রাত ০৪:৩৮ ; মঙ্গলবার ;  ১২ নভেম্বর, ২০১৯  

রাজশাহীতে 'বন্ধুকযুদ্ধে' জামায়াত নেতা নিহত

প্রকাশিত:

রাজশাহী প্রতিনিধি॥

রাজশাহীতে পুলিশের সঙ্গে 'বন্ধুকযুদ্ধে' জামায়াতের এক নেতা নিহত হয়েছেন। তার নাম নুরুল ইসলাম শাহিন (৫০)। মঙ্গলাবর দিনগত রাত ২টার দিকে নগরীর নলখোলা এলাকার আশরাফের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ২ রাউন্ড গুলি, ৩ রাউন্ড শর্টগানের গুলি, ১০টি ককটেল ও দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাহিন নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডের (দক্ষিণ) জামায়াতের সেক্রেটারি ও বিনোদপুরের ইসলামিয়া কলেজের অধ্যাপক ছিলেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) পুলিশ বক্সের ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, মঙ্গলবার দিনগত রাত ৪টার দিকে শাহিনকে মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। এসময় তার বুকে ও মাথায় গুলির আঘাতের চিহ্ন ছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে অাজ (বুধবার) দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. শামসুদ্দিন জানান, রাতে শাহিনকে আটক করে নগরীর নলখোলা আশরাফের মোড়ে অস্ত্র উদ্ধার করতে নিয়ে গেলে জামায়াত-শিবির কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। প্রায় ৫ থেকে ৬ মিনিট উভয় গ্রুপের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। পরে তারা পালানোর সময় শাহিনও গাড়ি থেকে পালাতে চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে রামেকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শাহিনের নামে ১৩টি মামলা ও ৮টি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে বলেও জানান তিনি।

তবে নিহত শাহিনের পরিবারের দাবি, পুলিশের সঙ্গে কোনও বন্ধুকযুদ্ধ হয়নি। শাহিনকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে খুন করেছে পুলিশ।

তারা অারও জানায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে নগরীর সোনাদিঘীর মোড়ের পদ্মা পিন্ট্রিং প্রেস থেকে কয়েকজন সাদা পোশাকের লোক ডিবি পরিচয়ে শাহিনকে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে শাহিন ভাল আছে বলে জানানো হয়। এছাড়া বুধবার সকালে তাকে আদালতে হাজির করার কথাও বলা হয়।

/এমডিপি/এএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।