বিকাল ০৫:৩৬ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৩ মে, ২০১৯  

স্কুলে যাবো, নিরাপত্তা দাও...

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

কুহকী কিন্নরী॥

টিভি পর্দায় ভেসে উঠছে বিভিন্ন জায়গায় দগ্ধ হওয়া মানুষের ছবি। শুনতে পাচ্ছি তাদের কান্না। চিৎকার আর প্রশ্ন- কেনো কোনও অপরাধ ছাড়াই পুড়বো আমরা? এই চিত্র হচ্ছে ঢাকার  বিভিন্ন হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের। এই দগ্ধ মানুষগুলো  সবাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের শিকার। এই মানুষগুলোকে নিয়েই চলছে সরকার ও বিরোধী দলের রাজনীতি। আমি বড় হতে হতে তাই দেখে আসছি। না, এই নীতিকথা  ঐ  মানুষগুলোর জন্য নয়। একে অপরের জন্য। কীভাবে এই সহিংসতা বন্ধ করা যায় তা নিয়ে কারোর কোনও মাথা-ব্যাথা নেই।

কীভাবে এই সহিংসতা বন্ধ করা যায় তা নিয়ে কারোর কোনও মাথা-ব্যাথা নেই।

সহিংসতার শিকার হবার ভয়ে বাংলাদেশের মানুষ অবরুদ্ধ। আমরা স্কুলে যেতে পারছি না। বড়রা বিশেষ বা গুরুত্বপুর্ণ কাজ ছাড়া  বাইরে বেরোনোর  ঝুঁকি নিচ্ছেনা,  বাংলাদেশ অচল হয়ে পড়ছে এই রাজনীতির ফাঁদে পড়ে। যারা  এই রাজনীতির আগুনে দগ্ধ হচ্ছে- কী দোষ করেছে তারা? তারা তো সরকারি দল বা বিরোধীদল কারও সমর্থক ছিলনা। কিংবা  আড়াই বছরের শিশু সাফিন, সে তো বাংলাদেশের এই জরাগ্রস্থ রাজনীতি বুঝেনা। যেমনটি আমি নিজেও বুঝতে চাইনা।

তারা এই শাস্তি কেন পেলো? এই দগ্ধ মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। একটু বিবেকে বাধছেনা আমাদের সম্মানিত নেতা-নেত্রীদের? নাকি তারা ঐ দগ্ধ লাশের হিসেব কষতেই ব্যস্ত। আপাতত তাদের কাছে স্কুলে যাবার নিরাপত্তা চাই। পাবোতো?

লেখক: অষ্টম শ্রেণি, উদয়ন স্কুল, ঢাকা

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।