সকাল ১০:৪০ ; রবিবার ;  ২১ এপ্রিল, ২০১৯  

রুয়েটের অপহৃত ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ চট্টগ্রামে উদ্ধার

প্রকাশিত:

রাজশাহী প্রতিনিধি ।।

অপহরণের ১৪দিন পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্রলীগ নেতা সাইফুজ্জামান সোহাগকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে চট্টগ্রাম মীরসরাই এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোহাগের শ্বশুর শেখ আব্দুর রহমান দুলাল বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তাকে মাইক্রোবাসে রাজশাহীতে নিয়ে আসা হচ্ছে।

সোহাগকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দুইজনের রিমান্ডের পর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সোহাগকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজপাড়া থানার সহকারী কমিশনার (এসি) এটিএম শাহীন আহম্মেদ।

সোহাগের শ্বশুর শেখ আবদুর রহমান দুলাল বলেন, কয়েকদিন আগে সোহাগের অপহরণের ঘটনায় রাজশাহী ও নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতারকৃত দুইজনের কাছ থেকে পুলিশ তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের মীরসরাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগকে উদ্ধার করে।’

এর আগে সোহাগকে অপহরণের ঘটনায় ২০ ডিসেম্বর (রবিবার) রাজপাড়া থানা পুলিশ ওই দুইজনকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ড নেয়।

এরা হলেন, ঢাকা দক্ষিণখান থানার ফাইজবাদ এলাকার রুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফারজাদুল ইসলাম মিরন (২৮) এবং রাজশাহী নগরীর নওদাপাড়া এলাকার  রুয়েটের সিভিল বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র ইসফাক ইয়াসিফ ইপু (২১)।

প্রসঙ্গত, গত ৯ ডিসেম্বর রাত তিনটায় র‌্যাবের পোশাকধারী ৬ থেকে ৭ জন ব্যক্তি রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় সোহাগের বাড়িতে যায়। র‌্যাবের পোশাক পরা দেখে বাড়ির লোকজন দরজা খুলে দিলে তারা সোহাগের ঘরে প্রবেশ করে ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনের মেমোরি কার্ডসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস চায়। সেগুলো নেওয়ার পরই তারা সোহাগকে একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে চলে যায়।

এরপর সোহাগের বাবা ও শ্বশুর র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সদর দফতর, বোয়ালিয়া থানা, ডিবি পুলিশ ও মতিহার থানায় খোঁজ নিলেও তার সন্ধান পাননি। পরে রাজপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন সোহাগের বাবা।

এ ঘটনায় ১৩ ডিসেম্বর (রবিবার) রাতে রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানায় সোহাগের বাবা আক্কাসউজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি করে। মামলায় অজ্ঞাত র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ সদস্য এবং সোহাগের সহপাঠী নাবিলাকে আসামি করা হয়।

/এআর/টিএন/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।