দুপুর ০১:৩৫ ; মঙ্গলবার ;  ১৩ নভেম্বর, ২০১৮  

এডিপি বাস্তবায়ন ৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে আইএমইডি প্রতিবেদন থেকে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য জানান।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আজম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হুমায়ুন খালিদ, এস এম গোলাম ফারুক, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এডিপি বাস্তবায়নের এ ধীর গতি বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রচুর বৃষ্টি থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নের হার কম ।

তিনি আরও বলেন, শতাংশের দিক থেকে বাস্তবায়ন কম। তবে, অর্থ খরচ বেশি হয়েছে। কেননা এডিপি’র আকার আগের সময়ের বড়।

তবে চলতি অর্থবছরের এডিপিতে দেওয়া বরাদ্দ সবটুকু ব্যয় করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মোট বরাদ্দের মাত্র ১৭ শতাংশ অর্থ । গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে একই সময়ে বাস্তবায়ন হয়েছিল মোট বরাদ্দের ২০ শতাংশ। এর আগের ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ছিল ১৯ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো মোট ১৬ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৮৩ কোটি সরকারি তহবিল থেকে এবং ৬৮৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বৈদেশিক সহায়তা থেকে।

গত অর্থবছরের একই সময়ে এ ব্যয় ছিল ১৬ হাজার ৮৪৩ কোটি টাকা।এর আগের অর্থবছরের তা ছিল ১৩ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা।

আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট বরাদ্দের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ১৮ শতাংশ, স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৭ শতাংশ, সেতু বিভাগ ১৩ শতাংশ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ১৪ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৭ শতাংশ অর্থ ব্যয় করেছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, অর্থবছরের পাঁচ মাসে আট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের এডিপি বাস্তায়নের হার ৫ শতাংশের কম। পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের এডিপি বাস্তবায়নের হার ১০ শতাংশের কম।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।