সন্ধ্যা ০৭:০৬ ; রবিবার ;  ২৪ মার্চ, ২০১৯  

সরকার এখন কী করতে পারে

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

হাসান মামুন॥

দুটি শিশু হত্যার দেশ কাঁপানো ঘটনায় দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হয়েছে আদালতে। একই দিনে অভিন্ন প্রকৃতির দুটি মামলায় রায় ঘোষণাও তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এ থেকে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না যে, আলোড়ন সৃষ্টিকারী সব ঘটনারই দ্রুত নিষ্পত্তি হতে চলেছে।

দেশ কাঁপানো আরও কিছু ঘটনা রয়েছে, যেগুলো মানুষের রাজনৈতিক নিরাপত্তাবোধে আঘাত হেনেছে। পরপর দুই নিরীহ বিদেশি-নাগরিক হত্যার ঘটনা এখানে উল্লেখ করা যায়। ওই ঘটনার পর বেশ কিছুদিন চলে গেলেও তদন্তে উল্লেখযোগ্য কোনও অগ্রগতি নেই। একটি ঘটনায় কিছু ধরপাকড় হলেও তা হয়ে রয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ। অন্যটিতে এ নিবন্ধ লেখা পর্যন্ত অপরাধীদের শনাক্তই করা যায়নি।

এর মধ্যে পুরনো ধারায় একাধিক খুনের ঘটনা রয়েছে। সেগুলোকে 'বিচ্ছিন্ন' বলার সুযোগ নেই। ধারাবাহিকভাবেই এগুলো ঘটছে বা ঘটানো হচ্ছে। এর আগে থেকে আবার চেকপোস্টে বেপরোয়া হামলা চালানো হচ্ছে অপ্রস্তুত পুলিশের ওপর। এরই মধ্যে আশুরায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতিকালে দেশে তৈরি গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ঘটানো হয়েছে হত্যাকাণ্ড।

বিভক্ত জনমতের দেশে এসব ঘটনাকে কে কীভাবে নেবে, তা অবশ্য বলা মুশকিল। সরকারের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে যা বলা হচ্ছে, তাতে জনগণের কত শতাংশের মত প্রতিফলিত হচ্ছে, সে প্রশ্ন রয়েছে। সাধারণভাবে এ ধরনের ঘটনা মোকাবেলায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা বা অক্ষমতার অভিযোগ কিন্তু রয়েছে সরকার-সমর্থকদের মধ্যেও।

সরকার বলার চেষ্টা করছে, এ সমস্ত ঘটনাই 'একটি মহল' থেকে পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হচ্ছে। তদন্তের আগেই বা সেটা চলাকালে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে কোনও পক্ষ বা কাউকে দায়ী করার বিরুদ্ধে জনমত রয়েছে স্বভাবতই। তার মধ্যেই কখনও-কখনও স্পষ্টভাবে দায়ী করা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতকে; আরও নির্দিষ্ট করে বললে, খালেদা জিয়া ও তার প্রবাসে অবস্থানরত ছেলেকে।

খালেদা জিয়াও এখন লন্ডনে অবস্থান করছেন। দ্রুত ফিরছেন না কেন—এনিয়ে রয়েছে জল্পনা। এ বিষয়ে টকশোও আয়োজিত হতে দেখেছি। বিএনপির এক শীর্ষ নেতা এর মধ্যে দল ও রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। দলটির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কিছু বক্তব্য রেখেছেন তিনি। তাতে এ ধারণা আরও পোক্ত হয় যে, দেশের অন্যতম বৃহৎ এ দলে অদৃষ্টপূর্ব সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।

এ অবস্থায় খালেদা জিয়া যে 'জাতীয় সংলাপের প্রস্তাব' দিচ্ছেন, তা সরকারের দিক থেকে উড়িয়ে দেওয়াই স্বাভাবিক। তিনিও মনে হয় জানেন, সরকার কী প্রতিক্রিয়া দেখাবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশে যে 'কম্বিং অপারেশন' চলছে, তাতেও বিএনপি-জামায়াতের লোকজন ধরা পড়ছে বেশি। এরা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটিয়ে থাকলেও এ থেকে সৃষ্ট প্রশাসনিক চাপ যাচ্ছে তাদের ওপর দিয়ে।

বিএনপি এখন কী করবে, এ  নিয়ে তারাও সুস্থিরভাবে চিন্তা করতে পারছে বলে মনে হয় না। এদিকে, সরকার পারছে না আইনশৃঙ্খলার নতুন ধরনের অবনতি রোধ করতে। সাধারণভাবে অবস্থাটা কেমন, সেটি জিজ্ঞেস করলে কিছু তথ্য অবশ্য দিয়ে দেবে পুলিশ। সেটা হয়তো দেখাবে, সাধারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো বা আগের মতোই। তবে তারাও অস্বীকার করবে না যে, সুপরিকল্পিতভাবে ঘটানো কিছু অপঘটনায় মানুষের নিরাপত্তাবোধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিজেদের ওপর আঘাত আসা এবং সেটা ঠিকমতো মোকাবেলা করতে না পারায় পুলিশ নিজেরাও বোধ হয় একটু বিব্রত। পুলিশের প্রতি জনসাধারণের ব্যাপক সহানুভূতি রয়েছে, এমন তো নয়। তবে এদের ওপর বেপরোয়া উপর্যুপরি হামলার ঘটনায় তারা নিশ্চয়ই চিন্তিত। পুলিশ কাম্য নিরাপত্তা দিচ্ছে না বটে; কিন্তু ওইসব ঘটনায় তার মনোবলে ধস নামলে জনসাধারণকে নিরাপত্তা দেবে কে?

অপরাধের ধরন দ্রুত বদলাতে থাকলেও আমাদের পুলিশ বদলাচ্ছে না। এতে সংস্কারের কথাবার্তাও থেমে গেছে মনে হয়। তার বদলে বেশি করে পাওয়া যাচ্ছে পুলিশে দুর্নীতিগ্রস্ত নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির খবর। এর সুযোগ বেড়ে যাওয়ায় ঘোরতর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, এমনকি জঙ্গিরা পুলিশে ঢুকে পড়েছে কি না, সে প্রশ্ন আজকাল তুলতে দেখছি সরকার সমর্থকদেরও। এদের মধ্যে যারা রাজনৈতিক বোধবুদ্ধিসম্পন্ন, তারা দৃশ্যতই চিন্তিত।

ক্ষমতাসীন দল ও এর অঙ্গ সংগঠনে জামায়াতের লোকজন ঢুকে পড়ছে। মামলা থেকে রেহাই পেতেও তারা এমনটি করছে বলে শোনা যায়। এতে একটা বার্তা রয়েছে যে, তারাও বুঝতে পারছে, সরকার সহজে যাচ্ছে না। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দেশে-বিদেশে প্রশ্ন রয়েছে তো কী হয়েছে, সরকার দাপটের সঙ্গেই চালাচ্ছে দেশ। এটা ক্ষমতাসীনদের মতো বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাও ভালো বুঝতে পারছেন।

ভালো হতো, রাজনীতির এ বিশেষ অবস্থায় সরকার যদি দাপটের বদলে দক্ষতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করতে পারত। সার্বিকভাবে অদক্ষ তাকে বলা চলে না; বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সরকারের অদক্ষতা অস্বীকারও করা যাবে না। পশ্চিমা গণতান্ত্রিক দেশ ও মহলগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে না পারা তার একটি। এরই মধ্যে দুজন বিদেশি-নাগরিক একে একে খুন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সরকারের সঙ্গে সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হলো।

বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্ভাবনাময় আর এর ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলেই এখানে অব্যাহতভাবে ব্যবসা হতে থাকবে, বিষয়টি এত সরলরৈখিক নয়। জননিরাপত্তা বিপন্ন হয়ে পড়লে দেশি বিনিয়োগও হ্রাস পাবে। বিশ্বের বৌদ্ধ পর্যটকদের বাংলাদেশে বিশেষভাবে আকর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। এ ধারায় একটি সম্মেলনও রাজধানীতে হয়ে গেল সম্প্রতি। কিন্তু দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি তো আগেকার আস্থাটুকুও ধরে রাখতে পারছে না।

বিএনপি ও দলটির সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের দিক থেকে বলার চেষ্টা রয়েছে যে, সঠিকভাবে নির্বাচিত সরকার নেই বলেই এসব ঘটছে। দেশে যখন তারা লাগাতার সহিংস অবরোধ চালাচ্ছিলেন নির্বিকারভাবে, তখনও এমন তত্ত্ব হাজির করা হচ্ছিল। প্রকৃতপক্ষে এতে কোনও সারবস্তু নেই। সঠিকভাবে নির্বাচিত সরকারের আমলেও জননিরাপত্তা বিপন্ন হতে দেখেছি আমরা এবং সেটি তাদেরই আমলে। চাপে পড়ে তারা অবশ্য শেষদিকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন ব্যবহারে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন।

তেমন উদ্যোগ বর্তমান সরকারও নেবে না বা নিতে পারবে না, তা নয়। মৌলবাদী বা জঙ্গি আদর্শে বিশ্বাসী কোনও দল কিংবা গোষ্ঠী তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নেই বলে এবং তার সমর্থকগোষ্ঠী সাধারণভাবে জঙ্গিবিরোধী বলে বর্তমান সরকারের পক্ষে এমন অবস্থান নেওয়াটা বরং অপেক্ষাকৃত সহজ। সে ক্ষেত্রে অবশ্য প্রশাসনকে কারও মুখের দিকে না তাকিয়ে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। সঠিক রাজনৈতিক বার্তা পেলে অদক্ষ প্রশাসনও কী করতে পারে, সেটা আমরা আগেও দেখেছি।

অদক্ষ প্রশাসন এর মধ্যে আরও অদক্ষ হয়ে পড়েছে কি না, সে প্রশ্ন অবশ্য রয়ে গেছে। এ কারণেই কিন্তু অব্যাহতভাবে দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়ে থাকে। সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সচল রাখতে বলা হয়। তাতে রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলেও প্রতিষ্ঠানগুলো মিলে তা 'অ্যাড্রেস' করতে পারে। ভারতে এটি বারবার ঘটতে দেখছি। কেন্দ্র ও রাজ্য পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও একটা মান ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছেন তারা। নইলে এক পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি তৎপরতায়ই দেশটি বিপন্ন হয়ে পড়ত।

সরকার এটা বুঝলে ভালো যে, সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনাই তার শক্তির উৎস হবে। দেশটা ঠিকমতো চালাতে পারলে এর মধ্য দিয়ে জনসমর্থন বাড়িয়ে একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকেও যেতে পারত তারা। সেটি হতো তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি এক মোক্ষম জবাব। সেদিকে যে তারা যাবেন না, তা সরকার পক্ষীয়দের কথাবার্তায় স্পষ্ট। গণতন্ত্রের বদলে উন্নয়ন যে কখনও-কখনও জরুরি হয়ে ওঠে, সেটাও তারা দেখি জোরেসোর বলছে। কিন্তু বাংলাদেশ তো মালয়েশিয়া হবে না।

প্রথমত, বিপুল জনসংখ্যার কারণেই সেটি সম্ভব নয়। ওইসব দেশ বিশেষ ঐতিহাসিক সুযোগও পেয়েছিল। গণতন্ত্রহীনতা বা সীমাবদ্ধ গণতন্ত্রকে নিজেদের ঐতিহ্যও করে নিয়েছিল এমন কিছু দেশ। বাংলাদেশ এ ধারা থেকে পরিষ্কারভাবে পৃথক। এখানে আকাঙ্ক্ষা বরং নির্বাচনকেন্দ্রিক গণতন্ত্রটিকে কিছুটা হলেও অর্থবহ করে তোলার। ওয়ান-ইলেভেনের পর এ ধরনের উদ্যোগগুলোয় জনগণ কিন্তু সাড়া দিয়েছিল। সংস্কার প্রস্তাবে তারা হয়ে উঠেছিল আশাবাদী।

এও তো দেখা গেছে, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের পর আমাদের অর্থনীতিতে এসেছে গতিশীলতা। সাধারণভাবে সেটি কিন্তু অব্যাহত রয়েছে সরকার নির্বিশেষে। এর মধ্যে বর্তমানে ক্ষমতাসীনরা আবার দাবি করছেন, তাদের বিশেষ সাফল্য। এর প্রতি জনগণের এক বড় অংশ এবং বিশ্বসম্প্রদায়েরও স্বীকৃতি রয়েছে। বাংলাদেশের আগেকার বিদেশি সাহায্য-নির্ভরতা আর নেই। পদ্মা সেতু অবশেষে নির্মিত হচ্ছে নিজস্ব অর্থায়নে। এটি হয়ে গেলে প্রবৃদ্ধির পালে হাওয়া লাগবে আরও বেশি করে। কিন্তু তাতে গণতন্ত্রের দাবি নাকচ হবে না।

অবশ্য সেটি কিছুটা পরে প্রতিষ্ঠিত হলেও চলবে। কিন্তু সরকারকে অবিলম্বে প্রশাসনকে কাজে লাগাতে হবে জনমনে নিরাপত্তাবোধ তৈরিতে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থেকে এসব ঘটানো হয়ে থাকতে পারে না, তা নয়। বেপরোয়া আন্দোলনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ কিংবা একটি বিচারের আয়োজন ভণ্ডুল করার ফ্যান্টাসিতে ভোগা লোকজনও এসবে যুক্ত হতে পড়তে পারে। এদের পেছনে এসে জুটতে পারে বিশ্বের এক বা একাধিক অপশক্তিও। কিন্তু সরকারকে এসব অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে। বারবার করে কেবল মুখে বলাটা তার সমর্থকদের মধ্যেও বাড়াচ্ছে হতাশা।

এদিকে, নানা রকম ষড়যন্ত্র তত্ত্ব রয়েছে বাজারে এবং সরকারের অবস্থানের কারণেও এগুলো অব্যাহতভাবে বাতাস পাচ্ছে। তার ভাবমূর্তি এতে ভালো হচ্ছে না। সরকারের সক্ষমতা তো বটেই, সদিচ্ছা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে এমনকি তার সমর্থকদের মধ্যে। পরিস্থিতিটা বিভ্রান্তিকর। সরকারের জনভিত্তি কতটা রয়েছে, তার বদলে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির অস্বচ্ছতাই এক্ষেত্রে মূল সমস্যা মনে হয়।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তো হচ্ছেই; নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশও  নাকি আমরা হয়ে গেছি। কিন্তু রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে কেমন বাংলাদেশ চাই, সে প্রশ্নে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারকে মনে হচ্ছে বিভ্রান্ত। এটি একদিনে তৈরি হয়েছে বলা যাবে না। একটি পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের জন্য সংগ্রামের বদলে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল ও তাতে টিকে থাকার চেষ্টাই হয়তো আছে এর নেপথ্যে।

সুনির্দিষ্টভাবে কিছু ক্ষেত্রে স্পষ্ট, আন্তরিক ও জোরালো অবস্থান গ্রহণ এক্ষেত্রে সরকারের জন্য সহায়ক হতে পারে। তার মধ্যে ঐতিহাসিক কিছু পরিবর্তন যদি ঘটে গিয়েও থাকে, সেটি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। সেটা তাকে দুর্বল নয়, বরং শক্তিশালী করবে। প্রশাসনকে কব্জায় নিয়ে ফেলেছে সরকার অনেক আগেই আর ক্ষমতাসীন দল রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। বিএনপি-জামায়াত দৃশ্যতই দিশেহারা। এ অবস্থায় জনমনে নিরাপত্তাবোধ ফিরে এলেই সেটা বিবেচিত হবে বড় অগ্রগতি বলে।

বাংলাদেশ মালয়েশিয়া না হলেও চলবে; কিন্তু এটি যেন পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের দিকে যাত্রা না করে।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।