বিকাল ০৪:৫১ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৩ মে, ২০১৯  

প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষায় নকল আর আমরা

প্রকাশিত:

ড. নারায়ন চন্দ্র পাল॥

সময়টা আশির দশকের মাঝামাঝি। তখন সবে স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি। বলছি কুমিল্লার একটি গ্রামের কথা। যে গ্রামে তখনও একাধিক এমবিবিএস পাশ করা ডাক্তার ছিলেন আর বিশ্ববিদ্যালয় বা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পাশ করা বা পড়ুয়া কিছু মানুষের জন্মভূমি ছিল এ গ্রামটি।

ঘটনা একঃ

আমাদের বাড়ির খুব কাছাকাছি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। প্রতি বছর বার্ষিক পরীক্ষার সময় হলে দেখা যেতো উৎসবের আয়োজন হতো। কিসের উৎসব ভাবতে পারছেন? হ্যাঁ ঠিক শুনছেন-পরীক্ষায় নকল সরবরাহের। প্রাথমিক বিদ্যালয় সমাপণী পরীক্ষায় যতজন পরীক্ষা দিচ্ছে তার কয়েকগুন বেশি মানুষ বাইরে। কারও বাবা, কারও ভাই, কারও বোন বা কারও দুলাভাই। স্যাররা বেত নিয়ে তাড়া করছেন মাঝে মাঝে কিন্তু তা যে কোনও কাজে দিচ্ছে এমন নয়। স্যাররা বকছেন ছেলে-মেয়েদের কি শিক্ষা দেবেন আপনারা, এভাবে নকল করলে একদিন বড় হয়ে ওরা কি মানুষের মত মানুষ হতে পারবে? কিন্তু কে শুনে কার কথা। আবার দেখা যেত এলাকার মেম্বার বা চেয়ারম্যান এসেছে ছেলের বা মেয়ের খোঁজ খবর নিতে। ঠিকঠাক পরীক্ষা দিচ্ছেতো, লিখতে পারছেতো, সব কমন পড়েছেতো, কমন না পড়লে সাপ্লাই পাচ্ছেতো (!)।

আমার ছোট্ট মনে গেঁথে গিয়েছিল পরীক্ষা মানে বিশাল কিছু, পরীক্ষা মানে নকল করা, পরীক্ষা মানে বেশি নম্বর পাওয়ার চেষ্টা করা সে যেভাবেই হোক।

এটাই ছিল আসলে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার বাস্তব চিত্র। তখন আমার ছোট্ট মনে গেঁথে গিয়েছিল পরীক্ষা মানে বিশাল কিছু, পরীক্ষা মানে নকল করা, পরীক্ষা মানে বেশি নম্বর পাওয়ার চেষ্টা করা সে যেভাবেই হোক। নিজে একটু একটু করে বড় হতে শুরু করলাম। দেখলাম, বন্ধুরা পরীক্ষায় নকল করছে কেউ কেউ, তাদেরকে সাহায্য করার জন্য আসছে বড় ভাই, বোন বা অন্য কেউ। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার ছিল ২/১ জনের খাতা বাইরে থেকে লিখে জমা দিয়ে দিত। স্বাভাবিকভাবেই তাদের সাথে পারা যেত না। পিছিয়ে পড়েছিলাম কিছুটা। কিন্তু বাড়িতে ফিরে একথা বলতে চেষ্টা করলেই আমার দিকে এমন ভয়ঙ্করভাবে তাকাতো যেন এরকম কিছু দেখে অন্যায় করেছি।

ঘটনা দুইঃ

একটু বড় হলাম। তখন সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। আমাদের সময়ে সাধারণ নিয়ম ছিল বার্ষিক পরীক্ষার পর কিছুদিন ছুটি পাওয়া যেত আর তখন কোথাও না কোথাও বেড়াতে যাওয়া হত। তাই শেষ পরীক্ষার আগের দিন থেকেই ছুটির আমেজ পাওয়া যেত আর শেষ পরীক্ষাটা থাকত কৃষিবিজ্ঞান। ধরা হতো এটাই সবচেয়ে সহজ বিষয়। তো শেষ পরীক্ষার আগেরদিন অন্য পরীক্ষা (বিষয়টা আজ আর মনে নেই) দিয়ে বেড়িয়েছি। আমাদের পাশের বাড়ির দুষ্টু টাইপ ছেলেটা, যার সাথে ফুটবল খেলি, কাবাডি খেলি, দেখা হয় প্রতিদিন- আমরা একসাথে বাড়ি ফিরছি।

বলল- কালতো কৃষিবিজ্ঞান পরীক্ষা-শেষ পরীক্ষা। প্রশ্ন নিবি?

আমি বললাম কিসের প্রশ্ন?

কৃষি বিজ্ঞান প্রশ্ন।

আমি আকাশ থেকে পড়লাম যেন। এমন হয় নাকি? পরের দিন পরীক্ষার প্রশ্ন আবার আগের দিন পাওয়া যায় নাকি?

সে বলল-আরে পাওয়া যায়।

কেমনে? তখনো ঘোর কাটেনি!!

আমাদের স্কুলের দপ্তরীর কাছ থেকে একজন কিনে এনেছে। প্রেস থেকে পরীক্ষার আগে প্রশ্নের স্তুপ বাড়িতে নিয়ে যায়, সেখান থেকে প্রশ্ন হাতে লিখে রাখে আর বিক্রি করে।

‘থ’ বনে গেলাম। এমন হয় নাকি! কিছুতেই মাথায় ঢুকছে না।

আমার বন্ধু হাতে লেখা কিছু একটা বের করে দিল। পটাপট লিখে নিলাম।

সারাটা পথ পাপবোধে ভুগছিলাম। কিন্তু জিনিসটা ফেলেও দিতে পারছিলাম না। কেন পারছিলাম না জানি না। বাড়িতে ফিরে আমার ড্রয়ারে রেখে দিয়েছিলাম এমনভাবে যেন কেউ দেখতে না পায়। বাড়িতে বললে আমাকে নিশ্চিত মেরে ফেলবে এটা বুঝতে পারছিলাম।

আমরা দুই ভাই এক রুমে পড়ালেখা করি। আমাদের জন্য দুইটা আলাদা পড়ার টেবিল। আমাদের টেবিল দুটি এমনভাবে সাজানো যে আমি বড়দাকে দেখতে পাই কিন্তু বড়দা আমাকে দেখতে পায়না। কিন্তু আমি ড্রয়ার খোলার সাহস পাচ্ছিলাম না। শুধু মনে হয়েছিল যদি বড়দা দেখে ফেলে আর রক্ষা নাই। পরদিন পরীক্ষায় হুবহু কমন পড়েছিল আমার সেই হাতে লেখা পাওয়া প্রশ্নের সাথে। সেদিন প্রথম কিছুটা বোধগম্য হয়েছিল প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়টা।

ঘটনা তিনঃ

পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষার হলের বাইরে দেখার সুযোগ হয়েছে। আজকের দিনে বিশ্বাস করা কঠিন যে কত মানুষ পরীক্ষার হলের বাইরে থাকত! মনে হতো কোনও মেলা। মানুষে মানুষে সয়লাব।

এসএসসি পরীক্ষা সামনে। অনেক আগে থেকেই বুঝতে পারা যায় পরীক্ষা আসছে। সবার মাঝে কেমন জানি আমেজ এসে গেছে। পরীক্ষার্থীরা আত্মীয় সমবয়সী শক্ত সামর্থ ছেলেদের খবর দিয়ে রাখছে যেন পরীক্ষার সময়ে বেড়াতে আসতে পারে। এসে ১ মাস থেকে নকল সাপ্লাই দিতে পারে। পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষার হলের বাইরে দেখার সুযোগ হয়েছে। আজকের দিনে বিশ্বাস করা কঠিন যে কত মানুষ পরীক্ষার হলের বাইরে থাকত! মনে হতো কোনও মেলা। মানুষে মানুষে সয়লাব। পরীক্ষার হলের বাইরে ৮-১০ জন পুলিশ থাকত মানুষ ঠেকানোর জন্য। বাইরের লোকজনের কাজ ছিল নকল সরবরাহ করা। ভেতর থেকে শুধু বলার অপেক্ষা। বলবে ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর পারি না। ব্যস আর কিছু লাগবে না। বাইরে থেকে যেভাবেই হউক উত্তর চলে যাবে ভিতরে। নকল করা আর সাপ্লাই দেওয়াটা অনেকটা নিয়ম হয়ে গিয়েছিল তখন। নকল করা খারাপ কিছু বিষয় ছিল না তখন বরং নকল ধরে বহিস্কার করাটা ছিল খারাপ কাজ।

ঘটনা চারঃ

‘আপনারা একদিন সরকারের বড় কর্মকর্তা হবেন, একদিন দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার মানুষ হবেন, আপনারা এভাবে নকল করলে কেমন করে হবে’

স্নাতক শেষ করেছি। চব্বিশতম বিসিএস প্রিলিমিনারি পাস করে লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। শুনেছিলাম লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে গেলে অনেক পড়াশোনা করা লাগে। প্রায় ১ মাস অনেকটা বাইরের দুনিয়া দেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল আমার। পরিবারের চাপে পড়ে প্রতিদিন কম করে হলেও ১৫ ঘন্টা পড়াশোনা করি। প্রথম দিন পরীক্ষার হলে গিয়েছি। ধানমন্ডি’র আইডিয়াল কলেজে আসন পড়েছে। সমবয়সী আর অগ্রজ অনেক ছাত্রের মাঝে আমি ছোটদের কাতারে। পরীক্ষার শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে চারিদিকে নকলের মহোৎসব শুরু হলো। আমার আবারও আকাশ থেকে পড়বার পালা। এরকম একটা পরীক্ষায় নকল হয় নাকি! পরিদর্শক যারা ছিলেন তারা কোনোভাবেই নকল থামাতে পারছিলেন না। বলছিলেন, ‘আপনারা একদিন সরকারের বড় কর্মকর্তা হবেন, একদিন দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার মানুষ হবেন, আপনারা এভাবে নকল করলে কেমন করে হবে’। অনেক অপমান করেছেন নকলকারীদের। শেষে ছাত্র-ছাত্রীদের বাথরুমে যাওয়া বন্ধ করে দিলেন। কিন্তু কোনোভাবেই নকল বন্ধ হলো না। এই নকলের মহোৎসবে ৮ টা পরীক্ষা দিয়েছিলাম।

কয়েকটা ঘটনায় আমি যে পথ পরিক্রমার কথা বললাম, এখান থেকেই বেরিয়ে এসেছে অনেক ছাত্র যারা আজ দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে (!) শিক্ষায়-গবেষণায়। আমি এমন একজনকে চিনি যে এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে ফেল করেছিল কিন্তু পরের বছর নকলের একটা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিয়ে খুব ভাল নম্বর পায় এবং পরবর্তীতে দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে। সমাজের নানা উচ্চপদে আজ তারা আসীন। তাদের ছেলে-মেয়েরা আজ বড় হয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষায় নকল করে করে পাশ করা বা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে পাশ করা পরীক্ষার্থীর ছেলে-মেয়েরা আজ স্কুলে যায়। সেই ছোট ছোট ছেলে-মেয়েগুলো আজ স্কুল সমাপনী পরীক্ষা দিচ্ছে। এইসব ছেলে-মেয়েগুলো তাদের বাবা-মা’র কাছ থেকে নৈতিক শিক্ষা পায়নি। পাবার কথাও নয়। এই বাবা-মায়েরা আজও আবার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তাদের ছেলে-মেয়েদের হাতে সেই প্রশ্নপত্র তুলে দিচ্ছেন। একটা গ্রামের কৃষকের ছেলে-মেয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কি হয়নি এটা চিন্তা করে না। করলেও বাস্তবায়ন করে বলে আমার বিশ্বাস হয়না। প্রশ্নপত্র ফাঁস করছে আপনার-আমার মতো কেউ, যারা খুব আদর-যত্ন করে ছোট ছোট কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের হাতে তুলে দেয় ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র। অথবা ফেসবুক নামক যোগাযোগের মাধ্যমে তুলে দেয় সাত-পাঁচ না ভেবে অথবা ভেবে চিন্তেই। প্রশ্নপত্র ফাঁসে আমরা কোনোভাবেই আমাদের দায়ভার এড়াতে পারি না। একা শিক্ষামন্ত্রী সব কিছু করে দেবেন এটা মেনে নেওয়ার মতো নয়। আমাদেরকেই এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে।

এ ব্যাপারে পরিবার সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। পরিবার থেকে কোনোভাবেই যেন অনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারে ছেলে-মেয়েরা। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থাকা শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের সাক্ষাৎকার যখন নেওয়া হয়েছে, তখন আপনি-আমি একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারব এখানে অনেক বাবা-মায়েরাই তাদের ছেলে-মেয়েদের হাতে প্রশ্নপত্র তুলে দিয়েছেন আবার বলছেন- প্রশ্নপত্র যেন ফাঁস না হয়।

শুরু করেছিলাম আশির দশকের কথা দিয়ে। তখন প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষাটা শিক্ষার একটা বড় মাপকাঠি ছিল। যে সময়ে ২৫-৩০% শিক্ষার হার ছিল সেসময় প্রাথমিক পাস করাটা বড় কিছু ছিল। দিন বদল হয়েছে। আসেপাশে শিক্ষার হার বাড়ছে, উচ্চ শিক্ষা বাড়ছে। তাই ফোকাস এখন আর প্রাথমিক সমাপনীতে নাই। এখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ভাবতে হয়।

ব্যক্তি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো- রাষ্ট্র যখন ব্যর্থ হয় তখন ব্যক্তি হিসেবে আমাদের ব্যর্থ হলে চলবে না। আমাদের সঠিকটা আমাদেরকেই বেছে নিতে হবে।

কিন্তু শুরুটা ঠিক হতে হয়। গুরুজনেরা বলেন শুরু দেখেই নাকি শেষ বোঝা যায়। মিলেনিয়াম পরবর্তী সময়ে নকল যখন মহামারি আকার ধারণ করেছিল তখন তৎকালীন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শক্তহাতে নকল প্রতিরোধে এগিয়ে আসেন এবং সফলও হন। আমরা আশা করছি বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীও স্বীকার করে নেবেন দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁস মহামারি আকার ধারন করেছে। তখনই কেবল এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করা যাবে। ব্যক্তি হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো- রাষ্ট্র যখন ব্যর্থ হয় তখন ব্যক্তি হিসেবে আমাদের ব্যর্থ হলে চলবে না। আমাদের সঠিকটা আমাদেরকেই বেছে নিতে হবে। আমাদের এই ছোট ছোট কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের হাতে আমরা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নামক বিষ তুলে দিব না- যে বিষে শুধু সে নিজে নষ্ট হবে না, সাথে সাথে অন্য আরও ১০ জনকেও নষ্ট করবে।

(আমার এ লেখায় সমাজের খারাপ দিকগুলো উঠে এসেছে। এসবের মধ্যে অনেক ভালো মানুষও উঠে অাসেন। তারা থেকে যান নীরবে নিভৃতে। তাদের উঠে আসাটা সমাজের চোখে ধরা পড়ে না। তারা তাদের আলো ছড়াতে পারেন না। আর বড় হয়ে সরকারের উচ্চ পদে আসীন হলেও থেকে যান প্রদীপের নীচে। এরকম মানুষদের আমাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। সেটা করতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে আমাদের গণমাধ্যমগুলো।)

লেখক: চোনাম ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সাউথ কোরিয়া

ncpaulcnu@gmail.com

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।