সন্ধ্যা ০৬:১০ ; রবিবার ;  ০৪ ডিসেম্বর, ২০১৬  

মারধরে আহত যুবকের মৃত্যু, আটক ৪

প্রকাশিত:

গাইবান্ধা প্রতিনিধি।।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় প্রতিপক্ষের মারধরে আহত মারমুর শাহ্ (২৩) মারা গেছেন। মঙ্গলবার রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার বাদিপক্ষের লোকজনের মারধরেই তিনি আহত হয়েছিলেন।

নিহত মারমুর শাহ্ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের তালুক সর্বানন্দ গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে। তিনি সাইফুল হত্যা মামলার আসামি রোস্তম আলীর ভাগ্নে।

এদিকে মারমুরের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন তালুক সর্বানন্দ গ্রামের হাজী লুৎফরের তিন ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩৫), রাশেদুল ইসলাম (২৮) ও টুলু মিয়া (২২) এবং একই গ্রামের হেকমত উল্লার ছেলে সাইদার রহমান (৫০)।

সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি মো. ইসরাইল হোসেন জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তালুক সর্বানন্দ গ্রামের হাজি লুৎফরের ছেলে সাইফুল ইসলামকে (৩৫) চলতি বছরের ১১ রমজান নিহত মারমুর শাহের মামা রোস্তম আলীসহ তার স্বজনরা পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলামের পিতা হাজী লুৎফর বাদী হয়ে পরের দিন সুন্দরগঞ্জ থানায় রোস্তম আলীসহ ১০/১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনার জের ধরে গত ১৬ ডিসেম্বর হাজি লুৎফরের ছেলে জাহিদুল, রাশেদুল, টুলুসহ ৫/৭ জন মারমুরকে তার বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তারা তাকে বেদমভাবে মারধর করেন। খবর পেয়ে আহত মারমুরকে পুলিশ উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মারা যান মারমুর।

সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি মো. ইসরাইল হোসেন জানান, মারমুর শাহ্ নিহতের ঘটনায় তার বড় ভাই মশিউর বাদি হয়ে ১৬ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরও ৫/৭ আসামি করে মঙ্গলবার সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ছাড়া যে কোনও অপ্রীতিকর অবস্থা ঠেকাতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

/এমপি/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।