সন্ধ্যা ০৬:০১ ; মঙ্গলবার ;  ১৫ অক্টোবর, ২০১৯  

হতাশ হয়ে ফিরে গেলেন নোয়ার মা সুফিয়া

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

অনেক আশা নিয়ে এসেছিলেন মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের লটারি অনুষ্ঠানে। সঙ্গে একমাত্র আদরের সন্ত্রান সাফিয়া সুলতানা নোয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লটারিতে না টিকে হতাশ হয়ে ফিরে গেলেন নোয়ার মা সুফিয়া খাতুন।

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের (স্কুল শাখা) প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে গতকাল রবিবার সকাল ৯টা থেকে। প্রথম দিন ছিল, ছেলে শিশুদের লটারি। আর আজ অনুষ্ঠিত হয় মেয়ে শিশুদের লটারি। কলেজ ক্যাম্পাসের উন্মুক্ত স্থানে শত শত অভিভাবকদের উপস্থিতিতে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়।

নোয়ার মা সুফিয়া খাতুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কপাল খারাপ আমার মেয়ের, লটারিতে নাম উঠলো না। এখন দেখা যাক, অন্য কোথাও ভর্তি করাতে পারি কিনা। আশায় ছিলাম এখানে মেয়ের একটা ব্যবস্থা হবে। কারণ এখানে ভর্তি হলে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়তে পারতো।’

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মারুফ আহমেদ মনসুর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা সবসময় চেষ্টা করি, যেন কেউ বাদ না পড়ে। কিন্তু অনেক সময় আমাদের কিছু করার থাকে না। এই যে অভিভাবকরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে তা আমাদের ভালো লাগে না। কিন্তু কিছু করার নেই। আসন সীমিত।’

গভর্নিং বডির আরেক সদস্য জাহিদুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘আমরা অনেক আন্দোলন করে ৪০ শতাংশ কোটা স্থানীয়দের জন্য বরাদ্দ করার ব্যবস্থা করেছি। আসলে হতাশ হয়ে লাভ নাই। কাউকে না কাউকে ফিরে যেতেই হবে। মূল সমস্যা আসন সীমিত।’

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম বলেন, ‘আমরা লটারি প্রক্রিয়াটা উন্মুক্ত করেছি। যেন কেউ এ নিয়ে আপত্তি না করে। যারা হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন তাদের বলতে চাই, হতাশ হবেন না। অন্য কোথাও চেষ্টা করুন।’

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

/এসআইএস/এসএম/এফএ/

    

  

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।