সকাল ১০:৫৭ ; রবিবার ;  ২১ এপ্রিল, ২০১৯  

খালেদা জিয়াকে লিগ্যাল নোটিশ

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টির অভিযোগে  বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী। নোটিশে সাতদিনের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়াসহ জবাব দিতে বলা হয়েছে। বুধবার খালেদা জিয়ার  বাসা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন নোটিশদাতা আইনজীবী।

এ প্রসঙ্গে মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে খালেদা জিয়া একটি বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এটা নিশ্চিতভাবেই রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক বক্তব্য। তিনি দুই দুবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাই বলে যা খুশি তা বলবেন, আইনিভাবে তাকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, মনে করা ঠিক না। এই জায়গা থেকেই খালেদা জিয়াকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি।

নোটিশদাতা আইনজীবী আরও বলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে তাকে জাতির কাছে ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চাইতে হবে। না চাইলে তার বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় ধরনের মামলা করা হবে।  নোটিশে কী আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নোটিশ হাতে পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে অযাচিত, অসাংবিধানিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার করে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

 উল্লেখ্য, গত সোমবার (২১ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ‘মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আজকে বলা হয়, এত লাখ লোক শহীদ হয়েছেন। এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।, আসলে কত লাখ লোক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। নানা বই-কেতাবে নানা রকম তথ্য আছে।’ 

বঙ্গবন্ধুর নাম উল্লেখ না করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘উনি স্বাধীনতা চাননি, চেয়েছিলেন কেবল ক্ষমতা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন’। এ প্রসঙ্গে আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন বলেন, এ ধরনের  কথা বলার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জঘন্য অপরাধ করেছেন বিধায় আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে । 

/ইউআই/এমএনএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।