রাত ০৯:০৮ ; বৃহস্পতিবার ;  ২০ জুন, ২০১৯  

কারচুপি বন্ধে ভ্রাম্যমাণ ক্যালিব্রেশন সেবা দেবে বিএসটিআই

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥ কারচুপি বন্ধে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে ভ্রাম্যমাণ ক্যালিব্রেশন (ওজন ও পরিমাপের যথার্থতা নিরূপন) সেবা চালু করেছে বিএসটিআই। রবিবার বিকেলে সোনারগাঁও হোটেলে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এই সেবার উদ্বোধন করেন। এতে কারিগরি সহায়তা দেবে জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো)। অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, 'ভ্রাম্যমাণ ক্যালিব্রেশন সহায়তায় দেশীয় বাজারে ওজনে কারচুপি বন্ধ করা সম্ভব হবে। ভ্রাম্যমাণ ক্যালিব্রেশন সেবা দেশীয় পণ্যের গুণগত মান সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।' দেশীয় পণ্য রফতানি প্রবৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পরীক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি, ওজন ও পরিমাপের যথার্থতা নিরূপণ এবং অ্যাক্রেডিটেশন সনদ অর্জন জরুরি বলেও মনে করেন তিনি। শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান ও বেটার কোয়ালিটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার (বিকিউআই) প্রকল্প পরিচালক লুৎফর রহমান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হান্না, শিল্প সচিব মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক ইকরামুল হক, উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী ও ইউনিডোর কারিগরি পরামর্শক ড. ফ্র্যাঞ্জ হ্যান্সবারগার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ইইউ'র অর্থায়নে এবং ইউনিডোর কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশের শিল্পখাতসহ বিভিন্নখাতের গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১০ সালে বেটার ওয়ার্ক অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস প্রোগ্রাম (বিইএসটি) গ্রহণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে শিল্পখাতে আন্তর্জাতিকমানের অবকাঠামো গড়ে তুলতে শিল্পমন্ত্রণালয় ‘বেটার কোয়ালিটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার (বিকিউআই)’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। অভ্যন্তরীণ বাজারে ওজন ও পরিমাপে কারচুপি প্রতিরোধের জন্য বিএসটিআইয়ের কাছে চারটি ভ্রাম্যমাণ ক্যালিব্রেশন ভ্যান হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশি পণ্যের রফতানির সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শনেও এটি ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য, যন্ত্রপাতির ওজন ও পরিমাপের যথার্থতা নির্ধারণ করবে বিএসটিআই। এসআই/একে

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।