রাত ০৫:৫৫ ; রবিবার ;  ১৮ নভেম্বর, ২০১৮  

ছয় বছর হয়ে গেল ভোলার কোকো ট্র্যাজেডির

প্রকাশিত:

ভোলা প্রতিনিধি।।

ভোলার কোকো ট্র্যাজেডির ছয় বছর পূর্তি হলো আজ শুক্রবার। ২০০৯ সালের ২৭ নভেম্বর ঈদুল আযহার আগের রাত ১১টায় ঢাকা থেকে ভোলার লালমোহনগামী এমভি কোকো-৪ যাত্রিবাহী লঞ্চটি লালমোহনের নাজিরপুর ঘাটের কাছে ঘরমুখো হাজারো যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। ভোলার বিভিন্ন উপজেলার  শতাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। ৮৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও নিঁখোজ অনেকে। দিনটির কথা মনে করে এখনও আঁতকে ওঠেন ওই লঞ্চের যাত্রী ও স্বজনহারা মানুষেরা।

কোকো-৪ এর বেশিরভাগ যাত্রীই ছিলেন নারী ও শিশু। নিহতদের মধ্যে লালমোহন, চরফ্যাশন ও দৌলতখানের যাত্রীই ছিলেন বেশি।  দুর্ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিছু যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও এরপর উঠে আসতে থাকে একের পর এক লাশ। ধীরে ধীরে যেন লাশের মিছিলে পরিনত হয় নাজিরপুরঘাট এলাকা।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা-রুস্তম শত চেষ্টা করেও ওই লঞ্চটি উদ্ধার করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত উদ্ধার কাজ পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়। ২০০৯ সনে তেতুলিয়া নদীতে দুর্ঘটনা কবলিত তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের মালিকানাধীন এমভি কোকো-৪ লঞ্চটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে থাকার স্থান থেকে ২০১২ সনের সেপ্টেম্বর মাসে উদ্ধার করে মালিক পক্ষ নিয়ে যায়।

ওই দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো লালমোহনের আ: সাত্তার, ফুলজাহান বিবি, কবির হোসেন, বাবুল মিয়া জানান সরকারী সাহায্য পেলেও আপনজনদের হারানোর বেদনা কখনও ভোলার নয়। লঞ্চডুবির স্মৃতি এখনও তাড়িয়ে বেড়ায়। অনেকের লাশও পাওয়া না যাওয়ায় পরিবার ও আত্মীয়দের হাহুতাশ আরও বেশি। ঈদের ঠিক আগের দিন ঘটা ওই দুর্ঘটনার কথা মনে করে এখনও উৎসব উপভোগ করতে পারেন না অনেকে।  

/এফএস/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।