রাত ১০:২৭ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৮ এপ্রিল, ২০১৯  

বিজিবি দিবস আজ

বিজিবি দেশের সবচেয়ে গতিশীল বাহিনী

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

দেশের সীমান্তর রক্ষী বাহিনী বিজিবি’র নাম বদলের পাঁচ বছর আজ। ২০১০ সালের এ দিনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নাম নিয়ে এ বাহিনী নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে। এর আগে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর এ বাহিনীর নাম ছিল বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)। বিজিবিকে দেশের সবচেয়ে গতিশীল বাহিনী হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহসহ বাহিনীর সদর দফতর পিলখানায় ইতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের পর এ বাহিনীর নাম পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের দাবি ওঠে সর্বত্র। পরে বাহিনীর নাম ও পোশাক পরিবর্তনসহ ব্যাপক সংস্কার আনা হয়। ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন-২০১০’ জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর ২০১০ সালের ২০ ডিসেম্বর নতুন নামে এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিদ্রোহীরা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

বিজিবি দিবসকে সামনে রেখে শনিবার সন্ধ্যায় বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিজিবি বর্তমানে খুবই গতিশীল একটি বাহিনী। এ বাহিনীর নিজেদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও দেশের প্রতি কমিটমেন্ট রয়েছে। এ কারণে দেশের একটি আস্থার বাহিনী হিসেবে পরিণত হয়েছে বিজিবি। আজকে দেশের যেকোনও প্রয়োজনে সেটা হরতাল-অবরোধ ও আইনশৃঙ্খলা-বিষয়ক বা সীমান্ত বিষয়ে হোক, যেকোনও ইস্যুতেই এ বাহিনী আস্থার সঙ্গে কাজ করছে।  

বিজিবি দিবসে সদর দফতর পিলখানাসহ দেশের রিজিয়ন, সেক্টর, ব্যাটালিয়ন ও ইউনিটগুলোয় ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী বিজিবি সদর দফতরে সকাল সাড়ে ৭টায় মহাপরিচালকের রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন, ‘সীমান্ত গৌরব'-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রবিবার সকালে পিলখানায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ৯টায় পিলখানায় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করবেন তিনি। সাহসিকতার জন্য ৬০ জনকে বিজিবি সদস্যকে পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে চুয়াডাঙ্গা, ঠাকুরগাঁও ও খাগড়াছড়ির জালিয়া পাড়ায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট তিনটি হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধনের ফলক উন্মোচন করবেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী বীর উত্তম খন্দকার ফজলুর রহমান মিলনায়তনে (সাবেক দরবার হল) দরবার (বৈঠক) করবেন।

এছাড়া, বিজিবি সদস্যদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ‘সীমান্ত ব্যাংক’-এর লোগো নির্বাচন ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে সীমান্ত ব্যাংকের ‘লেটার অব ইনটেন্ট’ (ব্যাংক পরিচালনার জন্য ইচ্ছাপত্র) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বিজিবি’র মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদের কাছে তুলে দিবেন।
এছাড়া, বিজিবির সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটগুলোয় আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন ও অধিনায়কদের বিশেষ দরবার অনুষ্ঠিত হবে।

/জেইউ/এমএনএইচ/আপ-এএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।