রাত ০৯:১০ ; বৃহস্পতিবার ;  ২০ জুন, ২০১৯  

পঞ্চগড় থেকে ভারতে আরও ১৫২ জন

প্রকাশিত:

পঞ্চগড় প্রতিনিধি।।

জন্মের নেওয়ার দুদিন পরেই জন্মস্থান ত্যাগ করল একাদশী রানী ও ভারত চন্দ্র। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার দহলা খাগড়াবাড়ি ছিটমহল ছেড়ে বাবা-মায়ের নতুন ঠিকানা ভারতের উদ্দেশে  বাংলাদেশ ছাড়েন এমন আরও ১৫০ জন। পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম আযম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সকালে দেবীগঞ্জ থেকে তৃত্বীয় দফায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভারতে যাচ্ছেন তারা। সকাল সাড়ে ৯টায় দেবীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ মাঠে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম আযম ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি রমা কান্ত গুপ্তের হাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তুলে দেন।

এরপর ভারতীয় রমা কান্ত গুপ্ত ও দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে চারটি বাস ও আটটি ট্রাকের একটি বহর নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি ডাঙ্গাপাড়া সীমান্তে রওয়ানা হয়। চিলাহাটির ডাঙ্গাপাড়া সীমান্তে আব্দুর রউফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরের দিকে হলদিবাড়ী সীমান্ত দিয়ে তারা ভারতে প্রবেশ করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ৩০টি পরিবারের ১৫০ জন নাগরিক যাওয়ার কথা থাকলেও দুই নবজাতকের জন্ম হওয়ায় দুইজন বেড়েছে। এরমধ্যে ৬৩ জন পুরুষ, মহিলা ৪৯ জন এবং ২ নবজাতকসহ শিশু ৪০ জন।

একাদশী রানীর মা মায়া রানী জানান, স্বামীর জন্যই আমাকে সবকিছু ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে। বাংলাদেশী স্কুলের শিক্ষার্থী ঝরনা হেমব্রম জানান আত্মীয়-স্বজন ও সহপাঠীদের ছেড়ে চলে যাওয়ার বেদনার কথা।

/এইচকে/এসএস/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।