রাত ০৫:৫৬ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

বাবুল হত্যা তদন্তে অগ্রগতি নেই এক বছরেও

প্রকাশিত:

ফেনী প্রতিনিধি।।

ফেনীর কসকা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী শেখ বাহাদুর বাবুল হত্যায় জড়িতদের সম্পর্কে পুলিশের কাছে ‘চাঞ্চল্যকর তথ্য থাকার পরও’ এক বছরে মামলাটির তদন্তে কোনও অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার আদৌ হবে কিনা এ নিয়ে এখন সন্দেহ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার এস আই মো. জামশেদুল আলম বলেন, ‘মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই চার্জশিট দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ায় সব আসামি এখনও গ্রেফতার হয়নি।’

এদিকে, নিহতের পরিবারসূত্রে জানা যায়, ৯ এপ্রিল বনিটো কমিউনিকেশনের বিকাশ করা তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত রাব্বি আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে বাবুল হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে।এরপর ওই মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু, রহস্যজনক কারণে হঠাৎ করেই তদন্ত কাজ থমকে যায়।

মামলার বাদী ও নিহত ব্যবসায়ীর বোন রাশেদা আক্তার জানান, তদন্তকারী কর্মকর্তার চাজশির্ট জমা দিতে গড়িমসির বিষয়টি রহস্যজনক।

ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম ফারুক বাচ্চু বলেন, ‘শহরে প্রকাশ্যে বাবুলকে কুপিয়ে হত্যার দ্রুত বিচার হবে ফেনীর ব্যবসায়ীরা এমনটিই প্রত্যাশা করেছিল। কেন এ মামলার তদন্ত থেমে গেল ব্যবসায়ীরা জানতে চায়।’

সদর উপজেলার কসকা বাজারের মেসার্স সততা জুয়েলার্সের মালিক শেখ বাহাদুর বাবুলকে ২০১৪ সালের ১৯ অক্টোবর সিএনজি অটোরিক্সায় ফেনী শহরে আসেন। এ সময় অপেক্ষারত চার-পাঁচজন সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর চড়াও হয়। খোয়া যায় ব্যাগে থাকা ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০-৬০ হাজার টাকা।

গুরুতর আহত বাবুলকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ অক্টোবর মারা যান তিনি ।

এ ব্যাপারে নিহতের বোন রাশেদা আক্তার বাদী হয়ে  ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

/এইচকে/টিএন/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।