সন্ধ্যা ০৭:০৬ ; রবিবার ;  ২৪ মার্চ, ২০১৯  

শুভ জন্মদিন প্রিয় হ‌ুমায়ূন আহমেদ

প্রকাশিত:

মুস্তাফিজ শফি

অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হ‌ুমায়ূন আহমেদ স্মারক গ্রন্থে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান লিখেছেন, 'কোনো লেখকই কেবল নিজের জন্য লেখেন না। দশজনের কাছে নিজেকে প্রকাশ করতে লেখেন। জনপ্রিয় হলে তার রচনা খেলো বলে গণ্য করতে হবে, এটা একটা কুসংস্কার মাত্র।' বলাই বাহুল্য হ‌ুমায়ূন আহমেদের লেখার ঢালাও সমালোচনার জবাব দিতে গিয়েই তিনি এই কথাগুলো লিখেছেন। মৃত্যুর চতুর্থ বছরে এসে হ‌ুমায়ূনের জন্মদিন উপলক্ষে (১৩ নভেম্বর) লিখতে বসে এই লেখাটির কথাই বারবার মনে পড়ছে। যখন সমালোচকরা তার লেখা ছুড়ে ফেলে দিতে তৎপর, ঠিক তখন উচ্চকণ্ঠেই বলতে ইচ্ছে করে তথাকথিত সাহিত্য সমালোচকের কলমে-কথায় না হলেও বাঙালি পাঠকের হৃদয়ে আপনি বেঁচে থাকবেন যুগ-যুগান্তর। আপনার শিকড় এতটাই শক্তিশালী যে, চাইলেই ছুড়ে ফেলে দেওয়া যাবে না আপনাকে। শুভ জন্মদিন প্রিয় হ‌ুমায়ূন আহমেদ।  

আহমদ শরীফের মতো মহীরুহ পর্যায়ের লেখক-বৃদ্ধিজীবী প্রথম বই 'নন্দিত নরকে'র ভূমিকা লিখলেও জীবদ্দশায় সাহিত্য সমালোচকদের কাছ থেকে হ‌ুমায়ূন আহমেদ তার লেখার খুব বেশি প্রশংসা পাননি। বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তার লেখার ছিদ্রান্বেষণই করা হয়েছে। সমালোচকদের  অভিযোগ হ‌ুমায়ূনের বেশির ভাগ রচনা আসলে উপন্যাস নয়, বড় গল্প। তিনি বেশি লিখেন, তাতে তার লেখার মান পড়ে যায়। তিনি অনেক বেশি জনপ্রিয়, তার মানে তার লেখায় গভীরতা নেই। তিনি কেবল গল্প বলেন, দেশ ও সমাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতা নেই, কোনও অঙ্গীকার নেই।

এর বিপরীতেই নির্লিপ্ত হ‌ুমায়ূন এগিয়ে গেছেন একের পর এক সাহিত্য সৃষ্টির মধ্য দিয়ে। এ প্রসঙ্গে একটি গল্প খুব প্রচলিত। হ‌ুমায়ূন নিজেও লিখেছেন। একবার তিনি বাংলা সাহিত্যের এক অধ্যাপককে একটি গল্প পড়তে দিয়ে মতামত জানতে চান। অধ্যাপক স্বীকার করেন গল্পটা মন্দ নয় তবে গভীরতা কম। পাণ্ডুলিপিটা পকেটে ভরতে ভরতে হ‌ুমায়ূন ওই অধ্যাপককে বলেছিলেন, 'গল্পটা মানিক বন্দোপাধ্যায়ের। আমি চরিত্রের নাম পাল্টে কপি করে দিয়েছি। মানিক বন্দোপাধ্যায়ের লেখায় যখন গভীরতার অভাব তখন আমার লেখা অগভীর হলে আমার দুঃখ নেই।'

এ বিষয়ে আমরা এখানে হ‌ুমায়ূনের আরেকটি লেখার উদাহরণ দিতে পারি। তিনি লিখেছেন, 'আমি লিখি নিজের খুশিতে। আমার লেখায় সমাজ রাজনীতি কাল মহান বোধ (!) এই অতি প্রয়োজনীয় (?) বিষয়গুলি এসেছে কি আসেনি তা নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি।'

হ‌ুমায়ূন আহমেদ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন— যেমন লেখায়, তেমন জীবনযাপনে। একদিকে অভিযোগের তীর ছুড়ে চলেছেন গম্ভীর বিদ্বানরা;  অন্যদিকে এগুলোয় ভ্রূক্ষেপ না করে তিনি লিখে গেছেন নিজের মতো করে।  প্রচণ্ড প্রাণশক্তির সঙ্গে নিজের লেখার ইতিবাচক দিক  সম্পর্কেও স্পষ্ট ধারণা ছিল তার। তাই তার যে কোনও লেখায় জীবনের উত্তাপ পাওয়া যায়, নাক সিটকে, খুঁতখুঁত করে, জীবনের প্রতি নানা বিতৃষ্ণা-অভিযোগ প্রকাশ করে বেঁচে থাকতে চাননি তিনি। সেটিও তার বেশিরভাগ লেখাতেই স্পষ্ট।

'শিল্পের জন্য শিল্প না মানুষের জন্য শিল্প'—বহুল ব্যবহৃত এই প্রশ্নটি একবার করা হয়েছিলো বিশ্বখ্যাত তুর্কি কবি নাজিম হিকমতকে। তিনি যে উত্তর দিয়েছিলেন সেটা হলো, 'সেই শিল্পই খাটি যা মানুষকে জীবন সম্পর্কে মিথ্যা ধারণা দেয় না।' যে জীবনকে নির্মান করে গেছেন হ‌ুমায়ূন আহমেদ সে জীবনকে অবলোকন করতে পারেননি আমাদের সমালোচকরা। সময় আসবে, যখন হ‌ুমায়ূন আহমেদের বহুমুখী প্রতিভার প্রতিটা দিক নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ হবে। তিনি আছেন, ভালো করেই আছেন। বাংলা সাহিত্যে তার তৈরি করে যাওয়া শক্ত ভিত খুব সহজে নাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। একজন লেখককে অমর হয়ে থাকার জন্য কয়টি কালোত্তীর্ণ বইয়ের রচনা করতে হয়? হ‌ুমায়ূন আহমেদের যে বিশাল রচনা সম্ভার তার মধ্য থেকে কালোত্তীর্ণ হওয়ার যোগ্যতা বা দাবি রাখে এ রকম রচনার সংখ্যাও তো অনেকের চেয়ে বেশি। বাঙালি পাঠক কিভাবে ভুলবে 'জোস্না ও জননীর গল্প'কে, ‌'মধ্যাহ্ন', 'নন্দিত নরকে', ‌'শঙ্খনীল কারাগার', 'নির্বাসন' কিংবা '১৯৭১' কে? আর তার ছোট গল্প? হিমু কিংবা মিছির আলী এই চরিত্রগুলোও কি খুব সহজে হারিয়ে যাবে কালের অন্তরালে? হ‌ুমায়ূন আহমেদের রচনা সম্ভার যে কত বিচিত্রমুখী সে খবর আসলে আমাদের সমালোচকরা রাখেনই না।        

হ‌ুমায়ূন আহমেদ বার-বারই রচনা করেছেন বৃষ্টির বন্দনা। প্রিয় জ্যোৎস্নাকে নিয়ে গেছেন অন্য মহিমায়। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই জোৎস্না নয়, তাকে টেনে নিয়ে গেছে অমাবস্যার ঘোর অন্ধকার। হ‌ুমায়ূনের অভাব আমরা এই ক'বছরেই অনুভব করতে শুরু করেছি। তার মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যের আকাশে নেমেছে যে ঘোর অন্ধকার তা কাটবে কবে;  আমরা জানি না,  আর কত বছর বা যুগ পরে বাংলা সাহিত্য আরেকজন হ‌ুমায়ূন পাবে তাও নিশ্চিত নয়।

৪০ বছরের বেশি সময় আগে হ‌ুমায়ূনের হাত ধরে বাংলা সাহিত্য এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছিল। কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি পাওয়ার আগেই নন্দিত নরকের সেই শুরুতে তার কলমে আমরা পেয়েছিলাম অন্যরকম এক কবিতায়িত উচ্চারণ—‘দিতে পারো একশ ফানুস এনে/ আজন্ম সলজ্জ সাধ/ আকাশে কিছু ফানুশ উড়াই... ।‘  রবীন্দ্রনাথ থেকে জীবনানন্দ—বাংলার কবিদের নতুন করে ধারণ করেছিলেন তিনি। আবিষ্কার করেছিলেন কবিতার মতোই গতিশীল এক গদ্যভাষা। হাছন রাজা,  উকিল মুন্সিদের মতো গীতিকবিদের সৃষ্টি সম্ভারও নতুন মাত্রা পেয়েছে তার হাত ধরে। হ‌ুমায়ূন নিজেও লিখেছেন অসাধারণ কিছু গান।   

আমাদের পরিচিত জগতটার পাশাপাশি লেখালেখি দিয়ে রীতিমতো ভিন্ন আরেক জগত নির্মাণ করেছেন তিনি। সে জগতের ভাষা ভিন্ন,  তার চরিত্রগুলোর মধ্যকার যোগাযোগও অন্যরকম। আমাদের পরিচিত বিষয়-আশয় এবং অভিজ্ঞতাগুলোকে নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে উপস্থাপন করেছেন পাঠকের সামনে। অদ্ভুত এক জাদুময়তায় বাঁধা সে জগতের সবকিছু। মোহগ্রস্ত হয়ে লাখ লাখ মানুষ পড়েছে হ‌ুমায়ূনকে, তার চিত্রিত চরিত্রগুলোকে। কখনও কখনও হয়তো এই  মোহ কেটে যেতে সময় লাগেনি। আবার অনেক ক্ষেত্রে তার লেখা জীবনব্যাপী গভীর বিশ্বাসও সৃষ্টি করেছে কারও কারও মনে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নতুন ভাবে তিনি উপস্থাপন করে গেছেন পাঠকদের সামনে।

১৯৭২ সালে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ 'নন্দিত নরকে' থেকে  শুরু করে সর্বশেষ 'নিউইয়র্কের আকাশে ঝকঝকে রোদ' কিংবা 'দেয়াল' (২০১২), তিন শতাধিক গ্রন্থ, সংকলন রয়েছে আরও অর্ধশতাধিক। মনে কোনও রাগ-অনুরাগ না রেখে নিবিষ্টভাবে হ‌ুমায়ূন পাঠ করলে দেখা মেলে এমন এক লেখকের যিনি জীবন সম্পর্কে গভীরভাবে ভাবেন,  জীবনের অন্বিষ্ট খোঁজেন,  মানুষের চরিত্রের আলো-অন্ধকার সম্পর্কে যার ধারণা স্পষ্ট,  মানুষের জীবনযাপনকে যিনি অসীম মমতা ও ভালোবাসায় নিজের কলমে ধারণ করেন।

মানুষ মরণশীল, এই চিরসত্য আজ পর্যন্ত লঙ্ঘিত হয়নি। জীবন যখন থাকবে, তার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুও থাকবে। কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা মৃত্যুকে জয় করে নিয়েছেন। হ‌ুমায়ূন আহমেদ সেই মানুষদের একজন,  দেহত্যাগ করে অন্যভুবনে পাড়ি জমালেও যিনি ইতিমধ্যে মৃত্যুকে জয় করে নিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের নতুন যুগটাই যেন শুরু হয়েছিল তার মাধ্যমে। বাংলা একাডেমির অমর একুশে বইমেলার জমজমাট আয়োজনের পেছনেও প্রতিবছর তার অবদান থাকত। জনপ্রিয়তার নতুন ভিন্ন এক মাত্রা,  নতুন এক উদাহরণ হয়ে আছেন তিনি। তিনি দেখিয়ে গেছেন কিভাবে পাঠক তৈরি করতে হয়। এই অভূতপূর্ব ক্ষমতা সবার থাকে না। নাটক চলচ্চিত্রে জনপ্রিয়তার এমন অবিস্মরণীয় ইতিহাসও তার আগে সৃষ্টি করতে পারেনি কেউ। গল্প,  উপন্যাস,  নাটক,  চলচ্চিত্রে নিজের মতো একটা পৃথিবী বানিয়ে,  অদৃশ্য এক বাঁশি বাজিয়ে লোক গল্পের সেই হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো সবাইকে সেদিকে ধাবিত করতেন তিনি।

তার ক্ষমতার নানামুখী মাত্রা আমরা দেখেছি। তার 'কোথাও কেউ নেই'  নাটকের বাকের ভাইয়ের ফাঁসি যেন  না হয় সেজন্য মানুষ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। একটি চরিত্র গণমানুষের মনে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এটা হ‌ুমায়ূনের  কাছ থেকেই শিখতে হয়। তার নাটকে টিয়াপাখির মুখের সংলাপ 'তুই রাজাকার' ঘুরেছে মানষের মুখে মুখে। সমকালীন অনেক অসঙ্গতির  বিরুদ্ধেও তিনি কলম ধরেছেন। ভাবা যায়, 'হলুদ হিমু কালো র‌্যাব' হ‌ুমায়ূন  আহমেদেরই লেখা যাকে আমরা আগেই দেশ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ নন বলে ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করে ফেলেছি।   

তিনি সমাজকে অবলোকন করেছেন; প্রভাবিতও করেছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে। তার লেখার এক বিরাট প্রভাব রয়েছে তরুণ প্রজন্মের ওপর। আজকের তরুণ-তরুণীরা যেভাবে বাঁচতে চায়, যেভাবে জীবনকে দেখতে চায়, জীবনের পথে চলতে চায়, তাদের উচ্চারণ, তাদের পারস্পরিক সম্পর্কজ্ঞান—এ সবের ওপরই হ‌ুমায়ূনের একটা প্রভাব আছে। কত বিচিত্র দিকে ধাবিত ছিল তার সৃজনশীল মন। ভাবতে ভাল লাগে আমরা হ‌ুমায়ূন আহমেদের কালে বেড়ে উঠেছি। তিনি আমাদের বেড়ে উঠার কালটাকে আনন্দময় করেছেন। তিনি আমাদের মন ও রুচি গড়েছেন। আমাদের গদ্যভাষা তৈরিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছেন।

তার মতো লেখক খুব কমই আছেন সমগ্র বাংলা সাহিত্যে। তিনি পাঠাভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন আমাদের। বাংলাদেশের সাহিত্যের দিকে, বাংলাদেশের লেখার দিকে তিনি তরুণদের ফিরিয়ে এনেছেন। নাটক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের বিমোহিত করেছেন। তার তুলনা শুধু তিনিই।

উভয় বাংলার জনপ্রিয় লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, হ‌ুমায়ূনের জনপ্রিয়তা শরৎচন্দ্রকেও ছাড়িয়ে গেছে। আর সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক বলেন, কালের যাত্রায় হ‌ুমায়ূনের বিপুল রচনার অনেকটাই হয়তো ঝরে যাবে, অনেক লেখাই আমাদের দৃষ্টির গহ্বরে তলিয়ে যাবে; তবে হ‌ুমায়ূন আহমেদ আমাদের সাহিত্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দীর্ঘ জীবন লাভ করবেন তার ছোটগল্পের জন্য। তার কিছু ছোটগল্প বাংলা সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে তো বটেই, সমগ্র বিশ্বসাহিত্যের পরিপ্রেক্ষিতেও অসাধারণ। জীবনের ছবি তিনি এঁকেছেন অনবদ্যভাবে।

মানুষের আয়ুর একটি সীমা আছে। নিয়তি নির্ধারিত সেই সীমায় আমাদের সবাইকে থামতে হয়, থামতে হবে। তিনিও থেমেছেন। তবে তার সৃষ্টি সম্ভারই তার মৃত্যুকে নিশ্চিতভাবে ম্লান করে দিয়ে আগামীতে তাকে বাঁচিয়ে রাখবে। আজকের যে নতুন লিখিয়ে, তিনি জানবেন, বাংলাদেশের মতো দেশেও কেবল লিখেই একজন মানুষ তার অনেক স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। তার উদাহারণ হ‌ুমায়ূন আহমেদ। তিনি ঘুমিয়ে আছেন তার প্রিয় নুহাশ পল্লীর বিস্তীর্ণ সবুজ প্রান্তরে। সেখানে আকাশ ভেঙে জোৎস্নার জোয়ার আসবে। বছর ঘুরে ঝরবে শ্রাবণের ঘোর জলধারা।  প্রখর সূর্যালোক তাকে ঘিরে রাখবে কখনও কখনও, আবার কখনও কখনও সুনসান নীরবতা ঘিরে রাখবে তাকে তার নিজের মতো;  যেমনটি সারাজীবন চেয়েছেন তিনি।  আর লেখক পাঠকরা তাকে নিয়ে কত কিছুই না করে যাবে। বছর থেকে বছর, যুগ থেকে যুগ। হ‌ুমায়ূন বেঁচে থাকবেন তার লেখা ও সৃষ্টি সম্ভারে।

লেখক: কবি ও সাংবাদিক। নির্বাহী সম্পাদক- দৈনিক সমকাল।

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।