বিকাল ০৪:৪৪ ; মঙ্গলবার ;  ২১ মে, ২০১৯  

এই শীতে জাঁকিয়ে ফ্যাশন করুন

প্রকাশিত:

লাইফস্টাইল ডেস্ক॥

ছেলেদের খুব আক্ষেপ, তাদের ফ্যাশনের উপাদান মেয়েদের তুলনায় অনেক কম। জামা কাপড়ের ফ্যাশন নাই বললেই চলে। আদিকাল থেকেই শুধু কোট-টাই, জামা-জুতোর ঘেরাটোপেই বন্দী পুরুষের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট। তবে শীত এলেই সে আক্ষেপ একটু হলেও ঘোচে বইকি। বাহারি জ্যাকেট, জামা, জুতো, মাফলার, টুপির জুতসই ব্যবহার করতে পারলে আপনার স্টাইলিশ বান্ধবীকেও করে ফেলতে পারবেন ঈর্ষান্বিত।

বদলে ফেলুন ওভারকোট:

ওভারকোট পরার চল এখানে না থাকলেও ট্রাই করতে পারেন হালকা ওভারকোট। নিচে কোট বা জ্যাকেট ছাড়াই। ফর্মাল, ক্যাজুয়াল দুভাবেই মানানসই। আবার পাফি জ্যাকেটটির মায়া যদি ছাড়তে না পারেন তাহলে টেমপারেচার বুঝে জড়িয়ে নিতে পারেন কোটের উপরেও। অফিসের সহকর্মীরা হয়ত চমকে যাবে। কিন্তু আপনাকে দেখে পরদিন সে নিজেও এমন বেশে আসবে না তারও কিন্তু কোনও গ্যারান্টি নাই।

শার্টের উপর কোটের নিচে:

দাদীমার বুনে দেয়া উলের জাম্পার দিয়েই ভেঙ্গে ফেলতে পারেন ক্যাজুয়াল ফর্মালের দেয়াল। স্লিভলেস বা ফুল স্লিভ যাই হোক সেটা ফর্মাল ওয়্যার হিসেবে পরা যাবে না এমন পুরানা নিয়ম ভেঙে কোট বা জ্যাকেটের নিচে পরতে পারেন কালার মিলিয়ে।

মাফলার টুপির রেনেসা:

যে টুপি বা মাফলার পরলে একসময় নিজেকেই মনে হত 'ক্ষ্যাত' এখন সেটাই হতে পারে আপনার উইন্টার স্পেশাল। ওয়ারড্রোবের তলা থেকে বের করে নিয়ে আসতে পারেন পুরোনো সেই মাফলার বা টুপিটি। তারপর কালার মিলিয়ে হয়ে যান নিজেই নিজের ফ্যাশন অ্যাডভাইজার।

শালে-কম্বলে:

পারিবারিক বা সামাজিক অনুষ্ঠানে যাদের পাঞ্জাবি পরার অভ্যেস শাল তাদের নিয়মিত সঙ্গী। অফিস বা আনুষ্ঠানিক পোশাকের সঙ্গে শাল বা চাদর পরার আগে দুবার ভাবুন। যদি পরতেই চান সেক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন শাল মুড়ি দিতে গিয়ে যেন আপনার বাকি পোশাক ঢেকে যেন না যায়। ভাজ করে এমন ভাবে গায়ে জড়ান যাতে আপনার ভেতরের পোশকের ভাঁজও থাকে অক্ষুন্ন।

বুট-জুতো:

কাদা পানির এই দেশে জুতো নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করার সময় বলতে এই নাতিদীর্ঘ শীতকালটাই। জুতো নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার এই সুযোগ হাতছাড়া করা একদম ঠিক হবে না। তাই ভারি সোলের বুট থেকে শুরু করে হালকা স্নিকার সবই এখন ইন। ন্যারো জিন্স বা গ্যাবাডিনের সাথে পরার সময় খেয়াল রাখুন কালার মিলছে কি না। এমনকি মাফলার বা টুপির সঙ্গেও ম্যাচ করে নিতে পারেন সাধের জুতো জোড়াকে।

রোদচশমা:

ঘন কুয়াশার জন্যে হয়ত সূয্যি মামার দেখা পাওয়া ভার। কিন্তু একবার যদি তিনি দেখা দেন, তীর্যক চাহনিতে আপনার চোখের বারোটা বাজাতে একটুও দেরি হবে না। সঙ্গে রাখতে পারেন একজোড়া সানগ্লাস। কোটের পকেটে বা জাম্পারের গলায় অথবা নাকের উপর। সময় সুযোগ বুঝে যদি দোস্তি রাখেন সানগ্লাসের সঙ্গে, আপনার চোখদুটো তো বাচাবেই আপনার স্টাইল স্টেটমেন্টকেও রাখবে হেলদি।

শীতপোশাক ছাড়া কিন্তু এমন বৈচিত্রপূর্ণ এক্সপেরিমেন্ট করার সুযোগ অন্য সিজনে কম। তাই কোমর বেঁধে নেমে পড়ুন। আবিস্কার করুন নিজেকে এবং নিজের টেস্টকেও। উপস্থাপনের ভিন্নতাই হতে পারে আপনার নতুন আবিস্কার।

/এএলএ/ এফএএন/


 


 


 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।