দুপুর ০১:৫০ ; বুধবার ;  ২২ মে, ২০১৯  

নতুন ওষুধ আইনের খসড়া প্রস্তুত

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল॥ নতুন ওষুধ আইন-২০১৪ প্রণয়নের পরিকল্পনা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে এ আইনের একটি খসড়াও তৈরি হয়ে গেছে। এ আইনে দেশের ওষুধ প্রশাসনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং বিভিন্ন ওষুধ শিল্প কারাখানগুলোর নিয়মকানুন যাচাই-বাছাই করে দেখতে দেওয়ার অধিকার দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওষুধ পরিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজিডিএ) জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিকের নেতৃত্ব বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তারা সম্প্রতি এ আইনের একটি খসড়া প্রস্তুত করেছেন। সূত্র জানিয়েছে, এখন নতুন আইনের খসড়াটি পর্যালোচনার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক বলেন, 'এ সংক্রান্ত একটি খসড়া এরই মধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে।' তিনি জানান, দ্রুত বর্ধনশীল ওষুধ শিল্প বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে ১৯৪০ সালের ওষুধ আইনের অধীনে।  ওষুধ শিল্পে নতুন নীতিমালার প্রয়োজন করা জরুরি। বর্তমান সময়ে সেই ব্রিটিশ ‌‌‌আমলের আইন কোনও প্রভাব ফেলবে না। বিলটি সংসদে উত্থাপনে কত সময় লাগতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে মেজর জেনারেল মল্লিক বলেন, বিষয়টি এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে। খসড়া আইন তৈরির কমিটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, 'প্রস্তাবিত ওই আইনে দোকানে ওষুধ নিরাপত্তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।' তিনি জানান, বিলটি মানা হলে ডিজিডিএ কর্তৃপক্ষকে মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ডিজিডিএ'র তথ্য অনুয়ায়ী, ২০১৩ সালে ৬৫৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ভেজাল, পাচারকৃত ও মেয়াদ পার হয়ে যাওয়া ১০০ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা করা হয় ২ কোটি টাকারও বেশি। এ বিষয়ে ডিজিডিএর'র পরিচালক সেলিম বারামি দাবি করেন, 'আমরা আমাদের সবোর্চ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। নিরাপদ ওষুধ পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।' /এমআর/এসটি/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।