বিকাল ০৪:৪৯ ; বৃহস্পতিবার ;  ২৩ মে, ২০১৯  

মধ্যমেয়াদী নির্বাচন, সংসদের সংস্কার ও রাজনৈতিক বৈরিতার অবসান

প্রকাশিত:

হুমায়ুন রশীদ॥

মধ্যমেয়াদী নির্বাচন- যা যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত, তার প্রয়োগ বাংলাদেশে হলে কেমন হয়? ৫ জানুয়ারি ২০১৪-এর নির্বাচনে ১৫৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের আসনগুলো শূন্য করে দিয়ে তাতে মধ্যমেয়াদী নির্বাচন করলে কেমন হয়?

এটার একটা ছক চিন্তা করা যেতে পারে। এতে নির্বাচন কমিশন কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের ফর্দ তৈরি করতে পারে তার বিভিন্ন দিকের কাঠামো আগেভাগে তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। আবার ওই নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা থেকে ফল ঘোষণা পর্যন্ত অর্থাৎ মোটামুটি ৪৫ দিনের জন্য একটি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ভাবা যেতে পারে। গত নির্বাচনে পার্লামেনটট ভেঙে দেওয়া থেকে নির্বাচন সম্পন্ন করা পর্যন্ত যে সময়কাল ছিল তা মোটামুটি ৪৫ দিন ছিল প্রতীয়মান হয়। অবশ্য মধ্যমেয়াদী নির্বাচনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিলে পার্লামেন্ট ভাঙার আর প্রয়োজন থাকবে না।

যেহেতু ৩০০ সদস্যের নির্বাচনটি মেয়াদের দুই পর্যায়ে হবে। তাই এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সদস্যরাই পূর্ণ পাঁচ বছর মেয়াদ না পেয়ে অর্ধ মেয়াদ পাবেন যা বর্তমান ১০ম সংসদ থেকেই শুরু করা যায়।

গত নির্বাচনের খামতি, তথা বিরাট সংখ্যক সদস্যের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে, সকল মহলই প্রচ্ছন্ন নৈতিক উদ্বেগে ভুগছেন। বিষয়টি যদি সকল পক্ষের অংশগ্রহণে নিস্পত্তি করা যায় তা যেমন জাতির জন্য মঙ্গলজনক তেমনি বাংলাদেশের সংসদ সকল সময়ের জন্যই বহাল থাকবে এ অবস্থাও তৈরি হয়ে যাবে এবং মধ্যমেয়াদী নির্বাচনের সময় যাদের সদস্যপদের মেয়াদ পূর্তির আরও আড়াই বছর বাকি থাকবে তাদের মধ্য হতে কল দল থেকে নির্বাচনকালীন ৪৫ দিনের জন্য কেয়ারটেকিং মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ছুটিতে থাকতে পারেন বা তার এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা ৪৫ দিনের জন্য অকার্যকর থাকবে।

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।