দুপুর ০৩:৩২ ; সোমবার ;  ২০ মে, ২০১৯  

পঞ্চগড়ে উল্কাবৃষ্টি পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥ পঞ্চগড়ে সোমবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে একটানা ভোর ৩টা পর্যন্ত শহরের করতোয়া নদীর বাঁধের পাড়ে উল্কাবৃষ্টি পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠন পঞ্চগড় শাখা এই ক্যাম্পের আয়োজন করে। রাত ৩টার পর আকাশে কুয়াশার পরিমাণ বাড়তে থাকায় ক্যাম্পের সমাপ্তি টানা হয়। চক্রের সদস্যরা ছাড়াও অর্ধ শতাধিক উৎসুক লোকজন এতে অংশ নেয়। পর্যবেক্ষণকারীরা ৩-৪মিনিট পর পর উল্কাপাত দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। আয়োজনকারীরা জানান, অরিওন বা কালপুরুষ তারামণ্ডল হতে উল্কাবৃষ্টি বিচ্ছুরিত হচ্ছে বলে এই উল্কাবৃষ্টির নামকরণ করা হয়েছে ‘অরিওনিড মেটিওর শাওয়ার’। পৃথিবী যে কক্ষপথটি দিয়ে যাচ্ছে সেটি ধূমকেতুর কক্ষপথ। হ্যালির ধূমকেতু থেকে উল্কাপাতটির উৎপত্তি। ধূমকেতুটির লেজের অংশের ধূলিকণাগুলোই উল্কাবৃষ্টি হয়ে আবহাওয়া মণ্ডলে দেখা যায়। বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে জ্বলে এসব উল্কাপাত আকাশেই নিঃশেষ হয়। উল্কাবৃষ্টি পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি ছিল এক কথায় অসাধারণ ও চমকপ্রদ। অনুসন্ধিৎসু চক্র সদস্য ও অন্যরা খুব আগ্রহ নিয়ে উল্কাবৃষ্টি পর্যবেক্ষণ করেছেন বলেও জানা গেছে। PANCHAGARH PIC_02-Editedসংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, আতিক, পারভেজ, রুদ্র, ফাহিম, মামুন, মাহফুজ, নির্ভিকসহ কমবেশি সকলেই ৭/৮টি করে উল্কাপাত দেখতে পান। সব মিলে ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩৫টির মত উল্কাপাত দেখা যায়সোমবার দিনগত রাতে। তবে রাত ১টা ৫০ মিনিটে যে উল্কাটির পতন দেখা যায় হয় তা ছিল ক্যাম্পে থেকে দৃশ্যমান সবচেয়ে বড় উল্কা। এর স্থায়ীত্বকাল ছিল প্রায় ৩ সেকেন্ড। উল্কাটি পশ্চিমাকাশে পড়ার সময় কিছুটা ধোঁয়াও দেখা যায়। /এসএ/একে/  

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।