রাত ০৫:৪৪ ; মঙ্গলবার ;  ১৯ নভেম্বর, ২০১৯  

আজ লালমনিরহাট মুক্ত দিবস

প্রকাশিত:

লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।

আজ (৬ ডিসেম্বর) লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে যশোর, ঝিনাইদহসহ বিভিন্ন জেলার সঙ্গে লালমনিরহাটও শত্রু মুক্ত হয়।

দিনটি উপলক্ষে আজ রবিবার সকালে লালমনিরহাট সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে। এতে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী,লালমনিরহাট সরকারি কলেজ,মজিদা খাতুন সরকারি কলেজ, বালিকা বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। লালমনিরহাট অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজাউল আলম সরকারের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা শেষে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইতিহাস মতে, ১৯৭১ সালের এই দিনে লালমনিরহাট পাক হানাদার মুক্ত হয়। ভারতীয় মিত্রবাহিনী ও বীরমুক্তিযোদ্ধারা লালমনিরহাট শহরকে পাকহানাদার মুক্ত করতে তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে আক্রমণ পরিচালনা করে। মিত্রবাহিনী ও বীরমুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমণের মুখে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তাদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশন থেকে পাক হানাদার বাহিনী,রাজাকার,আলবদর,আলশামস ও তাদের দোসর অবাঙ্গালিরা দুটি বিশেষ ট্রেনে করে রংপুর ও সৈয়দপুরে পালিয়ে যায়।

এর আগের দিন ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় লালমনিরহাট রেলওয়ে রিকশা স্ট্যান্ডে পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা গণহত্যা চালায়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী,বুদ্ধিজীবীসহ ৩৭৩ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। পরে গণহত্যায় নিহত লোকদের রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। ওই পুকুরটি এখন একটি গণকবর।

/জেবি/এসএম/

 

 

 

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।