দুপুর ০৩:২৩ ; মঙ্গলবার ;  ১২ নভেম্বর, ২০১৯  

টিকফা বৈঠকের পর জিএসপি ফিরে পাবার আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

আগামী ২৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে টিকফা বিষয়ক সভার পর বাংলাদেশ সে দেশের বাজারে স্থগিতকৃত জিএসপি ফিরে পাবার আশা করছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের শিল্প কারখানাগুলো আন্তর্জাতিক মানের ও নিরাপদ। শ্রম আইন সংশোধনের মাধ্যমে কারখানার শ্রমিক কর্মচারিদের অধিকার, কাজের পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাটের নেতৃত্বে  প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সব কথা বলেন।

বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পররাষ্ট্র ও শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মোট পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল টিকফার মিটিংএ অংশ গ্রহণ করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই টিকফা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। টিকফার আসন্ন সভায় বাংলাদেশ স্থগিতকৃত জিএসপি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাবে। বাংলাদেশ আশা করছে জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনও আপত্তি থাকবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ অনেক রাষ্ট্রদূত ইতোমধ্যে বিভিন্ন তৈরী পোশাক কারখানা পরিদর্শন করেছেন। সকলেই কারখানার নিরাপদ পরিবেশ, শ্রমিকদের অধিকার ও সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় সন্তোশ প্রকাশ করেছেন। জিএসপি ফিরে পেতে আর কোনও বাধা থাকার কারন নেই।

জিএসপি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট বলেন, রাজনৈতিক কারণে জিএসপি স্থগিত করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র চায় পোশাক শ্রমিকরা আরও নিরাপদ এবং উন্নত পরিবেশে কাজ করুক। আমি কিছু কারখানা ঘুরে দেখেছি। শ্রমিকরা সুন্দর পরিবেশে কাজ করছে। তবে, জিএসপি ফিরে আরও কিছু শর্ত পূরণ করতে হতে পারে।

তোফায়েল আহমেদ বিশ^ বাণিজ্য সংস্থায় স্বল্প উন্নত দেশ সমুহের (এলডিসি)ট্রিপস চুক্তির মেয়াদ সতের বছর বৃদ্ধির বিষয়ে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রেকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান বাণিজ্য সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টিপিপি স্বাক্ষরের ফলে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যের কোনও ক্ষতি হবে না। ১২টি দেশের মধ্যে বেশিরভাগ দেশের কাছ থেকে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে আসছে। বাংলাদেশের সঙ্গেও টিপিপি স্বাক্ষরের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানানো হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত সচিব অমিতাভ চক্রবর্তী, জহিরউদ্দিন আহমেদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

/এসআই/ এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।