ভোর ০৬:১৮ ; রবিবার ;  ১৮ নভেম্বর, ২০১৮  

চরফ্যাশনে পিএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিয়ে নানা অভিযোগ

প্রকাশিত:

ভোলা প্রতিনিধি।।

ভোলার চরফ্যাশনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্রে গত বছরের মত এবারও কোড ত্রুটিসহ নানা ধরনের ঘাপলার অভিযোগ উঠেছে। লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই কাজ করেছে বলে অভিভাবকদের অভিযোগ । 

এই বছরের সদ্য সমাপ্ত সমাপনী পরীক্ষার বেশ কিছু উত্তরপত্রে কোড নাম্বার না দিয়ে অন্য উপজেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে মূল্যায়নের জন্য। আবার কিছু উত্তরপত্রের উপরের অংশ ছেঁড়া হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি ভুলবশত এটি হয়েছে।

আ. রহিম,আ. কাদের,ওবায়দুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন অভিবাবক অভিযোগ করে বলেন, চরফ্যাশন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের যোগসাজসে একটি চক্র প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর আগেও একই পদ্ধতিতে তারা উত্তরপত্র চিহ্নিত করেছেন। তারই অংশ হিসেবে ইংরেজির চারশ উত্তর পত্রে কোড নম্বর দেওয়া হয়নি এবং কোড নম্বর দেওয়া উত্তরপত্রের উপরের অংশ (ওএমআর) ছেঁড়া হয়নি। উত্তরপত্রগুলো দৌলতখান উপজেলায় আসার পর বিষয়টি জানা যায়। পরে চরফ্যাশন উপজেলা শিক্ষা অফিসার জালাল আহম্মেদসহ ওই চক্রের সদস্যরা এসে কোড নম্বর লিখে দিয়েছে এবং ওএমআর ছিঁড়ে নিয়েছে। আর এই ফাঁকে যা করার তাই করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা শিক্ষা অফিসার জালাল আহম্মদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘ এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।’

তবে দৌলতখান উপজেলার শিক্ষা অফিসার শাহাবুদ্দিন বখতিয়ার জানান,এটা হয়তো  ভুলবশত হয়েছে। পরে চরফ্যাশন উপজেলা শিক্ষা অফিসার এসে তা সংশোধন করেছেন।

জেলা শিক্ষা অফিসার সাইয়াদুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়টি সম্পর্কে আমার সঠিক জানা নাই। এটি দৌলতখান ও চরফ্যাশন শিক্ষা অফিসারের বিষয়,তাদের সঙ্গে কথা বলে নিন। ’

উল্লেখ্য গত বছর একই প্রক্রিয়ায় অর্থবাণিজ্য করতে গিয়ে ধরা পড়ার পর বিভিন্ন পত্রিকায় শিক্ষকদের উত্তরপত্র বাণিজ্য সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত সাপেক্ষে চার শিক্ষককে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে।

 /জেবি/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।