রাত ০৯:৪১ ; মঙ্গলবার ;  ২৫ জুন, ২০১৯  

শেষ হলো দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব ইজতেমা

প্রকাশিত:

বগুড়া প্রতিনিধি।।

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বগুড়ার ধুনটে তিন দিনব্যাপী দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব ইজতেমা। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সরুগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের বিশাল ময়দানে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মুরুব্বি মাওলানা রবিউল হক।

মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থণা করা হয়। ১০ মিনিটের মোনাজাতের সময় লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির কান্না ও আমিন আমিন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে ইজতেমা প্রাঙ্গন। এর আগে ইজতেমা মাঠে যৌতুকবিহীন একটি বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

ঢাকার কাকরাইল মসজিদের তত্ত্বাবধানে গত বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয়। ইজতেমা শুরুর একদিন আগে থেকেই মুসল্লিদের ঢল নামে সেখানে। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে ইজতেমা ময়দান। প্রতিবছরের মত এবারেও সৌদিআরব, ফিলিপাইন, চাদ,মরক্কো, লেবানন, জর্ডানসহ ৮ থেকে ১০টি দেশের মুসল্লিরা এবং দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ ইজতেমায় অংশ নেন। মুসল্লিরা তিন দিন ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগি ও নবী রাসুলের তরিকাসহ ধর্মীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কোরান ও হাদিসের আলোকে ওলামায়ে একরামগণের বয়ান শোনেন।

শুক্রবার লক্ষাধিক মুসল্লি ইজতেমায় জুমার নামাজ আদায় করেন। শনিবার আখেরি মোনাজাতের দিন ইজতেমায় মুসল্লির সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। ইজতেমা ময়দানের আশপাশের বাড়িঘরে নারীরাও মোনাজাতে অংশ নিতে সমাবেত হন। আখেরি মোনাজাতের আগে সকাল ৯টা থেকে হেদায়েতের বয়ান করেন ঢাকার কাকরাইল মসজিদের মুরব্বি মাওলানা আব্দুল মতিন।

ইজতেমার আয়োজক কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব ইজতেমা আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। এই ইজতেমা শেষে মুসল্লিরা দ্বীন ও ইসলামের দাওয়াতের কাজের জন্য ৩৫টি জায়ামাত বন্দি হয়ে ঢাকার টঙ্গিতে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ গ্রহণের জন্য রওনা দিয়েছেন।

/আরএ/এসএম/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।