সকাল ১০:৪২ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

কুমিল্লায় আ. লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থীর মামলা

প্রকাশিত:

কুমিল্লা প্রতিনিধি।।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমান ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা আদালতে পৃথক দু’টি মামলা করেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী ইমাম হোসেন পাটোয়ারীর স্বজনরা। বুধবার মামলা দুটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তপূর্বক আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদেশ দেন কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনতাসির আহমেদ।

এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাব্বির  মুকীম ও অ্যাডভোকেট মোসা. ফাহমিদা সুলতানা শিউলি।

মামলার বিবরণে জানা যায়- চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ২১ ডিসেম্বর চৌদ্দগ্রাম বাজারে বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সদস্য ইমাম হোসেন পাটোয়ারির সমর্থকরা মিছিল করার সময় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ইট পাটকেলসহ লাঠি-সোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ ব্যাপারে বিদ্রোহী প্রার্থীর চাচা বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীকে প্রধান আসামি ও তার দুই ভাই মো. সোহেল ও মোতাহার হোসেন জুমনসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ২৫০ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৫ নং আমলি আদালতে মামলা করেন।

আরেকটি মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- গত ২১ ডিসেম্বর বিদ্রোহী প্রার্থী ইমাম হোসেন পাটোয়ারীর সমর্থকরা মিছিল করার সময় আওয়ামী লীগের সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমানের সমর্থকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারে মেসার্স আক্তার হোসেন পাটোয়ারী-নামে গুদামের প্রায় ২০০ বস্তা সার,৩০ বস্তা বীজ,১৫০ বস্তা চিনি লুটপাট করে পেট্রোল বোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মধ্যম চান্দিশ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন পাটোয়ারী (৫৫) বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমানের দুই ভাই মোতাহের হোসেন জুম্মন ও মো. সোহেল মিয়াসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্যাট ৫নং আমলি আদালতে আরেকটি মামলা করেন।

/জেবি/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।