রাত ১১:৫২ ; সোমবার ;  ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮  

এশিয়ায় টেলিনরের ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ছে

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

টেক ডেস্ক॥

এশিয়ার ছয়টি দেশে চলতি বছরের শেষে টেলিনরের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হবে ৪৫ মিলিয়ন। ফলে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৬৪ শতাংশ।

ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ওই পর্যায়ে পৌঁছলে এশিয়ায় টেলিনর গ্রুপের ১৬০ মিলিয়ন গ্রাহকের এক তৃতীয়াংশ ইন্টারনেট ব্যবহারে সমর্থ হবে।

টেলিনর -এর মতে, এশিয়ায় বর্তমান গ্রাহকের মধ্যে ২০ শতাংশ নিয়মিত মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে। প্রতিষ্ঠানের ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ কৌশলের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিক্সড লাইনের ঘাটতি আছে এবং ডিভাইসের দাম হ্রাস পাচ্ছে এমন একটি অঞ্চলে এই গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব ও প্রবৃদ্ধি খাত করায়ত্ব করা।

টেলিনর গ্রুপের ইভিপি এবং হেড অব এশিয়া অপারেশন্স সিগভে ব্রেক্কে বলেন, এশিয়ায় ‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ লক্ষ্য অর্জনে আমরা আরও একধাপ এগিয়ে গেলাম। আমাদের লক্ষ্য উচ্চাকাঙ্খী হতে পারে, কিন্তু এশিয়ার বাজারে দীর্ঘমেয়াদে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা প্রদানে আমাদের অবস্থান দৃঢ়।

তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে মোবাইল ডাটা অর্থনৈতিক কাজে জড়িত সবার জন্যই মূল্যবান। তারাই ডাটার ব্যবসা টিকিয়ে রাখেন এবং আমাদের উদ্ভাবন, সেবা এবং সংযোগ প্রদানে সাহায্য করেন।

টেলিনরের এশিয়ার বাজার গত দুই বছরে মোবাইল ডাটার অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি এবং ব্যাপক চাহিদা দেখেছে। থাইল্যান্ডের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার ১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২ শতাংশ হয়েছে। এ চাহিদা মেটাতে ডিটাক সম্প্রতি ব্যাংককে ৩জি নেটওয়ার্কের পরিপূরক হিসেবে ৪জি চালু করেছে।

থাইল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে থ্রিজি স্পেকট্রাম পেয়েছে টেলিনর। ভারতে পেয়েছে ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে অতিরিক্ত স্পেকট্রাম। মিয়ানমারে ৯০০ মেগাহার্টজ এবং ২.১ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম পেয়েছে টেলিনর।

২০১৪ সালের শুরুর দিকে বাংলাদেশে গ্রামীণফোন টেলিনরেরে ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে সারাদেশজুড়ে থ্রিজি সেবা বিস্তার করে। এপ্রিলে পাকিস্তানে টেলিনর থ্রিজি সেবা চালুর জন্য লাইসেন্স লাভ করে এবং দেশজুড়ে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ভারতে সম্প্রতি ইউনিনর ফিচার এবং স্মার্টফোনে ইন্টারনেট সেবা চালু করেছে এবং আশা করছে এ বছরেই উভয় সেবাতে গ্রাহক সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। আগামী মাসে মিয়ানমারে টেলিনর ২জি এবং থ্রিজি সেবা চালু করতে যাচ্ছে।

গ্রাহকদের ইন্টারনেট ব্যবহার এবং চাহিদা পূরণে টেলিনর সামাজিক যোগাযোগ এবং বিনোদনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম যেমন, ফেসবুক, উইকিপিডিয়া, ওয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির সঙ্গে টেলিনর সহযোগিতা করছে এবং বিভিন্ন আর্থিক সেবা, শিক্ষা এবং সুলভ স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছে।

টেলিনর -এর ইভিপি এবং হেড অব গ্রুপ স্ট্রাটেজি অ্যান্ড ডিজিটাল হেনরিক ক্লাউসেন বলেন, এসব সেবার মাধ্যমে প্রত্যেকের জীবন বদলে যাচ্ছে যা সমাজের কাজে আসছে।

২০১৪ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত এশিয়ায় টেলিনর গ্রুপের ১৫৮ মিলিয়ন ভয়েস, টেক্সট এবং ডাটা গ্রাহক রয়েছে।

/এইচএএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।