রাত ০১:৩৯ ; শুক্রবার ;  ২১ জুন, ২০১৯  

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইবি বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ।।

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনায় কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার দুপুরের এ ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ ও আরও ৫ জন আহত হয়। এ ঘটনায় আজ (শনিবার) বিকাল ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক নিয়োগ ও টেন্ডারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বশির নামে একজন গুলিবিদ্ধসহ ৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময়

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছোঁড়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও এই দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড গঠন ও ৪৪ কোটি টাকার টেন্ডারের ভাগ নিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। সেদিনও একজন গুলিবিদ্ধসহ ১০ জন আহত হয়েছিল। এরপর শনিবার সকাল থেকেই ছাত্রলীগের দু’গ্রুপ ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে। বেলা ১টার দিকে উভয় গ্রুপ মিছিল শুরু করলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় দু’গ্রুপের মধ্যে কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময়েরও ঘটনা ঘটে। এতে বশির নামে এক ছাত্রলীগ নেতা গুলিবিদ্ধসহ ৬জন নেতাকর্মী আহত হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল ছোড়ে।

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ও টেন্ডারকে কেন্দ্র করে আবারো ইবি ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সহ-সহসভাপতি মিজানুর রহমান মিজুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়ে দুই রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে আহতদের ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

/জেবি/টিএন/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।