দুপুর ০২:৪১ ; মঙ্গলবার ;  ১২ নভেম্বর, ২০১৯  

পাটের বস্তা মজুদের বিষয় মনিটরিং করা হবে: মির্জা আজম

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০  বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চাহিদা অনুযায়ী পাটের বস্তা সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতমিন্ত্রী মির্জা আজম। তিনি বলেন,  এর পাশপাশি বস্তা মজুদ করার হচ্ছে কি না, তাও মনিটরিং করা হবে। এ জন্য ইতোমধ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দফতর বা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে  এ সংক্রান্ত প্রস্তুতি ও পর্যালোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

মির্জা আজম বলেন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে  অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সময়ে পর্যাপ্ত মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ওই সময়ে মনিটরিংয়ের মাধ্যমে, ব্যবসায়ীরা ঠিকমত পাটের বস্তা পাচ্ছেন কি না, কোথাও ঘাটতি দেখা দিচ্ছে কিনা এবং কোথাও পাটের বস্তা মজুদ হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখা হবে।

মির্জা আজম বলেন, পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবিরোধী প্লাস্টিক এবং পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাটের অতীত গৌরব ফিরিয়ে এনে পরিবেশবান্ধব দেশ গড়তে হবে। ইতোমধ্যে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ এর বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ আইন সুষ্ঠু বাস্তবায়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, সারাদেশে পাটের বস্তা সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং এ আইন বাস্তবায়নে প্রধান ভূমিকা পালন করবে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি)।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, বিজেএমসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল হুমায়ূন খালেদ (অব.), পাট অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মুয়াজ্জেম হোসাইন, বিজেএমএ’র সভাপতি সামস্ উজ জোহাসহ প্রমুখ।

/এসআই/এমএনএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।