ কিলোমিটার বেগে বয়ে চলা বাতাস গতি হারিয়ে দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমমুখী হয়ে ঘণ্টাপ্রতি ৪০ কিলোমিটার বেগে বহমান হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টি দিন বা রাতের ভাগে কখনোই বৃষ্টির সম্ভাবনা শুন্যে নেমে আসবে না। বরং বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাই বেশি।
# পরিস্থিতি খারাপ হলে ব্রিসবেন এয়ারপোর্ট তার অপারেশন বন্ধ রাখবে। গতকালই খারাপ আবহাওয়ায় কোয়ান্টাস আর জেটস্টার তাদের বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করেছে।
# আবহাওয়া খারাপ দেখে কুইন্সল্যান্ড গভর্নমেন্ট, স্থানীয় পুলিশ বিভাগ এবং জরুরি বিভাগের পরামর্শে ফুটবল ফেডারেশন অস্ট্রেলিয়া তাদের ‘এ-লিগ’-এর শুক্রবারের খেলা বাতিল করেছে।

সবমিলিয়ে শনিবারের মধ্যকার বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটা অনুষ্ঠিত হলে সেটা আশ্চর্যজনক হবে। সুতরাং, ধরে নেয়া যাক আজকের ম্যাচ ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী বৃষ্টিতে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। এই হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে প্রাকৃতিক ঝড়ের পরিস্থিতি। তবে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে মানবঝড়ে উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। আর যেনতেন ভাবে না হারলে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় রাউন্ড শতভাগ নিশ্চিত। গতকাল শুক্রবার বোলিং ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ৩৪তম ওভারে এক-দুই-তিন (একশ তেইশ) রানে বেঁধে ফেলার কারিগর “সাউদি ঝড়” (টিম সাউদি, ৯-০-৩৩-৭) আর ব্যাটিং ইনিংসে মাত্র ১৩তম ওভারে একশ পঁচিশ রান সংগ্রহের রূপকার “বিগ ম্যাক ঝড়” (২৫ বলে ৭৭ রান, ৭টি ছয় ও ৮টি চারের মার, স্ট্রাইক রেট ৩০৮) তাদেরকে এই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ দিচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট আর নেট রান রেট সাড়ে তিনের ওপরে থাকায় এটা এক প্রকার নিশ্চিত ধরে নেয়াই যায়। নিউজিল্যান্ড এর মধ্যে শ্রীলংকা, স্কটল্যান্ড আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতেছে। খেলা বাকি আছে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে। তাহলে কি বোঝা গেল? যারা স্কটল্যান্ডের ১৪২ রান তাড়া করতে গিয়ে নিউজিল্যান্ডের ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলায় নিউজিল্যান্ড দলের পরাজয় দেখেন, তারা কি এবার ইংল্যান্ডকে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়ায় নিউজিল্যান্ডকে খেলার আগেই বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে দিবেন? তাহলে বোঝা গেল যে – একদিনের ক্রিকেটে যে আজকে পর্বতচূড়ায় অবস্থান করছে, আগামীকাল তার অবস্থান পর্বতের পাদদেশে হতে পারে।

এজন্যই বোধহয় আইসিসি’র ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা দল অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের আগে র‌্যাংকিংয়ের নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশকে সমীহ করে কথা বলছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ১০৫ রানে আইসিসির সহযোগী দল আফগানিস্তানকে হারানোর পর অস্ট্রেলিয়া দলের ক্রিকেটারদের মনে বাংলাদেশকে সমীহ করার ব্যাপারটি জাগ্রত হলো কি? মনে হয় না। এটা হলো নিজেকে সাবধান করে দেয়া। র‌্যাংকিং বলছে অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় বাংলাদেশ পুঁচকে দল। কিন্তু এই পুঁচকেরাই একদিন নিজের সামর্থের পুরোটা ব্যবহার করে তাণ্ডব করে, মহীরূহকে টলিয়ে দেয়, তাদেরকে সম্মুখ সমরে পরাজিত করে। তবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ১৯টি দ্বৈরথে বাংলাদেশ মাত্র একবার জয়লাভ করেছে। প্রথম ছয়টি সাক্ষাতে হারের পর সপ্তম খেলায় বাংলাদেশ অসিদেরকে ৫ উইকেটে ইংলিশ কন্ডিশনে হারিয়েছিল তাও প্রায় দশ বছর হতে চলল (১৮ জুন, ২০০৫)। কিন্তু এর পরের সবগুলো সাক্ষাতেই অসিদের কাছে টাইগারের হার সব বিশাল ব্যবধানে।

এই হিসাব অবশ্য মাথায় রাখছে না বাংলাদেশ দল। কারণ সেই দশ বছর পরের বাংলাদেশ দল এখন অনেক পরিণত। তারা মাঠে সামনাসামনি খেলেই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণে আগ্রহী। এ কারণেই বৃষ্টিতে ম্যাচ না হলে সহজেই এক পয়েন্ট পাওয়ার চেয়ে খেলে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে পয়েন্ট লাভের দিকে চোখ রাখছে বাংলাদেশ। কাজটা সহজ নয়, তবে খুব কঠিনও নয়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বোলিং দিয়ে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার সমীহ আদায় করে নিতে সক্ষম হলো। অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল তাই খুব সাবধানী মন্তব্য করলেন বাংলাদেশকে নিয়ে। তার মতে, বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

দু’ইনিংস মিলে ২৫ ওভার খেলা না হলে, খেলা থেকে কোনো ফল না এলে আইসিসি দর্শকদের টিকেটের টাকা ফেরতে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেয় আইসিসি।

তবে এখনো আশায় বুক বাঁধছেন অনেকে। কারণ অস্ট্রেলিয়া দলের বর্তমান খেলোয়ায় মিচেল জনসন ও শেন ওয়াটসন, নিকট অতীতের ইয়ান হিলি, ম্যাকডারমট এবং দূর অতীতে অন্যতম সেরা অ্যালান বোর্ডার ও গ্রেগ চ্যাপেলদের মতো বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটাররা বিশ্বকে শাসন করেছেন যে কুইন্সল্যান্ড রাজ্য থেকে, তার রাজধানী ব্রিসবেনে এখন খেলাকে ছাপিয়ে বৃষ্টিই অন্যতম আলোচনার বিষয়। বৃষ্টির কারণে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ – দু’দলেরই অনুশীলন ব্যাহত হয়েছে। তবে গ্যাবা স্টেডিয়ামে ইনডোরে শেষদিনের প্রস্তুতি সেরেছে টাইগাররা।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পরিচালক ববি আহমেদ এ দিনের পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, এতো বড় আর ঐতিহাসিক ভেন্যুতে যদি বাংলাদেশ খেলতে না পারে, তাহলে সেটা হবে দুর্ভাগ্যজনক। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতাটাও হবে বিশাল প্রাপ্তি। ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কাটছাট করে হলেও ম্যাচটা হোক। তাতে বাংলাদেশ তাদের ভাগ্য পরখ করেও দেখতে পারে। আর এখানকার বাংলাদেশীরা উদগ্রীব হয়ে আছে গত কিছুদিন ধরে এই ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য। কিন্তু আবহাওয়ার ওপর কারো হাত নেই, এটা বলতেও তিনি ভুললেন না।

ব্যাটিং অর্ডার

বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আফগানিস্তানের সঙ্গে আবারো যে পরীক্ষা চালিয়েছেন কোচ হাতুরাসিংহে, এ নিয়ে দলের অধিনায়ক জানান, দলের অর্ডারে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচে তামিম ওপেনিং বলের মুখোমুখি হননি – গত আট বছরের ইতিহাসে এই প্রথম। আনামুল হক বিজয় এই ম্যাচে ওপেনিং বলের মুখোমুখি হন, এ নিয়ে ওয়ানডেতে মাত্র নয়বার। আরো আছে। মুশফিক ব্যাট করেছেন ছয় নম্বরে, যিনি চার নম্বরেই সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করেন। এদিন মাহমুদুল্লাহ ব্যাট করেন চার নম্বরে, তার ক্যারিয়ারে এ নিয়ে মাত্র পঞ্চমবারের মতো। সৌম্য সরকার তিন নম্বরে ব্যাট করেছেন। তিনি তার জীবনের প্রথম দু’টি ওয়ানডেতে এই পজিশনে ব্যাট করার আগে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে মাত্র একবার এই পজিশনে খেলেছেন। তিনি বরঞ্চ ওপেনার হিসাবেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেন। মমিনুল হক এদিন ব্যাট করেছেন নয় নম্বরে। কিন্তু উইকেটে সেট হতে তিনি খানিকটা সময় নেন। কাজেই প্রত্যাশিত ব্যাটিং এদিন তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। সুতরাং তার নয় নম্বরে নামাটা একেবারে যাচ্ছেতাই ঠেকেছে অনেকের কাছে। একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন সাকিব। তিন তার পাঁচ নম্বরেই ব্যাট করেন।

ব্যাটসম্যানরা এ নিয়ে খোলাখুলি কিছু না বললেও বা কোনো সমালোচনা না করলেও এটা যে তাদের ভুগিয়েছে, তা স্পষ্ট প্রথম ৩০ ওভারের খেলায়। বাংলাদেশ দলের স্কোর এ সময় বেশ শ্লথ ছিল। এ সময় সাকিব আর মুশফিক ইনিংসের হাল ধরেন এবং ১১৪ রান যোগ করে বাংলাদেশকে খেলায় ফেরান।

আফগানিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশ দলে আটজন ব্যাটসম্যান খেলেছেন হয়তো অস্ট্রেলিয়ায় দু’টি প্রস্তুতিমূলক এবং দু’টি ওয়ার্ম আপ ম্যাচে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কথা চিন্তা করে। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচে কি পুরনো ব্যাটিং অর্ডারের বাংলাদেশ দলকে দেখা যাবে, যেখানে ব্যাটসম্যানরা তাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারবেন? এর জবাবে মাশরাফি বলেন, 'নিশ্চিতভাবেই অর্ডারে একটা পরিবর্তন আসবে।' তবে সেটা কেমন হবে, এটা ম্যাচের আগেই নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি জানান।

ব্রিসবেনে ক্রিকেটারদের সম্বর্ধনা

এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে লালগালিচা সম্বর্ধনা দিয়েছে ব্রিসবেনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিসবেন (ব্যাব)। গত ১৯ ফেব্রুয়ারির এ অনুষ্ঠানে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় স্থানীয় স্ট্র্যাথপাইন কমিউনিটি সেন্টারে এই অনুষ্ঠানে টাইগাররা পৌঁছালে তাদেরকে ফুল দিয়ে বরণ করে মঞ্চে বসানো হয়। এরপর ক্রিকেট দলের সদস্য, বিসিবি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবার হাতে অস্ট্রেলিয়ার নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর সংস্কৃতির অংশ ‘বুমেরাং’ উপহার হিসাবে তুলে দেয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মুশিফিকুর রহিমকে বাংলাদেশের ‘রাহুল দ্রাবিড়’ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও তিনি দলের প্রতিটি সদস্যের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বলেন, “অস্ট্রেলিয়া আসার পর প্রবাসী বাংলাদেশীরা যেভাবে আমাদেরকে সমর্থন করছেন, তাতে আমরা আপ্লুত। আপনাদের উচ্ছ্বাস আর সক্রিয় উপস্থিতিতে মনে হচ্ছে যেন দেশের মাটিতেই আমরা খেলছি। আশা করি ব্রিসবেনেও আপনারা আমাদের সমর্থন করবেন। আমরা সর্বোচ্চ ঢেলে দিয়ে মাঠে ভালো খেলার চেষ্টা করবো।“

অনুষ্ঠানে ব্যাব সভাপতি একেএম শাহীনুজ্জামান বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে আছি। আশা রাখি ব্রিসবেনে রোদ্রজ্জ্বল দিন উপস্থিত হবে। সঙ্গে থাকবে বাঘের গর্জন!  এই অনুষ্ঠানে প্রায় তিনশ প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।