রাত ১২:০৭ ; মঙ্গলবার ;  ১৭ জুলাই, ২০১৮  

অর্থনীতি প্রাণোদ্দীপ্ত ও শক্ত ভিতের ওপর: গভর্নর

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রাণোদ্দীপ্ত ও চাপ সামলানোর মতো শক্ত ভিতের ওপর রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকের গর্ভনর ড. আতিউর রহমান।

চট্টগ্রামে হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বুধবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জোদ্দার, নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক নির্মল চন্দ্র ভক্ত, জনতা ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আবু নাছের চৌধুরী,  প্রকল্প পরামর্শক ইকরামুল হক প্রমুখ।

গভর্নর বলেন, কয়েক দশকের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অস্থিতিশীলতা নেই। দেশের অর্থনীতি চাপ নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। বর্তমানে অর্থনীতি প্রাণোদ্দীপ্ত ও শক্ত ভিতের ওপর রয়েছে।

অতীতের যে কোন সময়ের চাইতে অর্থনীতি স্থিতিশীল জানিয়ে তিনি বলেন,‘বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট নেই এবং কমেছে সুদের হার। মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১০ দশমিক ৫৩ এবং পুঁজি পর্যাপ্ততার হার প্রায় ১১ শতাংশ।  

বিশ্বব্যাংক থেকে অর্থপ্রাপ্তির বিষয়ে তিনি বলেন,‘স্বল্পমেয়াদি ঋণে সুদ বেশি, বড় কোনো কাজে বিনিয়োগ করা যায় না। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৩০ কোটি ডলারের ঋণ তহবিল পাওয়া গেছে। এ তহবিল থেকে ৩ থেকে ৫ শতাংশ সুদে ম্যানুফেকচারিং খাতে ঋণ দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আরও ২০ কোটি ডলারের ঋণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সবুজ ও পরিবেশবান্ধবখাতে বিনিয়োগকারীরা এ থেকে অর্থ পাবেন।

বিনিয়োগ প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগ কমেছে, এমনটাই বলছেন অনেকে। আসলে বিনিয়োগ চোখে পড়ছে না। তা না হলে গত ছয় বছরে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কিভাবে হয়েছে।

ব্যাংকিং খাত বিষয়ে আতিউর রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাতকে সবচেয়ে সেরা সেবা খাতে পরিণত করার কাজ চলছে। রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলোর সকল শাখা ২০১৬ সাল নাগাদ ডিজিটালাইজড করা হবে বলে তিনি জানান।

মানব সম্পদ এবং ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে গর্ভনর বলেন, এটি হবে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এতে আর্থিক ও মূলধন বাজার খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ পাবেন।

১০ একরের ওপর স্থাপিত এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে থাকবে একটি বহুবিধ ব্যবহার উপযোগী হল, একটি বৃহৎ ও আধুনিক সম্মেলন কক্ষ, দুটি বড় ও ছয়টি ছোট সম্মেলন কক্ষ।

আরও থাকছে ২০টি শ্রেণিকক্ষ, দুটি লেকচার থিয়েটার, কর্মীদের জন্য কাজ করা স্থান, ৬৭টি ডাবল বেড ও ৩২টি সিঙ্গেল বেডের হোস্টেল কক্ষ, ২৬টি স্যুট, ৮টি ফ্যামিলি কটেজ, ২টি এক্সিকিউটিভ অ্যাপার্টমেন্ট ও স্টাফদের জন্য একটি ডরমিটরি থাকবে।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।