রাত ০৯:৫০ ; বৃহস্পতিবার ;  ২০ জুন, ২০১৯  

বিদ্যুতের আলোয় আজ ঘুচবে ৬৮ বছরের অন্ধকার

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) আলোকিত হয়ে উঠবে অধুনা বিলুপ্ত ১০ ছিটমহল। দীর্ঘ ৬৮ বছরেও যেখানে লাগেনি উন্নয়নের এতটুকু ছিটেফোটা সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, নীলফামারীর বিলুপ্ত ছিটমহলগুলোতে পৌঁছে যাবে বিদ্যুৎ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার এসে উদ্বোধন করবেন এই কর্মসূচির। ছিটমহল বিনিময়ের দুই মাস পার হতেই সরকারের এমন পদক্ষেপে এখন খুশি বাংলাদেশের নতুন নাগরিকরা।

ছিটমহল বিনিময়ের আগে এই জায়গাগুলোয় বিদ্যুৎ দূরের কথা, ছিল না ন্যূনতম নাগরিক সেবাটুকুও। অথচ এখন সেখানে চলছে বিদ্যুতায়ন কর্মসূচিসহ নানা নাগরিক সেবামূলক কার্যক্রমের প্রস্তুতি। চলছে বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন নির্মাণ কাজ, ঘরে-ঘরে লেগেছে বৈদ্যুতিক মিটার। গত ৩১ জুলাই মধ্যরাতে বাংলাদেশের অংশ হয়ে যাওয়া সাবেক ১১১টি ছিটমহলে উন্নয়নের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিলুপ্ত ১১১ টি ছিটমহলের মধ্যে ৫২টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় এবং কুড়িগ্রামের আওতাভুক্ত। প্রথম পর্যায়ে বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর দাশিয়ারছড়া, পঞ্চগড়ে দেবীগঞ্জ ও বোদায় ৫টি, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৪টি মিলে মোট দশটি সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহল বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই সবকটি সাবেক ছিটমহলে বিদ্যুৎ দিতে ১১ হাজার ৩২টি পরিবারকে গ্রাহক হিসেবে ধরা হয়েছে। এজন্য ৩৫কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার বিতরণ লাইন।

বিদ্যুতায়ন কর্মসূচিকে সফল করতে এরই মধ্যে কুড়িগ্রামের দাশিয়ারছড়ায় সব প্রস্তুতি শেষ করেছে পল্লী বিদ্যুতের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। দাশিয়ারছড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ে মোট ৬৪৩টি পরিবারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে । বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা হলেই মোমবাতি কিংবা কেরোসিনের বাতির বদলে ঘরে ঘরে জ্বলবে বিদ্যুতের বাতি।

/এসএম/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।