রাত ০৪:৫০ ; শনিবার ;  ২০ জুলাই, ২০১৯  

উত্তরের হাওয়ায় কাঁপছে নীলফামারী, সূর্যের দেখা নেই বগুড়ায়

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

নীলফামারী প্রতিনিধি॥

হিমালয় থেকে আসা উত্তরের হিম শীতল হাওয়ায় কাঁপছে উত্তরের জেলা নীলফামারী। দেশের অন্যান জায়গায় সেভাবে শীত অনুভূত না হলেও এরই মধ্যে রংপুর বিভাগের আট জেলার শহর ও গ্রামাঞ্চল কাঁপুনি ধরেছে শীতের। শীতল হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি নেমে গেছে। ভোর ও রাতে কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে শহর ও গ্রামাঞ্চল।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ছিল কুয়াশার চাদরে ঢাকা। এদিন সন্ধ্যার পরও ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল চারদিক। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রোদের দেখা ঠিকঠাক মেলেনি।

দুপুরের পর থেকে কনকনে হাওয়া বইতে শুরু করে। তাতে ঠাণ্ডা আরও বেড়েছে। সন্ধ্যা নামতেই ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে পড়েন এ অঞ্চলের মানুষজন। রাস্তাঘাট ফাকা হয়ে যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় নীলফামারীর তিস্তা বিধৌত ডিমলা উপজেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩  দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ১ ডিগ্রি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ঠাণ্ডা আরও বাড়বে বলে ডিমলা আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে।

এদিকে, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় গ্রামে গ্রামে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছে লোকজন। চিলাহাটি সীমান্তের গোমনাতী, কেতকীবাড়ি, আমবাড়ি, এলাকা থেকে খবর এসেছে শীতের তীব্রতায় মানুষজন নিজ নিজ বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে।

রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে তিস্তাপাড়ের পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়শিঙ্গেশ্বর এলাকার হারুন মাঝি মুঠোফোনে জানান, কনকনে শীত পড়েছে ঘর থেকে বেরোনো যাচ্ছে না।

আবহাওয়া অফিস বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবার শীতের আগমন দেরিতে হলেও এসেছে।

এদিকে রাজশাহী বিভাগের জেলা বগুড়ায় তিনদিন সূর্যের দেখা নেই। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় জেলার এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বিকেল ৩টায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

বগুড়া আবহাওয়া অধিদফতরের উচ্চ পর্যায়ের পর্যবেক্ষক মাহমুদুল ইসলাম জানান, এই অবস্থা আরও এক থেকে দুই দিন থাকতে পারে।

নিম্ন আয়ের ও ছিন্নমূল লোকজন আশ্রয়ের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। সড়কপথে দুর্ঘটনা এড়াতে চালকেরা গাড়ির ফগলাইট ব্যবহার করছেন। সরকারি এবং বেসরকারিভাবে এখনও শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়নি।

 /জেবি/এইচকে/এসটি/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।