রাত ১০:৩৪ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৮ এপ্রিল, ২০১৯  

বাসায় বাসায় গিয়ে ভালোবাসা

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

মাহাবুব রাহমান।।

পাঠকের কাছে দুটি প্রশ্ন রেখে মূল গল্পে প্রবেশ করছি। বলুন তো ঢাকা শহরে গাছগাছালির নামে কয়টি স্থান আছে? স্থানগুলোর নাম কি? পাঠক, এই লেখার কোনও এক অংশে উত্তরটি পেয়ে যাবেন।

অলস ছাত্রের উদ্যমী হয়ে ওঠা
আহসান রনি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এক ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। ওই ছাত্রের স্কুলের বেশকিছু শিক্ষার্থীর মা তাকে ফোন করতে শুরু করলেন। কেন?
না, তাদের সন্তানকে পড়ানোর জন্য নয়। কেন?
মাত্র কয়েকটা গাছের জন্য।

গল্পে চিন্তার খোরাক আছে বটে। রনি একদিন তার ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করলেন, অবসরে তোমার কী করতে ভালো লাগে। ছাত্রটির উত্তর: মুভি দেখতে, কম্পিউটারে গেমস খেলতে....।
: হোয়াই নট গার্ডনিং (বৃক্ষপরিচর্যা কেন নয়)!
ছেলেটি আশ্চর্য হলো। বলল, এটা তো গার্ডনারের (মালির) কাজ। উত্তর শুনে আহসান রনি আরো আশ্চর্য। তিনি দেখেছেন তার বাবা কিভাবে রসুনের ক্ষেত নিড়িয়ে দেয়, ফুল গাছে পানি দেয়। তার মা কিভাবে বাড়ির আঙিনায় শাক-সবজি ফলান। অর্থাৎ তাদের একটা জেনারেশন লার্নিং হয়েছিল। তিনি উপলব্ধি করলেন, কী শহর কী গ্রাম— এখনকার প্রজন্ম আর সেটা পাচ্ছে না।

‌‌‌নিজ কার্যালয়ে আহসান রনি। আলোকচিত্র: নাসিরুল ইসলাম
গ্রীন সেভারস কার্যালয়ে আহসান রনি। আলোকচিত্র: নাসিরুল ইসলাম।

আমি দেখছি আমার বাবা কিভাবে রসুনের ক্ষেত নিড়িয়ে দেয় অথবা এরকম ফুল গাছে পানি দেয়। আমার মা কিভাবে বাড়িতে সবজি চাষ করে এগুলা তো আমার দেখা। তো আমার কিন্তু জেনারেশন লার্নিংটা হয়েছিল। আমি শিখতে পেরেছিলাম জিনিসগুলো। এগুলা তো আমার দেখা। তাদের মধ্যে এটার অভাব ফিল করলাম। তখন শুরু করলাম ওই বাচ্চাকে দিয়েই।

পরের দিন তিনি কয়েকটি ফল ও ফুলের গাছ নিয়ে গেলেন ছাত্রটির বাসায়। ফল, ফুল আসছে বা আসবে গাছগুলো এমন। ছাত্রটিকে দিয়ে বললেন, সকালে উঠে এসব গাছে পানি দিবা। দেখবা যে এগুলাতে ফুল আসছে, ফল ধরছে— তোমার গাছের ফল। তুমি তো স্ট্রবেরি খাও, কিন্তু সেটা ছিঁড়ে খেতে কেমন মজা লাগে দেখবা। তুমি তো আপেল খাও, আপেলের গাছ দেখেছ?

একসময় স্ট্রবেরি গাছে স্ট্রবেরি ধরল। ছাত্রটির মধ্যে তো আগাগোড়া পরিবর্তন (Radical Change)। যে ছেলেকে সকালে জোর করে ঘুম থেকে উঠাতে হত, দাঁত ব্রাশ করাতে হত, সে এখন নিজে নিজেই ভোরে ঘুম থেকে উঠে। গাছে পানি দেয়। স্কুলের সময় হলে নিজ থেকেই স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের সাথে 'নিজ গাছের' স্ট্রবেরি শেয়ার করে।

তার এই পরিবর্তন, উদ্যম, উচ্ছ্বাস ঘনিষ্ঠ সহপাঠীদের মধ্যেও সংক্রমিত হল। তারা নিজেরাও গাছে ফল ফলাতে চায়। আর এভাবেই 'গ্রীন সেভারস' গল্পের শুরু...

শিক্ষার্থীদের মায়েদের অনুরোধে আহসান রনিও অভিভূত। তিনি তাদের বাসায় গাছ পৌঁছে দিতে লাগলেন। দেখলেন এ ব্যাপারে মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ আছে। তারা সুযোগ পেলে বৃক্ষরোপন বৃক্ষপরিচর্যা--এসব করতে চায়। রনি চিন্তা করলেন, ঢাকা শহরের এই যে, অসংখ্য ছাদ ফাঁকা পড়ে আছে--যতটুকু জমি নিয়ে বাড়িটা গড়ে উঠেছে ততটুকু জায়গা তো ছাদেও আছে। এইসব ছাদে শাক-সবজি, ফলমূল চাষ করতে পারলে তো আর ফরমালিন, কেমিক্যাল যুক্ত খাবার খেতে হবে না।

তিনি চিন্তা করলেন, কিভাবে শহরের জন্য সহজে স্থানান্তরযোগ্য সবজি চাষের ব্যবস্থা করা যায়। সেই ধারণা থেকেই হ্যাংগিং গার্ডেন, বোতল গার্ডেন, গ্রীল গার্ডেন, লবি গার্ডেন ইত্যাদির ব্যবস্থা করেন।

৮ জানুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনে আলোকচিত্রী নাসিরুল ইসলাম আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি চলে গেছেন মোটরসাইকেলে চড়ে, আর ঠেলাগাড়িই আমার সম্বল। পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনেই গ্রীন সেভারস-এর সদর দফতর। সেখানে গিয়ে মনে হলো সলিমুল্লাহ হল ছাত্রদের যেন ছোটখাট এক সম্মিলন। কেননা আমরা তিনজনই সলিমুল্লাহ হলের ছাত্র। কিন্তু এই পরিচয়ে কেউ কারো পূর্ব পরিচিত নই।

রনি ভাই বললেন, আমি ছোটকাল থেকেই প্রকৃতিপ্রেমী। আর গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেও যেন পড়লাম ছোট্ট আরেক গ্রামে। সলিমুল্লাহ হল যেন ঢাকার মধ্যে ছোট্ট একটা গ্রাম। হল ছাড়ার পরও আমার মধ্যে যেন সেই প্রকৃতি রয়েই গেল।

আমাদের কথার মাঝেই ১০-১২ বছরের ৩টি ছেলে এসে বলল: চারা কিনব। পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশেই তাদের বাসা। তারা গ্রীন সেভারস থেকে কয়েকটি গাছ কিনল। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম তারা প্রায়ই এখান থেকে গাছ কিনে নিয়ে যায়। গ্রীন সেভারস বেশ কয়েকবার তাদের গাছ ফ্রি-ও দিয়েছে।

শুধু গাছ লাগানো বা ফ্রি গাছ দেওয়াই নয়। গ্রীন সেভারস বেশ কিছু ব্যতিক্রমী কার্যক্রমও পরিচালনা করে থাকে। এর মধ্যে অক্সিজেন ব্যাংক, কৃষিপাঠ, শিশুকানন ও পরিবেশ স্কুল অন্যতম।

অ‌‌‌ক্সিজেন ব্যাংক
অক্সিজেন ব্যাংক মানে অক্সিজেনের জন্য একটি বক্সে টাকা জমানো। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাচ্চাদের উদ্বুদ্ধ করা হয়: তোমরা টিফিনের টাকা থেকে অল্প অল্প করে টাকা জমাও, এই টাকা দিয়ে তোমরা তোমাদের স্কুল প্রাঙ্গণে গাছ লাগাবে। হাসপাতালে ১ঘন্টার অক্সিজেন নিতে ২শ-৫শ টাকা লাগে। অথচ প্রকৃতি থেকে আমরা বিনাপয়সায়ই অক্সিজেন নিচ্ছি। একজন মানুষের সুস্থভাবে বাঁচার জন্য কমপক্ষে ৮টি গাছের দরকার। অতএব ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যেককে উদ্বুদ্ধ করা হয়, কমপক্ষে ৮টি করে গাছ লাগাতে।

প্রত্যেক স্কুলে একজন করে গ্রীন অ্যাম্বাসেডর থাকে। সে দুয়েকমাস পর পর সবাইকে নিয়ে বাক্স থেকে টাকা তুলে সেই টাকা দিয়ে গাছ কিনে নিজদের স্কুলের আঙিনায় রোপণ করে।

কৃষিপাঠ
এটা প্রতিমাসেই একবার করে হয়। এটি শীর্ষস্থানীয় টিভি চ্যানেল এই কৃষিপাঠ একবার লাইভও করেছে। ঢাকা শহরে যারা বাগান করেন, যারা কৃষি বিশেষজ্ঞ এবং সফল কৃষকদের কৃষিপাঠে আনা হয়। অনুষ্ঠানে অনেকে গাছপাতা বা ফল ছিঁড়ে আনেন। বিশেষজ্ঞগণ দেখে বলেন কী সমস্যা। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্কুলেও তারা কৃষিপাঠের ব্যবস্থা করেন।

শিশুকানন
গ্রীন সেভারসের পাশেই শিশুকানন নামে একটি কানন তৈরি করা হয়েছে। বাচ্চারা ‌‌‌এসে এখান থেকে ফল ছিঁড়ে খাবে। গাছ থেকে ফল ছিঁড়ে খাওয়ার যে আনন্দ সেই আনন্দ তারা এখান থেকে পাবে। বাচ্চাটা দেখুক যে ফলটি সে খাচ্ছে সেটি গাছে দেখতে কেমন বা সেই গাছটি দেখতে কেমন। শিশুদের অবুঝ মনে সবুজের প্রতি যেন ভালোবাসা বাড়ে সে জন্যই শিশুকানন করা।

পরিবেশ স্কুল
আহসান রনি এক অস্ট্রেলিয়ান ভদ্রলোকের গল্প শোনালেন। তিনি একটি সেমিনারে ঢাকায় এসেছেন। রনিভাইদের সবাইকে চকলেট খেতে দিলেন। বললেন যে চকলেট খেয়ে প্যাকেটটা আমাকে ফেরত দিবেন। রনি ভাইদের প্রশ্ন, কেন? তিনি বললেন, চকলেটটা যেহেতু অস্ট্রেলিয়ার, বর্জ্যটাও অস্ট্রেলিয়ার; আমি অস্ট্রেলিয়ার বর্জ্য কেন বাংলাদেশে ফেলে যাব।

গ্রীন সেভারস যখন পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনে বাগান করে তখন ছিন্নমূল ছেলেপেলে এসে ফুল, ডালপাতা ছিঁড়ে ফে‌‌‌লতে শুরু করে। কোনওভাবেই তাদের নিবারণ করা যাচ্ছিল না। রনি ভাই বুঝলেন, স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ শিক্ষা নামে কোনো শিক্ষা দেয়া হয় না। ফলে তাদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি হয়নি। এই চিন্তা থেকেই পরিবেশ স্কুলের সূচনা। এই স্কুলে বাচ্চাদের পরিবেশগত, স্বাস্থ্যগত এবং চিকিৎসাগত শিক্ষা প্রদান করা হবে।

বিনা পারিশ্রমিকে ছাদে বাগান
আহসান রনির ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্যই বিভিন্ন মিডিয়ায় কভারেজ পেতে থাকলেন। মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে আগ্রহ বাড়তে লাগল। এরপর তারা স্কুলগুলোতে প্রচারণার কাজ শুরু করলেন। যেসব বাচ্চার মা বাচ্চাকে ক্লাসে পাঠিয়ে দিয়ে স্কুলের সামনে বা বিশ্রামকক্ষে বসে থাকতেন আহসান রনি তাদের উদ্বুদ্ধ করতেন। বলতেন, আপনি যে ফরমালিন, কেমিক্যালমুক্ত খাবার খেতে চান আমরা যদি তার ব্যবস্থা করি?

কিভাবে?

আমরা আপনার বাসার ছাদে 'আপনার খরচে আমাদের গরজে' বাগান করে দেব। আমরা কোনও চার্জ নিব না, জাস্ট আপনার খরচ, যা যা লাগবে আপনি কিনে দিবেন, আমরা ভলান্টিয়াররা গিয়ে আপনার বাসায় বাগান করে দিয়ে আসব। এভাবে তারা সাড়ে তিন বছরে মোট ২১৯টা বাসায় বাগান করে দিয়েছেন।

নামমাত্র খরচে গার্ডনিং সার্ভিস
বাগান করে দেয়ার পর একটা সমস্যা দেখা দিল। যাদের বাসায় গাছ লাগানো হয়েছে তারা তো গাছের যত্ন জানে না। ফলে ফোন আসতে লাগল: আপনারা তো গাছ লাগিয়ে গেলেন কিন্তু আমরা তো তা টিকিয়ে রাখতে পারি না। তবে?

রনি তখন চিন্তা করলেন, আমরা এগ্রিকালচারাল গার্ডনিং সার্ভিস দিব। তারা কিছু এক্সপার্ট গার্ডনার তৈরি করলেন। গ্রাহকদের বললেন, আপনারা শুধু ঔষুধপত্রের দাম আর গার্ডনারের যাতায়াত খরচ দিবেন। প্রথমে তারা মাসিক ৮শ টাকায় এই সার্ভিস দিতে শুরু করলেন। গ্রীন সেভারসের গার্ডনাররা সপ্তাহে ৪ দিন গিয়ে বাগান পরিচর্যা করবে, ঔষুধপত্র যা যা লাগে সব দিবে। সবকিছুর দাম বাড়াতে এখন সার্ভিস চার্জ ২শ টাকা বাড়িয়ে ১হাজার টাকা করে নেয়া হয়।

রনি ভাই জানালেন, এই সেবা পেয়ে মানুষ খুবই খুশি। কারণ তারা যে সেবাটা পাচ্ছে সেখানে ১হাজার টাকা কোনও বিষয়ই না। তারা যখন ফ্রেশ শাক-সবজি খাচ্ছে, গাছ থেকে ফল ছিঁড়ে খাচ্ছে, এখন শাক-সবজি নিয়ে কোনও টেনশন নাই। কাচামরিচ পেয়াজ-রসুন যা-ই লাগছে ছাদ থেকে নিয়ে আসতে পারছে।

তিনি হিসাব কষে জানালেন, নিজেরা বাগান পরিচর্যা করতে গেলেও মাসে ১হাজার টাকার বেশি খরচ হতে পারে। ধরা যাক, একটি বাসায় দুটি আমগাছ আছে। একটি গাছে হলুদ মোজাইক ভাইরাসে ধরছে। এই ভাইরাসের ঔষুধের দাম ২০০-৩০০ টাকা। এই ঔষুধ দিয়ে ২শ গাছের চিকিৎসার করানো সম্ভব। কিন্তু তার তো মাত্র ২টা গাছ। এজন্য তাকে স্প্রে মেশিন কিনতে হচ্ছে। এগুলো অনেকের জন্যই বেশ ঝামেলার কাজ।

সৃষ্টি সুখের উল্লাসে: আনন্দময় বৃক্ষরোপণ
গ্রীন সেভারস মূলত এনভায়রনটেইমেন্ট নিয়ে কাজ করে। এনভায়রনটেইমেন্ট হচ্ছে এনভায়রমেন্ট (পরিবেশ) এবং এন্টারটেইমেন্ট (বিনোদন)। যেহেতু শিশুদের নিয়ে কাজ করতে হয়, কাজগুলো যদি বিনোদন নিয়ে না করা যায় তবে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন। এই ভাবনা থেকেই স্থাননামের সাথে মিল রেখে ঢাকা শহরের ১৬টি স্থানে তার গাছ লাগিয়ে যাচ্ছেন। গাছগাছালির নামে ঢাকা শহরে ১৬টি স্থান আছে। স্থানগুলো হচ্ছে: কলাবাগান, আমবাগান, জিগাতলা, শাপলা চত্বর, গাবতলী, কমলাপুর, খেজুর বাগান, কদমতলী, সেগুনবাগিচা, নিকেতন, কাঁঠালবাগান, জামতলী, লিচু বাগান, শেওড়াপাড়া, তালতলা, নিমতলী। স্থানের নামের সাথে মিল রেখে তারা ওসব স্থানে গাছ লাগান। যেমন কমলাপুরে কমলাগাছ, সেগুনবাগিচায় সেগুনগাছ, গাবতলীতে গাবগাছ ইত্যাদি।

প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার
আহসান রনির কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৩ সালে পেয়েছেন পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের একমাত্র পুরস্কার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে আহসান রনির হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়াও সে বছরই পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত আন্তর্জাতিক পরিবেশ মেলার প্রথম পুরস্কারটি পান তিনিই। ২০১৪ সালেও তিনি আন্তর্জাতিক পরিবেশ মেলার পুরস্কার লাভ করেন।

মানুষের জন্য কাজ করলে পুরস্কার মিলবেই। তবে এসব পুরস্কারের চেয়ে বড় পুরস্কার হচ্ছে মানুষের ভালোবাসা। আর কে না জানে, মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে মানুষকে ভালোবাসতে হয়। আহসান রনি ঢাকা শহরের প্রতিটি ঘরে ভালোবাসা বিলাতে চান। তার ভালোবাসা প্রতীক হচ্ছে গাছ। আশা করা যায়, ঢাকার প্রতিটি বাসিন্দা নিজ প্রয়োজনেই রনির এই ভালোবাসা গ্রহণ করবেন।

একনজরে গ্রীন সেভারস-এর সার্ভিস
* মানুষের বাসায় বাসায় গিয়ে গাছ লাগানো
* বাসায় গিয়ে গাছের পরিচর্যা
* গাছ, ঔষধপত্র ও তথ্যগত সহায়তা

/এমবিআর/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।