সকাল ০৯:৩৭ ; রবিবার ;  ১৮ নভেম্বর, ২০১৮  

খলিল উল্যাহ খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত:

বিনোদন প্রতিবেদক।।

চলচ্চিত্রের নামজাদা অভিনেতা খলিল উল্যাহ খান। রূপালি পর্দা ছাড়াও টিভি-মঞ্চ নাটকেও রেখে গেছেন অভিনয় দক্ষতা। গত বছর এই দিনে (৭ ডিসেম্বর ২০১৪) পরপারে পাড়ি জমান অভিনয় অঙ্গনের এই গুণী মানুষটি। আজ সোমবার তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী।

এ উপলক্ষে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন শৈশব মেলার উদ্যোগে আজ সেমাবার দুপুর ২টায় তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে মোহাম্মদপুর কবরস্থানে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। খলিলের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বাদ জোহর পারিবারিক উদ্যোগে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অমিত হাসান জানান, আজ সোমবার বাদ আছর এফডিসির শিল্পী সমিতির অফিসেও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের এ মাহফিলে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

শক্তিমান অভিনেতা খলিল আটশ’রও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কবরী প্রযোজিত ও আলমগীর কুমকুম পরিচালিত ‘গুন্ডা’র জন্য পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন।

খলিল অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র  কলিম শরাফী ও জহির রায়হান পরিচালিত ‘সোনার কাজল’। নায়ক হিসেবে খলিল অভিনয় করেছেন ‘প্রীত না জানে রীত’, ‘জংলী ফুল’, ‘কাজল’সহ আরও কয়েকটি চলচ্চিত্রে। এস এম পারভেজ পরিচালিত ‘বেগানা’ চলচ্চিত্রে প্রথম খলনায়ক হিসেবে খলিল অভিনয় করেন। চলচ্চিত্র পরিচালনা না করলেও দুটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছিলেন তিনি। একটি ‘সিপাহী’ অন্যটি ‘এই ঘর এই সংসার’।

খলিলের জন্ম ১৯৩৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি সিলেটে। মঞ্চ দিয়েই তার অভিনয় জীবন শুরু। ‘প্রীত না জানে রীত’ ছবির নায়ক হওয়ার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবি হলো- ‘ক্যায়সে কাহু’, ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’, ‘উলঝান’, ‘সমাপ্তি’, ‘তানসেন’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সঙ্গম’, ‘পুনম কি রাত’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘নদের চাঁদ’, সোনার কাজল’, ‘অলংকার’, ‘মাটির ঘর’, ‘কন্যা বদল’, ‘যৌতুক’, ‘আয়না’, ‘মাটির পুতুল’, ‘আওয়াজ’, ‘নবাব’, ‘সোনার চেয়ে দামি’, ‘বদলা’, ‘মেঘের পর মেঘ’, ‘আয়না’, ‘পাগলা রাজা’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘বেঈমান’, ‘আগুন’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘মধুমতি’, ‘ওয়াদা’, ‘ভাই ভাই‘, ‘বিনি সুতোর মালা’, ‘দিদার’, ‘দ্বীপকন্যা’, ‘সুখের ঘরে দুঃখের আগুন’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সুখে থাকো’, ‘অভিযান’, ‘পুনর্মিলন’, ‘কার বউ’, ‘বাপ বড় না শ্বশুর বড়’, ‘বউ কথা কও’ ইত্যাদি।

চলচ্চিত্রের পাশাপাশি খলিল টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বিটিভিতে প্রচারিত আবদুল্লাহ আল মামুনের ধারাবাহিক নাটক ‘সংশপ্তক’।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া

\এস\এমএম\

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।