সকাল ১১:৩৮ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

কাঁকনহাটে বিএনপির মেয়র প্রার্থীকে নেতাকর্মীদের ‘না’

প্রকাশিত:

রাজশাহী প্রতিনিধি।। 

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজকে প্রত্যাখান করেছে দলীয় নেতাকর্মীরা। শুধু তাই নয়, সংবাদ সম্মেলন করে এই পৌরসভার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল মজিদ মাস্টারকে সমর্থন জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার বিকেলে কাঁকনহাট পৌর বিএনপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন খান মাস্টার বলেন, ‘সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক তৃণমূল নেতাকর্মীদের মত উপেক্ষা করে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করে হাফিজুর রহমান হাফিজকে মনোনয়নপত্র দেওয়ানোর ব্যবস্থা করেন। তাই হাফিজ বিএনপির প্রার্থী নয়, তিনি ব্যারিস্টার মনোনীত প্রার্থী। এ কারণে কাঁকনহাটের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হাফিজুর রহমান হাফিজের পক্ষে নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১১ সালে অল্প ভোটের ব্যবধানে তিনি (ইসমাইল হোসেন খান মাস্টার) পরাজিত হন। সেই সময় ব্যারিস্টার আমিনুল হক নির্বাচনি প্রচারণার জন্য ইসমাইল হোসেন খান মাস্টারের পক্ষে আসেননি। অথচ ব্যারিস্টার আমিনুল হক তার মনোনীত প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজের নিশ্চিত পরাজয় জেনেও তার পক্ষে প্রচারণায় এসে কাঁকনহাট বিএনপির নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। এসব কারণেই কাঁকনহাট বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজ ও ব্যারিস্টার আমিনুল হককে প্রত্যাখান করছে।’

এসময় কাঁকনহাট পৌর যুবদলের সভাপতি সেলিম আখতার খান জুয়েল বলেন, ‘ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ব্যারিস্টার মনোনীত মেয়র প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজের পরাজয় ঘটানো হবে এবং কাঁকনহাট পৌরসভার উন্নয়নের কথা ভেবে প্রতীক নয়, ব্যক্তি আবদুল মজিদ মাস্টারকে মেয়র পদে যুবদল সমর্থন জানিয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কাঁকনহাট পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এহেতেশাম হক মুক্তা, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল মজিদ, পৌর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন প্রমুখ।

এ ব্যাপরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, ‘দলের সবাই আমার পক্ষে রয়েছেন।  ভোটের দিন সবাই ধানের শীষ প্রতীকে রায় দিবেন। কিছু নেতাকর্মী ব্যক্তি আক্রোশে এগুলো করছে। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

/এফএস/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।