সকাল ০৮:১৪ ; রবিবার ;  ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯  

'লক্ষ্য মেক বাই বাংলাদেশ'

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

'বেটার বিসিএস এবং বেটার বিজনেস' তার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি এসেছেন নেতৃত্বে। প্রথমবারের মতো নেতৃত্বে এসেই সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস)। তিনি কম্পিউটার সোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএইচএম মাহফুজুল অারিফ। অচিরেই তিনি ঘোষণা করবেন, 'মেক বাই বাংলাদেশ' -এর।

অথচ তিনি অাপাদমস্তক একজন খেলা পাগল মানুষ। এজন্য 'খেলা'কে প্রমোটও করে থাকেন। মাত্র ১০ হাজার টাকা পকেটে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন কম্পিউটার সোর্স।

এএইচএম মাহফুজুল অারিফ বোঝেন প্রযুক্তিপ্রেমীদের চাহিদা। অাগেভাগে চাহিদা বুঝতে পেরেই তিনি সেই কাঙ্খিত পণ্য যোগ করেন তার প্রতিষ্ঠানের পণ্য সারিতে।

বিসিএস সভাপতি হওয়ার পরে এই প্রথম তিনি কোন গণমাধ্যমে একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন। যদিও এ বিষয়ে তার বদনাম রয়েছে, তিনি কাউকে সাক্ষাৎকার দেন না। তিনি স্বীকার করলেন, 'সময়ের বড্ড অভাব।'

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন হিটলার এ. হালিম

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পটি জানতে চাই।

মাহফুজুল আরিফ: আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করছি। ব্যবসার চিন্তা তখন থেকেই মাথায় ঘুর ঘুর করছিল। তবে যেকোনও ব্যবসা নয়। ইচ্ছে ছিল নতুন কিছু করার। তখন বড় বড় অফিসগুলোতে কম্পিউটারের ব্যবহার সবে শুরু হয়েছে। কিন্তু কম্পিউটারগুলোর অধিকাংশই কম্পোজ আর সিডি চালানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কোথাও কোথাও এই কম্পউটারে চলতো হিসাব রাখার কাজ।

তখন থেকেই আমরা কয়েক বন্ধু মিলে দেশীয় সফটওয়্যার নিয়ে কাজ শুরু করি। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে আমাদের নিজেদের তৈরি পে-রোল, অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি সফটওয়্যার দিতে শুরু করি। কিন্তু ওই সময় বাজারে কম্পিউটারের দাম যেমন বেশি ছিল, সরবরাহও ছিলো ততটাই কম। ফলে সফটওয়্যারের পাশাপাশি হার্ডওয়্যার পণ্য আমদানির সিদ্ধান্ত নিই।

সময়টা ১৯৯৩ সাল। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়েছি। সিদ্ধান্ত নিলাম, দেশীয় প্রেক্ষাপটেই এই কম্পিউটারের ব্যবহারকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলব। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আল্পনা প্লাজায় একটি দোকান নিই। নাম দেওয়া হয় কম্পিউটার সোর্স। যখন উদ্যোগ নিয়েছিলাম, তখন হাতে ছিল মাত্র ১০ হাজার টাকা। ব্যবসায়ের জন্য এই পরিমাণ টাকা যথেষ্ট ছিল না। দোকান ভাড়া আর ডেকোরেশন করতেই শেষ। ফলে শুরু হয় আরও অর্থায়নের চেষ্টা। অবশেষে অনেক কষ্টে ধার-কর্জ করে পুঁজি দাঁড়িয়েছিল এক লাখ টাকা। ওটা দিয়েই শুরু।

বাংলা ট্রিবিউন: ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে সিলিকন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে কী?

মাহফুজুল আরিফ: হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও কানেক্টিভিটি এই ত্রিবেণীর একমুখী যাত্রায় এটা অসম্ভব কোনও বিষয় নয়। দেশের প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরপুর তারুণ্যকে প্রযুক্তি-দক্ষ করে গড়ে তুলে প্রযুক্তিতে নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে অচিরেই আমরা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষাৎ পাব বলেই আমার বিশ্বাস।

হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও কানেক্টিভিটি এই ত্রিবেণীর একমুখী যাত্রায় এটা অসম্ভব কোনও বিষয় নয়। দেশের প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরপুর তারুণ্যকে প্রযুক্তি-দক্ষ করে গড়ে তুলে প্রযুক্তিতে নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে অচিরেই আমরা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষাৎ পাব বলেই আমার বিশ্বাস।

বাংলা ট্রিবিউন: কবে নাগাদ আমরা বাংলাদেশকে ওই জায়গায় দেখতে পাব?

মাহফুজুল আরিফ: এটা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট পক্ষের সমানুপাতিক গুরুত্ব দিয়ে তৈরি পথ-পরিকল্পনার ওপর। এই রূপরেখা ধরে সাবলীলভাবে এগিয়ে যাওয়ার ওপরই নির্ভর করবে কবে আমরা লক্ষ্যভেদ করতে পারব।

সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি স্তরই প্রযুক্তির ছোঁয়ায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই বাংলাদেশে প্রকৃত অর্থেই ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়ে উঠবে।

বাংলা ট্রিবিউন: বিসিএস’র দায়িত্বে এলেন প্রথমবার। কোনও স্বপ্ন?

মাহফুজুল আরিফ: 'বেটার বিসিএস এবং বেটার বিজনেস' সুনির্দিষ্ট ৭টি পথরেখা নিয়েই আমরা নির্বাচিত হয়েছি। আর এই রূপরেখা নিছক কোনও স্বপ্ন নয়, আমরা তা বাস্তবায়নের পথে ইতিমধ্যেই হাঁটতে শুরু করেছি।

আমার লক্ষ্য, আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ‘মেক বাই বাংলাদেশ’ হিসেবে আইটি দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ করবে। আমি মনে করি, টেকসই অবকাঠামো গঠনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে দক্ষ আইটি প্রফেশনাল গড়ে তোলা এই মুহূর্তে আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আমার বিশ্বাস, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই আমরা আমদানি নির্ভরতা থেকে রফতনিমুখী হতে শুরু করব।

আমার লক্ষ্য, আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ‘মেক বাই বাংলাদেশ’ হিসেবে আইটি দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ করবে। আমি মনে করি, টেকসই অবকাঠামো গঠনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করে দক্ষ আইটি প্রফেশনাল গড়ে তোলা এই মুহূর্তে আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনার মেয়াদের শেষে বিসিএসকে কোথায় দেখতে চান?

মাহফুজুল আরিফ: আমি চাই, বিসিএস দেশের প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন হিসেবে সবার অধিকার সমুন্বত রেখে করে স্বমহিমায় ভাস্বর হয়ে থাকবে।

বাংলা ট্রিবিউন: এক ভিন্ন ধরনের মেলার ঘোষণা দিয়েছেন আপনি। যাকে বলা হচ্ছে 'সিগনেচার' মেলা। দেশের ‌‌‌প্রেক্ষাপেট প্রথমবারের মতো এ আয়োজন। আপনার স্বপ্নটা জানতে চাই।

মাহফুজুল আরিফ: আমরা আশা করছি, এবার থেকে আমরা এমন একটা মেলার আয়োজন করব যা হবে অনন্য। এখানে শুধু প্রযুক্তি নয়, এতে থাকবে সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্যের স্বাক্ষরও। আক্ষরিক অর্থে নয়, এটা পরিণত হবে কাঙ্ক্ষিত মিলন-মেলায়। অনুকরণ এড়িয়ে আমরা এই ‘সিগনেচার’ মেলাকে আমাদের জাতীয় মেলায় রূপান্তর করতে চাই। মেলার সম্ভাব্য নাম হবে, 'ই-বাংলাদেশ' মেলা।

আমরা আশা করছি, এবার থেকে আমরা এমন একটা মেলার আয়োজন করব যা হবে অনন্য। এখানে শুধু প্রযুক্তি নয়, এতে থাকবে সাংস্কৃতিক-ঐতিহ্যের স্বাক্ষরও। আক্ষরিক অর্থে নয়, এটা পরিণত হবে কাঙ্ক্ষিত মিলন-মেলায়। অনুকরণ এড়িয়ে আমরা এই ‘সিগনেচার’ মেলাকে আমাদের জাতীয় মেলায় রূপান্তর করতে চাই। মেলার সম্ভাব্য নাম হবে, 'ই-বাংলাদেশ' মেলা।

বাংলা ট্রিবিউন: এ মেলার সঙ্গে জার্মানির সিবিট, তাইওয়ানের কম্পিউটেক্স, সিঙ্গাপুরের কমিউনিক এশিয়ার কোনও মিল পাবে দেশের মানুষ?

মাহফুজুল আরিফ: আন্তর্জাতিক স্বতন্ত্রধারার এসব প্রযুক্তি মেলার ছায়া থাকতে পারে। তবে অবশ্যই হুবহু নকল হবে না।

আপনি যেসব মেলার কথা বললেন, ওইসব মেলা সংশ্লিষ্ট দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে। মেলার নাম শুনলেই বোঝা যায় মেলা কোন দেশে হচ্ছে। আমরা ঠিক এমনটাই চাইছি, তবে তা আমাদের মতো করে। কাউকে অনুসরণ করে নয়।

বাংলা ট্রিবিউন: দেশে ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে বিসিএস কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে?

মাহফুজুল আরিফ: ডিজিটাল বৈষম্য বলতে আমি যতটুকু বুঝি তা হচ্ছে, ডিজিটালাইজেশনের শ্রেণি বৈষম্য। আর তাই যদি হয়, তবে বিসিএস সেই বৈষম্য কমাতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে। জনগণের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই কম্পিউটার, ল্যাপটপ, এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি পণ্য হাতের নাগালে নিয়ে এসেছে।

এখন ঢাকায় না এসে গ্রামে বসেই এসব সুবিধা পাচ্ছেন প্রান্তিক মানুষ। পাচ্ছেন বিক্রয়োত্তর সেবাও। নিয়মিত মেলা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, তথ্যপ্রযুক্তি সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজনের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষকে সবর্শেষ প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: বিভিন্ন মার্কেটে আমদানিকারক এবং পরিবেশকদের খুচরা পণ্য বিক্রি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছেন। এর সুফল কীভাবে আসবে বলে মনে করেন?

মাহফুজুল আরিফ: আমদানিকারক এবং পরিবেশক উভয়েই ব্যবসায়ী। ভোক্তা সন্তুষ্টির মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করাই এখানে মূখ্য। তা নিশ্চিত করতে সময়ের প্রয়োজনে নেওয়া এই উদ্যোগের মূল বিষয় হলো ভোক্তা পর্যায়ে বাজার মূল্যকে স্থিতিশীল রাখা। ব্যবসায়ী পর্যায়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এই ব্যবস্থা ব্ল্যাক মার্কেটের প্রতারণাও ঠেকাতে সক্ষম হবে বলে আমি মনে করি।

আমদানিকারক এবং পরিবেশক উভয়েই ব্যবসায়ী। ভোক্তা সন্তুষ্টির মাধ্যমে মুনাফা অর্জন করাই এখানে মূখ্য। তা নিশ্চিত করতে সময়ের প্রয়োজনে নেওয়া এই উদ্যোগের মূল বিষয় হলো ভোক্তা পর্যায়ে বাজার মূল্যকে স্থিতিশীল রাখা। ব্যবসায়ী পর্যায়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এই ব্যবস্থা ব্ল্যাক মার্কেটের প্রতারণাও ঠেকাতে সক্ষম হবে বলে আমি মনে করি।

বাংলা ট্রিবিউন: ব্যবসায়ীদের কল্যাণে বিসিএস কোনও কল্যাণমুখী উদ্যোগ নেবে কী?

মাহফুজুল আরিফ: প্রথমেই সুন্দর এ প্রশ্নটির জন্য ধন্যবাদ। আপনি অবশ্যই জানেন, এখন পর্যন্ত বিসিএস যে উদ্যোগ নিয়েছে তার সবই কল্যাণমুখী। প্রযুক্তি পণ্য সাধারণের হাতে সুলভে পৌঁছে দিতে বিসিএস বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

ঢাক-ঢোল না পিটিয়ে, কথার বাগাড়ম্বরে না গিয়ে অন্তরালে কাজ করছে। মেলা থেকে শুরু করে প্রযুক্তি পণ্যে বৈষম্যহীন বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করা, প্রতিটি উদ্যোগই কিন্তু কল্যাণমুখী। আমদানিকারক ও খুচরা ব্যবসায়ী সবার জন্যই তা কল্যাণকর বলেই তা করা হচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: দেশের তথ্যপ্রযুক্তি বাজারের বর্তমান অবস্থা কী?

মাহফুজুল আরিফ: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০১৫ সাল একটি টার্নিং পয়েন্ট। অবশ্য গত কয়েক বছর ধরেই দেশীয় তথ্যপ্রযুক্তির বাজারে বিশেষ করে হার্ওয়্যার খাতটি চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেই এই খাতের ব্যবসায়ীরা তাদের নিরলস শ্রম, মেধা আর ধৈর্যের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। বিসিএস’র বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি এই খাতে ‘ব্যবসায় বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সদস্যদের জীবন মানের উন্নয়নে’ সুনির্দিষ্ট পথ-রেখা তৈরি করেছে।

আমরা ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক মানুষের কাছে সর্বশেষ প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা পৌঁছে দিয়ে দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ‘বেটার বিজনেস অ্যান্ড বেটার বিসিএস’ প্রত্যয় বাস্তবায়নের যে উদ্যোগ নিয়েছি আশা করছি সরকারের সুদৃষ্টিতে তা পূরণ করা খুব একটা কঠিন হবে না।

বাংলা ট্রিবিউন: একই পণ্যে একেক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে। ক্রেতা সুরক্ষায় একই ধরনের ওয়ারেন্টির ব্যবস্থা করা যায় কী?

মাহফুজুল আরিফ: ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের মধ্যে সৌহার্দ্য‍পূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে ইতিমধ্যে আমরা সুষম বিক্রয়োত্তর সেবা মান নিশ্চিত করেছি। বাজারে পণ্য বিক্রির আগে যেন বিক্রেতারা সবাই সমান্তরাল সেবা সময় ঘোষণা করেন সেজন্য বিসিএস থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৈষম্যহীন ওয়ারেন্টি পলিসি’র আওতায় লিখিত নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভোক্তারা যেন কোনও ফটকা কারবারীর কাছ থেকে প্রতারিত না হন অর্থাৎ সেবা পেতে দেরি না হয় সেজন্য সহায়তা সেল চালু করা হচ্ছে। সদস্যরা যেন বৈরী সময়েও ব্যবসায় চালিয়ে নিতে সক্ষম হন সে জন্য ‘অ্যাডভোকেসি’ সেন্টার চালু করতে যাচ্ছি। গঠন করা হচ্ছে ‘বিজনেস রিহ্যাবিলিটেশন’ প্রকল্প। আশা করি, এই যাত্রায় আমাদের গণমাধ্যমগুলো আমাদের সঙ্গেই থাকবে। পাঠকরাও আমাদেরকে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সহায়তা করবেন।

বৈষম্যহীন ওয়ারেন্টি পলিসি’র আওতায় লিখিত নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভোক্তারা যেন কোনও ফটকা কারবারীর কাছ থেকে প্রতারিত না হন অর্থাৎ সেবা পেতে দেরি না হয় সেজন্য সহায়তা সেল চালু করা হচ্ছে। সদস্যরা যেন বৈরী সময়েও ব্যবসায় চালিয়ে নিতে সক্ষম হন সে জন্য ‘অ্যাডভোকেসি’ সেন্টার চালু করতে যাচ্ছি। গঠন করা হচ্ছে ‘বিজনেস রিহ্যাবিলিটেশন’ প্রকল্প। আশা করি, এই যাত্রায় আমাদের গণমাধ্যমগুলো আমাদের সঙ্গেই থাকবে। পাঠকরাও আমাদেরকে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সহায়তা করবেন।

বাংলা ট্রিবিউন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মাহফুজুল আরিফ: সময় নিয়ে প্রশ্নোত্তর জানার জন্য আপনাকে এবং বাংলাট্রবিউনকে বিসিএস পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।

শ্রুতিলিখন: রুশো রহমান

/এইচএএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।