রাত ০৯:৫৫ ; সোমবার ;  ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯  

ম্যান বুকার পেলো ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিংস’

প্রকাশিত:

রবিউল ইসলাম ||

 

জ্যামাইকার লেখক মার্লন জেমস তাঁর ‘আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব সেভেন কিলিংস’ উপন্যাসের জন্য এ বছর ম্যান বুকার পুরস্কার পেলেন। গতকাল ১৩ অক্টোবর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। বইটি প্রকাশ করেছে ওয়ানওয়ার্ল্ড পাবলিকেশনস।

৪৪ বছর বয়সী মার্লন ম্যান বুকার পুরস্কার প্রদানের ৪৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম জ্যমাইকান লেখক। ৬৮৬ পৃষ্ঠার মহাকাব্যিক আঙ্গিকে লেখা এই উপন্যাসে ৭৫টি চরিত্র ও কণ্ঠস্বর আছে।

এ উপন্যাসের কাহিনী গড়ে উঠেছে বব মার্লেকে হত্যাচেষ্টা এবং এর পরবর্তী ঘটনা প্রবাহকে কেন্দ্র করে। উপন্যাস জুড়ে বব মার্লেকে উল্লেখ করা হয়েছে গায়ক হিসেবেই। তবে উপন্যাসের ঘটনাবলী একক কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক না হয়ে বরং জ্যামাইকার একটা বিশেষ সময়ের হয়ে উঠেছে। এখানে ১৯৭০ এবং ৮০’র দশকের গোড়ার দিকের জ্যামাইকার চিত্র তুলে আনা হয়েছে যখন সে দেশে অস্ত্রের অঢেল প্রাপ্তি আর সিঅইএ’র দৌড়াত্ম দেখা গেছে। সে সময় দেশটি খুব দ্বন্দ্বমুখর একটা অবস্থা পার করেছিলো। উপন্যাসে জ্যামাইকার গল্প থাকলেও ঘটনার স্থান একমাত্র জ্যামাইকা নয়।

মার্লন জেমস মূলত জীবনের সূর্যালোকিত, সংগীতমুখর দিক নিয়ে কথা বলার চেয়ে অন্ধকার দিক তুলে ধরতে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।

প্রধান বিচারক মাইকেল উড বলেন, ‘এটা একটা অপরাধ উপন্যাস। এখানে আমরা অপরাধের দুনিয়া অবলোকন করি, যা ছিলো কাছাকাছি সময়েরই ইতিহাস, এবং এসব বিষয় সম্পর্কে আমরা খুব সামান্যই জানি। এটি আমাদের সময়ে ক্লাসিকের মর্যাদা পাবে।’

এই বিজয়ের জন্য মার্লন জেমস পাচ্ছেন ৫০ হাজার পাউন্ড এবং শর্টলিস্টে থাকার জন্য আরো ২ হাজার ৫শ’ পাউন্ড।

আর ম্যান বুকার পুরস্কার জিতলে তো লেখকের ভাগ্যের শিকেও ছেঁড়ে। যেমন গত বছর ‘দ্যা ন্যারো রোড টু দ্যা ডীপ নর্থ’ ইংল্যান্ডে বিক্রি হয়েছিলো ৩ লক্ষ কপি, এবং বিশ্বব্যাপী ৮ লক্ষ কপি।

 

গ্রন্থনা : ইন্টারনেট অবলম্বনে

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।