রাত ০৫:৫২ ; মঙ্গলবার ;  ১৯ নভেম্বর, ২০১৯  

দ্বিতীয় কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী সেতুসহ ৫ প্রস্তাব অনুমোদন

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ॥

শীতলক্ষ্যা, মেঘনা ও গোমতী নদীর ওপর বিদ্যমান সেতুর পাশপাশি দ্বিতীয় নতুন সেতু নির্মাণ ও পুরনো সেতু পূণর্বাসনসহ ৫ প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার এ প্রস্তাবগুলো ওই কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দেশের বাইরে থাকায় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাকসুদুর রহমান পাটোয়ারি সাংবাদিকদের জানান, জাইকার অর্থায়নে চারটি জাপানি কোম্পানি যৌথভাবে সেতুগুলো নির্মাণ ও পূণর্বাসন করবে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে শিমিজু করপোরেশন, ওবায়াশি করপোরেশন, জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন এবং আইএইচআই ইনফ্রাসটাকচার সিস্টেমস কোম্পানি লিমিটেড। এতে মোট ব্যয় হবে ৫ হাজার ৯৬৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।

প্রতিষ্ঠানগুলো পৃথকভাবে দরপত্র ক্রয় করলেও  জমা দেওয়ার সময় যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব।

বিদ্যামান পূণর্বাসনসহ এ প্রকল্পের আওতায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর চার লেন বিশিষ্ট ৩৯৭ দশমিক ৩ মিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু এবং চার লেন বিশিষ্ট ৭০৩ দশমিক ৫ মিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়কসহ কাঁচপুরে ফ্লাইওভার ও ইন্টারসেকশন নির্মাণ। মেঘনা নদীর ওপর চার লেন বিশিষ্ট ৯৩০ মিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় মেঘনা সেতু এবং চার লেন বিশিষ্ট ৮৭০ মিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক নির্মাণ। গোমতী নদীর ওপর চার লেন বিশিষ্ট ১ হাজার ৪১০ মিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় গোমতী সেতু এবং চার লেন বিশিষ্ট ১ হাজার ১০ মিটার দীর্ঘ সংযোগ নির্মাণ। এছাড়া, যানবাহনের ওজন পরিমাপ যন্ত্র স্থাপন এবং ও সেতু পরিদর্শনে গাড়ি ক্রয় করা হবে।

অনুমোদন পাওয়া অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ১৬৩ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বৈদেশিক বিনিয়োগের শর্ত শিথিল প্র্রস্তাব। এতে বিনিয়োগ আনয়নের ২ বছর বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ‘কুশিয়ারা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।’

‘মিউনিসিপ্যাল গভর্ন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস প্রজেক্ট’-এর আওতায় নকশা, তদারকি এবং ব্যবস্থাপনার জন্য পরামর্শক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যৌথভাবে ৪৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নিয়োগ পেয়েছে সুইডেনের হাইফার ও দেশিয় প্রতিষ্ঠান একোয়া কনসালটেন্ট অ্যাসোসিয়েট।

ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের জন্য ৫০ হাজার মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড (পিটুওফাইভ : ৫২-৫৪%) আমদানি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। ১৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে  সরবরাহের কার্যাদেশ পেয়েছে দেশিয় প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স পোট্রন ট্রেডার্স।’

এছাড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নিজস্ব জমিতে আনুষঙ্গিক সব ধরনের সুবিধাসহ তিনটি ভূগর্ভস্থ তলা বিশিষ্ট ২৫ তলা অফিস ও বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) কাজের দ্বিতীয় মূল্যায়ন প্রস্তাব ।এতে ব্যয় বাড়ছে ১১ কোটি টাকা। প্রাথমিক চুক্তিমূল্য এ ব্যয় ছিল ৩৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। বর্তমান প্রস্তাবে ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকায়।

 /এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।